শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬

[the_ad id='15178']

টুথপেস্ট কেনার সময় যেসব বিষয় যাচাই করার পরামর্শ দিল বিএসটিআই

ঢাকা প্রতিনিধি

টুথপেস্ট কেনার সময় উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স নম্বর যাচাই এবং অজানা বা অনুমোদনহীন ব্র্যান্ডের পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

- Advertisement -

এছাড়া আমদানিকৃত টুথপেস্টের ক্ষেত্রেও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমদানি ও বাজারজাতকরণে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই।

- Advertisement -shukee

প্রসঙ্গত বাজারে বিক্রি হওয়া কিছু টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকার বিষয়ে প্রকাশিত এক জরিপের পর বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) জানিয়েছে, এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিএসটিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) পরিচালিত এক জরিপে সাতটি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে একটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য উঠে এসেছে। এ প্রেক্ষাপটে বিএসটিআই নিজ উদ্যোগে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে স্বতন্ত্র পরীক্ষাগারে পরীক্ষা শুরু করেছে।

বিএসটিআই জানায়, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো প্লাস্টিক বা অন্যান্য অজৈব পদার্থের অতি ক্ষুদ্র কণা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদীয়মান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর ব্যবহার সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বাংলাদেশে বিডিএস ১২১৬:২০১২ স্পেসিফিকেশন ফর টুথপেস্ট অনুযায়ী টুথপেস্টে ক্ষতিকর উপাদান, জীবাণু এবং বিষাক্ততার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় কোনো টুথপেস্টে মাইক্রোবিডের উপস্থিতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও