শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

অভিনেত্রী বাঁধনের ‘ভালো মেয়ে’ হওয়ার লড়াই

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ আজমেরী হক বাঁধন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেন। এবারও নিজের  ব্যক্তিজীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে আলোচনায় বাঁধন। নিজের জীবনের ভেতরের সংগ্রাম ও আত্মজাগরণের গল্প তুলে ধরে একটি আবেগময় ও অনুপ্রেরণামূলক পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। অভিনেত্রী বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এই দীর্ঘ লেখাটি ইতোমধ্যেই আলোচনার জন্ম

- Advertisement -

বাঁধন লিখেছেন, আমি একসময় ছিলাম সমাজের চোখে ‘ভালো মেয়ে’। বাবা-মায়ের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরতাম, আশপাশের মানুষের বিচার-বিবেচনায় নিজেকে গড়ে তুলতাম। এমনকি কৈশোরে জিন্স পর্যন্ত পরিনি, কারণ তখন সেটা ‘ভদ্র মেয়েদের’ পোশাক নয় বলে মনে করা হতো। আমি ভাবতাম, আমি হব সেই আদর্শ মেয়ে, যাকে সবাই ভালোবাসবে। অথচ একসময় সেই সাজানো জীবনটাই ভেঙে পড়ল।

- Advertisement -shukee

তিনি জানান, সমাজ ও সংস্কৃতির চাপেই তিনি পা রেখেছিলেন এক সহিংস দাম্পত্য জীবনে, যার পরিণতি হয়েছিল রিহ্যাব সেন্টারে ভর্তি হওয়া পর্যন্ত। সেই অভিজ্ঞতা তার জীবনে গভীর দাগ কেটেছে।

বাঁধনের ভাষায়, ২০০৬ সালের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতাই ছিল তার জীবনের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি প্রথম নিজেকে ‘নারী’ পরিচয়ের বাইরেও একজন ‘মানুষ’ হিসেবে ভাবতে শিখেছিলেন। সেই থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনচেতা মানসিকতা। তিনি লিখেছেন, তখনো আমি লাজুক ছিলাম, কিন্তু সত্যবাদী ছিলাম। সেই প্রতিযোগিতা আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছিল, আবার বাঁচার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার কাছে আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ।

তার ভাষ্যে উঠে আসে ‘ভালো মেয়ে’ হওয়ার চাপের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। দ্বিতীয় বিয়েও বিচ্ছেদে গিয়ে শেষ হয়। তখন সমাজ তাকে ‘সবচেয়ে খারাপ নারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে দেয় বলে মনে করেন তিনি। তবে সেখান থেকেই বাঁধনের নিজের মতো করে বাঁচার, নিজের অধিকারের জন্য লড়ার পথচলা শুরু হয়।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও