Tuesday, 1 September 2026

[the_ad id='15178']

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে

নগরীর যানজট নিরসন ও ভবনের অনুমোদিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে ৬ প্রতিষ্ঠানে চউকের পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবাসিক ভবনে হাসপাতাল ও স্কুল পরিচালনা, অনুমোদিত পার্কিংয়ের জায়গায় দোকান এবং কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে একেবারেই পার্কিং না থাকার বিষয় পেয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)। নগরীর যানজট নিরসন ও ভবনের অনুমোদিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার (৩১আগস্ট) চউক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নগরীর ছয়টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

- Advertisement -

পরিদর্শন করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো একুশে হাসপাতাল, বাস্কেট সুপার মার্কেট, প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, মেডিকেয়ার হাসপাতাল ও পিস পার্ক হাসপাতাল।

- Advertisement -shukee

পরিদর্শনকালে একুশে হাসপাতালে আবাসিক ভবনে হাসপাতাল কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি চউকের নজরে আসে। প্রতিষ্ঠানটিকে এর আগে অনুমোদিত নকশা উপস্থাপনের জন্য বলা হলেও পরিদর্শনের সময় তারা নকশা দেখাতে পারেনি।

সরেজমিনে হাসপাতালটিতে কোনো নির্ধারিত পার্কিং পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভবনের সামনের খালি জায়গাকে রোগী প্রবেশের জন্য পার্কিং হিসেবে দাবি করে।

বাস্কেট সুপার মার্কেটে গিয়ে আরও একটি অনিয়মের চিত্র পাওয়া যায়। ভবনের বেসমেন্টে পার্কিং থাকলেও গ্রাউন্ড ফ্লোরে পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গায় বাস্কেট সুপার মার্কেটের আউটলেট স্থাপন করা হয়েছে। ফলে অনুমোদিত পার্কিংয়ের জায়গা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের বিষয়টি চউকের নজরে আসে।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল একটি আবাসিক ভবন ভাড়া নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে চউকের অনুমোদিত নকশা উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার সার্জিস্কোপ, পিস পার্ক ও মেডিকেয়ার হাসপাতালেও আকস্মিক পরিদর্শন চালানো হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে কোনো পার্কিং ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি।

ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে চউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন এর নেতৃত্বে পরিদর্শন করছেন প্রতিনিধি দল

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামীকালের মধ্যে অনুমোদিত নকশা নিয়ে চউক কার্যালয়ে যোগাযোগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পার্কিং ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও ঘাটতি নিরসনের জন্য এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে।

চউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, “নগরীকে যানজটমুক্ত রাখতে আমাদের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হাসপাতাল একটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সেবার নামে কোনো প্রতিষ্ঠান অনিয়ম করে পরিচালিত হতে পারে না। আমাদের মূল চাহিদাগুলোর একটি হলো পর্যাপ্ত পার্কিং নিশ্চিত করা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো অগ্রগতি না হলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকায় পরিচালিত হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত নকশা, ভবনের ব্যবহার এবং পার্কিং ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে যাচাই করা হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চউক এর প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল ,অথরাইজ অফিসার – ০১ কাজী কাদের নেওয়াজ,অথরাইজ অফিসার-০২ তানজীব হোসেন,সহকারি অথরাইজ অফিসার আসাদ বিন আনোয়ারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও