বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬

[the_ad id='15178']

বিশ্বমানের ইকোট্যুরিজম স্পট হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম : মীর হেলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, হাটহাজারীতে অপরাধ ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো অপরাধীকে এক চুল পরিমাণ ছাড় দেয়া হবে না, আইন অনুযায়ী সবার বিচার নিশ্চিত করা হবে।

- Advertisement -

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

- Advertisement -shukee

এর আগে তিনি হাটহাজারী উপজেলায় পৌঁছে তিনি উপজেলা বিএনপি আয়োজিত অমর একুশের কর্মসূচিতে যোগ দেন।

সরকারি জমি ও খাল বেদখলমুক্ত করতে আইনি প্রক্রিয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ বোস্তামীর আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, খালগুলো পুনরুদ্ধার করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে, যাতে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হন। একই সঙ্গে যানজট নিরসনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ড থেকে চৌধুরীহাট, বড়দিঘীর পাড় ও অক্সিজেন এলাকা পর্যন্ত যানজট কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সামাজিকভাবে স্বেচ্ছাসেবক সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানাই।

সড়ক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর হেলাল বলেন, চৌধুরীহাট এলাকার সড়কের উন্নয়নকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে আরও কয়েকটি সড়কের কাজ শুরু হবে। যেসব রাস্তার অনুমোদন বা অর্থায়ন এখনো হয়নি, সেগুলোর তালিকা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচিত হওয়ার পর আমি হাটহাজারীর পাঁচ লাখ মানুষের অভিভাবক।

দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করবো। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো রাজনৈতিক বিভেদ রাখা হবে না। হাটহাজারীতে ১৭টি সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি আরও প্রায় ২৭টি দপ্তর রয়েছে। সমন্বিতভাবে কাজ করলে ছোটখাটো সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান সম্ভব।

ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে বিষয়ে মীর হেলাল বলেন, সারাদেশের ৪ কোটি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।

এখানে দল, ধর্ম, গোত্র বা শ্রেণিভেদে কোনো বৈষম্য থাকবে না। হাটহাজারীতে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত ও সচল-এই চার শ্রেণিতে তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু হবে। আমি আগে যেমন সাধারণ মানুষ ছিলাম, এখনো তেমনই আছি। হাটহাজারীর সন্তান হিসেবে মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে চাই।

পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। এখানে প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিশ্বমানের ইকোট্যুরিজম স্পটে পরিণত করা হবে। যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পাঁচ বছরের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও