বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ইপসার উদ্যোগে নগর স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে  মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ৩ দিনব্যাপী (১৭–১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মৌলিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে।

- Advertisement -

জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসের অর্থায়নে এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের সার্বিক সহায়তায় ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা) বাস্তবায়িত “Child-centered Anticipatory Action for Better Preparedness of Communities and Local Institutions in Northern and Coastal Areas of Bangladesh” প্রকল্পের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডের ৫২ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।

- Advertisement -shukee

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে ফায়ার ফাইটিং, সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ, ফার্স্ট এইড, ভূমিকম্প এবং পাহাড়ধস ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, ঢাকার সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. মোস্তফা মহসিন, ইপসার পরিচালক (সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট) নাছিম বানু।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইপসার প্রজেক্ট ম্যানেজার সানজিদা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইপসা প্রজেক্ট অফিসার মুহাম্মদ আতাউল হাকিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন বলেন, “আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। দুর্যোগঝুঁকিপূর্ণ নগরী হিসেবে চট্টগ্রাম সবসময় অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প, পাহাড়ধসসহ নানা ঝুঁকির সম্মুখীন। এ বাস্তবতায় কমিউনিটি পর্যায়ে দক্ষ, সচেতন ও প্রস্তুত স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলা সময়োপযোগী ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ।”

তিনি আরও বলেন, “প্রকল্পের আওতায় ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডের ৫২ জন ভলান্টিয়ারকে নিয়ে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এখানে ফায়ার ফাইটিং, সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ, ফার্স্ট এইড, ভূমিকম্প ও পাহাড়ধস ব্যবস্থাপনা বিষয়ে হাতে–কলমে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অর্জিত দক্ষতা ব্যক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কমিউনিটি ও নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

দুর্যোগকালে কমিউনিটি ভলান্টিয়ারদের ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার’ হিসেবে ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক থাকলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। তাই ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত পরিসরে গ্রহণ করা প্রয়োজন।

স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, “শুধু প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেই থেমে থাকলে চলবে না; বরং নিজ নিজ এলাকায় সচেতনতা সৃষ্টি, মহড়া আয়োজন এবং দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি ও দুর্যোগকালীন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।”

সর্বশেষ

শপথ নিলেন জামায়াতের এমপিরা

কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

এই বিভাগের আরও