জুলাই-আগস্ট বিপ্লব একদিনে সংঘটিত হয়নি। মরহুম বেগম খালেদা জিয়া এবং তার সুযোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে এদেশের মুক্তিকামী আপামর জনগণকে সাথে নিয়ে বিএনপি দীর্ঘ বছর ধরে যে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে তারই সফল, একটি স্বৈরাচার সরকারের পতনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। পতিত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ীভাবে ঘৃণিত হয়ে থাকবে। কুটচালের মধ্য দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা এবং অস্থিতীশীল পরিবেশ তৈরীর যেকোনো প্রচেষ্টাকে নশ্চাৎ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলে দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত গণঅভ্যুত্থান দিবসের বিজয় র্যালী শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

আসলাম চৌধুরী বলেন, নিজের জীবন ব্যবসা-বাণিজ্য কিছুই তোয়াক্কা করিনি। স্বৈরাচারের সাথে আপোষ করিনি। আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে দীর্ঘদিন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে গেছি। জেলে গিয়েও একবিন্দু আদর্শ বিচ্যুত হয়নি। সীতাকুণ্ডের মানুষ বার বার পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে, আগামীতেও হবে ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ইতিবাচক রাজনীতি এবং সরকার পরিচালনার মধ্য দিয়ে দেশ আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও তা প্রশংসিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, কথা নয়, কাজ, সবার আগে বাংলাদেশ। এই আদর্শকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন। উন্নয়ন সমৃদ্ধির এই অগ্রযাত্রা নিশ্চিতে বিএনপি তথা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে দেশ গঠনে যার যার জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। তবেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে ইনশাল্লাহ।
সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমল কদরের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোরছালিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা দিদারুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক জহুরুল আলম জহুর, সালামত উল্ল্যাহ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সদস্য সচিব ছালেহ আহম্মদ ছলু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সদস্য সচিব ফজলুল করিম চৌধুরী, বিএনপি নেতা নুরুল আনোয়ার চেয়ারম্যান, নুর উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যান, আবুল বশর চেয়ারম্যান ,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনছুর, ইউসুফ নিজামী, বদিউল আলম বদরুল, মোজাহের উদ্দিন আশরাফ, মোস্তাফিজুর রহমান হিরু, আবুল কালাম আজাদ, কাজী এনামুল বারী, বকতিয়ার হোসেন, আলাউদ্দিন মাসুম, এডভোকেট আইনুল কামাল, ইদ্রিস মিয়া, জাহেদ হোসেন, খ ম নাজিম উদ্দিন, খোরশেদ আলম, যুবদল নেতা সাহাব উদ্দিন রাজু, ইসমাইল হোসেন, আওরঙ্গজেব মোস্তফা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি, যুবদল,কৃষকদল,শ্রমিকদল,সেচ্ছাসেবক দল,ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ।


