বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬

[the_ad id='15178']

শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাথে চসিকের মতবিনিময় সভা রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

- Advertisement -

মতবিনিময় সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সার্বিক সহায়তা প্রদান করবে। পূজামণ্ডপগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিদ্যুৎ, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ যেসব বিষয়ে চসিকের দায়িত্ব রয়েছে সেগুলো শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। ধর্মীয় উৎসব সব সম্প্রদায়ের জন্য আনন্দের বিষয়, তাই সবাইকে মিলেমিশে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

- Advertisement -shukee

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর একটি বহুধর্মী নগরী। এখানে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করেন। সিটি কর্পোরেশন সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করছে যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন। নগরীর পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে শৃঙ্খলা—সব ক্ষেত্রেই আমরা আপনাদের পাশে থাকব।

মেয়র আরো বলেন, পূজার সময় নগরীর প্রধান প্রধান রাস্তাঘাট ও পূজা মণ্ডপ এলাকায় আলোকসজ্জা করতে হবে। এতে উৎসবের আমেজ বাড়বে এবং মানুষের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে এবং যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।শুধু নিরাপত্তাই নয়, পরিবেশকে সুন্দর ও মনোরম রাখার বিষয়েও যত্নবান হতে হবে। পূজা মণ্ডপগুলোতে সবুজায়নের জন্য টবসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রাখতে হবে। এতে মণ্ডপগুলোর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশও হবে নির্মল।পূজার সময়ে প্রতিটি মণ্ডপে প্রচুর মানুষ সমাগম ঘটে, ফলে প্রচুর ময়লাও সৃষ্টি হয়। তাই প্রতিটি মণ্ডপের সামনে ময়লার ঝুড়ি রাখতে হবে, যাতে আগতরা নির্দিষ্ট ঝুড়িতেই ময়লা ফেলতে পারেন। এতে করে চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যাবে। আমি বিশ্বাস করি, সকলের সহযোগিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে এবারের দুর্গোৎসব হবে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং আনন্দঘন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সর্বদা ধর্মীয় উৎসবগুলোতে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অর্পন কান্তি ব্যানার্জি, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিখিল কুমার নাথ, সাবেক সভাপতি সাধন ধর, সহ সভাপতি অরুপ রতন চক্রবর্তী, সাংবাদিক প্রদীপ শীল, বিপ্লব চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক এড,নটু চৌধুরী, বিপ্লব সেন, প্রিয়তোষ ঘোষ রতন,এড.শ্যমল চৌধুরী, রাশেল দত্ত, অয়ন ধর, থানা কমিটির পক্ষে লিটন শীল, জুয়েল দাশ রানা, উজ্বল দেওয়ানজী, অশোক দত্ত, রতন চৌধুরী, দেবাশীষ চৌধুরী , প্রদীপ সেন, দীপক দাশ, শিবু চৌধুরী, ঝুন্ট চৌধুরী, মিথুন সরকার, নান্টু দেবনাথ, সমীরন দাশ, রাজীব নন্দী বাবু, লিটন দাশ ইফতি, সাজু চৌধুরী, উত্তম মহাজন নব, সুজন শীল, সুজন মহাজন, বাবলু দেবনাথ, রাজিব ধর তমাল, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটি, উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস, বেসরকারি কারা পরিদর্শক সৌরভ প্রিয় পাল, বাপ্পি দে, সুকান্ত তালুকদার, বাবলু দেবনাথ, মোহন সেনগুপ্ত, নারায়ন দে, সুকান্ত মজুমদার।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও