ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সার্বিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন প্রতিনিধি। আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা, সেবার মানোন্নয়ন এবং ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার মাধ্যমে এ ব্যাংককে তার ঐতিহ্যবাহী অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সার্বিক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি মোহাম্মদ জহির হোসেন সোমবার (১৫ জুন ) এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “কোম্পানি আইন অনুযায়ী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের পাশাপাশি আমানতকারীরাই ব্যাংকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। তাদের আমানতের ওপর ভিত্তি করেই ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাই আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, তাদের আস্থা অটুট রাখা এবং সর্বোচ্চ মানের ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে ইসলামী ব্যাংকের জন্য একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো। আমরা ব্যাংকের সুনাম, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব পুনরুদ্ধারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশার কেন্দ্র হিসেবে ইসলামী ব্যাংক ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
তিনি বলেন, পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় নীতিগত নির্দেশনা প্রদান করবে। ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কোনো হস্তক্ষেপ করা হবে না এবং লেনদেন স্বাভাবিকভাবে চলবে। গ্রাহকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি সকল গ্রাহক, আমানতকারী, শেয়ারহোল্ডার, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইসলামী ব্যাংককে আমরা আবারও দেশের অন্যতম সেরা ও সর্বাধিক আস্থার ব্যাংক হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হব।
