ভালোবেসে প্রেম করে গাজিপুর থেকে একবছর আগে বিয়ে করেন সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড নতুনপাড়ার বাসিন্দা জব্বার আলীল ছেলে ড্রাইভার ইমাম হোসেন। স্ত্রী বায়না ধরেছে বিদেশ যাবে গৃহকর্মী হিসেবে,স্ত্রীর বোনে ভিসা দিবে। স্বামীকেও নিয়ে যাবে কিছুদিন পর। স্বামী স্ত্রীর কথা বিশ্বাস করে বিদেশ যাওয়ার সব ঠিক করে দেন,খরচও বহন করেন সব,স্ত্রী বিদেশ গিয়ে স্বামীর সাথে আর কথা বলতে নারাজ। এরপর মনের দুঃখে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
আত্মহত্যাকারী ড্রাইভারের বড় বোন জাহানারা জানায়, তার ভাই ইমাম হোসেন কাভার্ডভ্যান চালায়, দুটি সন্তানও রয়েছে, স্ত্রী বাবার বাড়ি টেরিয়াল থাকেন। ইমাম হেসেন দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে নতুনপাড়ার নিজ বাড়ীতে থাকেন। স্ত্রী মীম বিদেশ যাবে বায়না ধরায় সম্পূর্ণ খরচ দিয়ে বিদেশ পাঠায়। বিদেশ যাবার পর স্ত্রী মীম সাফ জবাব,তুমি আর আমার সাথে যোগাযোগ করবেনা।

আত্মীয় স্বজনদের অমতে বিয়ে করায় ড্রাইভার ইমাম হোসেন ঘরের অশান্তি কাউকে বলতেও পারছেনা।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা স্ত্রী মীমের সাথে ভিডিও কল দেন ইমাম হোসেন,তখনও স্ত্রী মীম ফোন দেয়া নিয়ে তার সাথে বকাঝকা করেছে। তখন ইমাম হোসেন ঘরের ভীমের সাথে গামছা বেধে গলায় বেধে স্ত্রী মীমকে ভয় দেখায়,ভিডিও কলে বলে তুমি আমার সাথে বেঈমানী করলে আমি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করবো। তাতেও স্ত্রীর মন গলেনি,কথা আর বলবেনা সাফ জানিয়ে দেয়,এতে ইমাম হোসেন ফাঁস লাগানো রসিতে ঝুলিয়ে পরে, বাড়ীর লোকজন টের পেয়ে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আজ শনিবার (১৭জানুয়ারি) লাশের ময়না তদন্ত করে সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়ী বাড়বকুণ্ড নতুনপাড়ায় নুরমার দীঘিরপাড় দাফন সম্পন্ন করেন।ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি করেছে।

