ক্রিকেটের বয়স ৫৫ বছর। সেই ১৯৭১ সাল থেকে যাত্রা শুরুর পর থেকে ২০২৬ সাল শেষ হতে চলল— এই সময়ে এমন রেকর্ডের দেখা আর মেলেনি। ২৭ সেপ্টেম্বর একদিনেই ওয়ানডেতে হয়েছে ছয়টি সেঞ্চুরি। পুরুষদের ওয়ানডের ইতিহাসে এক দিনে এত সেঞ্চুরির নজির আর নেই, জানিয়েছে ক্রিকইনফো।
এই ছয় সেঞ্চুরি এসেছে তিনটি আলাদা ম্যাচে। তিনটি ম্যাচই একই দিনে হয়েছে, তিনটি ভিন্ন দেশে। তিরুবনন্তপুরমে ভারত খেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এই ম্যাচে তিনটি সেঞ্চুরি হয়েছে।

ভারতের বিরাট কোহলি অপরাজিত ছিলেন ১৩৯ রানে। তিনি এই রান করেছেন ৮৮ বলে। এই ইনিংস খেলতে গিয়ে তিনি অবশ্য ভেঙে দিয়েছেন একাধিক রেকর্ড। ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের বড় মাইলফলকও ছুঁয়েছেন, তার চেয়ে দ্রুততম সময়ে আর কেউ এই মাইলফলক ছুঁতে পারেনি।
তার সঙ্গে সতীর্থ শুভমান গিলও সেঞ্চুরি করেছেন, তার রান ১১০। তিনি খেলেছেন ১০৮ বল। দুজনের এমন ব্যাটিংয়ে ভারত ৮ উইকেট হাতে রেখে ২৯৬ রান তাড়া করে ফেলেছে ৪২তম ওভারেই। তার আগে ২৯৫ রানের পুঁজি দাঁড় করিয়েছিল ওপেনার জাস্টিন গ্রিভসের সেঞ্চুরিতে। তিনি ১০৮ বলে ১০১ রান করেন।
ওদিকে জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। সেখানে এখানে সেঞ্চুরি করেছেন দুজন, আর দুজনই দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার। ডেভিড মিলার ৯৩ বলে ১৪২ রান করেন। টেম্বা বাভুমা ১১৬ বলে করেন ১০৩ রান। দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেট খুইয়ে গড়ে ৩৬৫ রানের পাহাড়।
জবাবে অস্ট্রেলিয়া করে ৩৩৩ রান। তবে দলটির দুই ওপেনার মিচেল মার্শ আর ট্রাভিস হেড ৮৪ রান করে করলেও সেঞ্চুরির দেখা পাননি কেউ। ফলে রেকর্ডটার ব্যাপ্তি আরও একটু বাড়তে বাড়তেও শেষমেশ তা হয়নি।
লন্ডনের ওভালে ইংল্যান্ড খেলেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই ম্যাচে একমাত্র সেঞ্চুরিটি করেছেন ইংল্যান্ডের টম ব্যান্টন। তিনি ১০৫ বলে ১২৬ রান করেন। ইংল্যান্ড ৩৫৫ রানের পাহাড় দাঁড় করায়। জবাবে অবশ্য শ্রীলঙ্কা দলগতভাবেই সেঞ্চুরি তুলেছে কষ্টেসৃষ্টে। ১৩২ রান তুলে অলআউট হয়। দলের হয়ে কেউ ফিফটিও করতে পারেননি।
এভাবে তিন ম্যাচে ছয় ব্যাটার সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। এর আগে এক দিনে এতগুলো সেঞ্চুরি কখনো হয়নি। ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ২৭ সেপ্টেম্বর তাই মনে রাখার মতো একটি দিন হয়ে থাকল।

