সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রগুলোতে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে নরমাল ডেলিভারি বা স্বাভাবিক প্রসব সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিদিনই ৩-৫ জন বা তার বেশি রোগীর নিরাপদ প্রসব সম্পন্ন হচ্ছে- যা মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করছে। এতে অসচ্ছল প্রসব রোগীরা আর্থিক ও নিরাপদ স্বাস্হ্য সেবা পেয়ে মহাখুশী।
সীতাকুণ্ড স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. সোহরাব হোসেন ও ডা. ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, সীতাকুণ্ডের ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্হ্য কেন্দ্র ডাক্তার ও নার্সগণ রোগীদের চিকিৎসা বিশেষ করে প্রসবকালীন রোগীদের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। অতিসম্প্রতি ঈদের ছুটিতে ও তারা ৫ টি শিশুর স্বাভাবিক প্রসব করিয়েছেন। রোগীদের কষ্ট নিরাময়ে ছিলেন সচেতন ।

এভাবে প্রতিদিনই স্বাভাবিক প্রসব সেবা প্রদান রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রতি ইউনিয়ন স্বাস্হ্য কেন্দ্রগুলো।
সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর,জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাগণের নির্দেশ মোতাবেক গর্ভকালীন প্রসবের পর মা ও শিশুর পরিচর্যা, সেবা প্রদান, কিশোর কিশোরী স্বাস্হ্য সেবা,পরিবার পরিকল্পনা সেবা, প্রজনন স্বাস্হ্য সেবা,সাধারণ স্বাস্হ্য সেবা কার্যক্রম ছুটির দিনও অব্যাহত রেখেছেন স্বাস্হ্য কর্মীরা।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন প্রতিবেদককে জানায়, সীতাকুণ্ড সরকারি হাসপাতালে সকল রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি প্রসবকালীন রোগীদের উত্তম সেবা দেয়া হয়। এতে প্রাইভেট হাসপাতালগুলো অসন্তুষ্ট, তারা দালাল ধরেও রোগী নিতে পারছেনা। সরকারি হাপাতালে প্রতিদিন ৩-৬ টি ডেলিভারী রোগী সেবা নিয়ে থাকেন নিরাপদ প্রসবে। এতে সকল স্বাস্হ্য কর্মীদের আন্তরিকতা ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

