অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ভিএআরের হস্তক্ষেপের গুরুতর অভাব আছে, দাবি করেছে বার্সেলোনা। সেই ঘটনা প্রসঙ্গে ক্লাবটির আইনি বিভাগ উয়েফার কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। কাতালানরা মনে করে, ওই ম্যাচে রেফারিং বর্তমান আইন মেনে চলেনি, যা খেলার গতিপ্রকৃতি এবং ফলাফলকে সরাসরি প্রভাবিত করেছে।
বুধবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে কোয়ার্টারের প্রথম লেগে ৫৪ মিনিটে অ্যাটলেটিকো গোলরক্ষক হুয়ান মুসো পা দিয়ে মার্ক পাবিলকে বল দেন, পাবিল সেটি হাত দিয়ে ধরে খেলা শুরু করেন। হ্যান্সি ফ্লিকের বার্সা সেসময় পেনাল্টি দাবি করে। বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা পেনাল্টির আবেদন করলেও রেফারি ইস্তভান কোভাচ খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ক্রিশ্চিয়ান ডিঙ্গার্ট তখন হস্তক্ষেপ করেননি।

ফলে বার্সা উয়েফার কাছে আভিযোগ দাখিল করল। বৃহস্পতিবার আভিযোগের বিবৃতিতে ক্লাবটি বলেছে, ‘এফসি বার্সেলোনা মনে করে যে, এই সিদ্ধান্তটি এবং ভিএআরের হস্তক্ষেপের গুরুতর অভাব একটি বড় ধরনের ভুল। সেই অনুযায়ী, ক্লাব একটি তদন্ত শুরু করার, রেফারিংয়ের কথোপকথন দেখার সুযোগ দেয়ার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, ভুলগুলোর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও প্রাসঙ্গিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছে।’
‘একই প্রসঙ্গে বার্সেলোনা মনে করে, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সাম্প্রতিক আসরগুলোতে এই প্রথমবার নয় যে অবোধ্য রেফারিং সিদ্ধান্তগুলো দলটিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা একটি সুস্পষ্ট তুলনামূলক অসুবিধা তৈরি করেছে এবং অন্যান্য ক্লাবের সাথে সমানভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দিয়েছে।’
‘ক্লাবের বিশ্বাস, রেফারিং আচরণ বর্তমান নিয়মের পরিপন্থী ছিল, যা ম্যাচের গতিপথ ও ফলাফলের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।’
ম্যাচের পর এ বিষয় টেনে বেশ বড় প্রতিক্রিয়া জানান ফ্লিক। বার্সার জার্মান কোচ বলেন, ‘জানি না সেই পরিস্থিতিতে কী হয় যখন গোলরক্ষক খেলা শুরু করে, ডিফেন্ডার হাত দিয়ে বল থামিয়ে আবার খেলা শুরু করে। আমার মতে, এটা একটা স্পষ্ট লাল কার্ড, বরং দ্বিতীয় হলুদ কার্ড এবং পেনাল্টি।’
‘ভিএআর ব্যাখ্যা করতে পারে কেন খেলাটি পর্যালোচনা করা হয়নি। বিশ্বাস করতে পারছি না যে এটা লাল কার্ড নয়। এটা ভালো লাগেনি। এটা অন্যায্য মনে হচ্ছে। তবে আমাদের এটা মেনে নিতে হবে। আমরা আগামী মঙ্গলবার লড়াই (ফিরতি লেগ) করব।’

