সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রামে এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে ডা. শাহাদাত হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ জিয়ার আদর্শের দল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপিতে যোগদান করায় আপনাদের স্বাগতম। বিএনপি বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের দল এবং এ দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি। বিএনপিকে ভাঙার জন্য দমন পীড়ন, নিপীড়ন নির্যাতনের এমন কোনো পন্থা নেই যা আওয়ামী লীগ প্রয়োগ করেনি। তবুও বিএনপি টিকে আছে, কারণ এই দলের মূল শক্তি সাধারণ জনগণ।

- Advertisement -

তিনি বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর কাজীর দেউরী ভিআইপি টাওয়ারের ভিআইপি ব্যাংকুইট হলে এলডিপি থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

- Advertisement -shukee

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরীর পরিচালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

ডা. শাহাদাত শহীদ জিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, তিনি চন্দনাইশ, সাতকানিয়া সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। কারণ তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হলে কৃষি বিপ্লব অপরিহার্য। তার নেতৃত্বেই দেশে কৃষি বিপ্লব সংঘটিত হয়, গার্মেন্টস খাত শক্ত ভিত্তি পায় এবং প্রবাসে শ্রমশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স আয়ের মজবুত ভিত তৈরি হয়, যা আজ জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিশ্ব চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। এই বাস্তবতায় দেশনায়ক তারেক রহমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঢেলে সাজানোর সুপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে তার যে রূপরেখা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মেয়র বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের শিক্ষা প্রসারে যে অবদান রেখেছেন, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে অনন্য।

অবৈতনিক শিক্ষা থেকে শুরু করে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিস্তারে তার উদ্যোগ আজও স্মরণীয়। দেশপ্রেম, সততা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসাই একজন প্রকৃত নেতার প্রধান গুণ। দেশপ্রেম না থাকলে দেশ পরিচালনা সম্ভব নয়, আর সততা ছাড়া উন্নয়নও টেকসই হয় না।

আসন্ন নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা একমাত্র বিএনপির রয়েছে। দেশ শাসন করা আর দল পরিচালনা করা এক নয়, দেশ পরিচালনার জন্য যে অভিজ্ঞতা, সহনশীলতা ও ঐক্য প্রয়োজন, তা বিএনপির আছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

শেষে নবাগত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা এমন একটি দলে এসেছেন যেখানে মমত্ববোধ, মানবতা, সৌহার্দ্য, ঐক্য ও সহনশীলতা রয়েছে। বিএনপির দরজা আপনাদের জন্য সবসময় খোলা থাকবে।

এতে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শাহেদ বক্স, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, জামাল খান ওর্য়াড বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এম আবু,

দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা শাহাবুদ্দিন রাশেদ, জাকির হোসেন, মহানগর ছাত্র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা কে এম আব্বাস প্রমুখ।

এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা শাহাদাত হোসেন 

এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগ দেন যারা 

চট্টগ্রাম মহানগর গণতান্ত্রিক যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন, ওলামাদলের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবুল হায়াত নক্‌শাবন্দী,

সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শেখ মো. জাহিদুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক যুব দলের অর্থ সম্পাদক এস্তাফিজুর রহমান, বায়েজিদ থানার গণতান্ত্রিক যুবদলের সভাপতি মো. সেলিম, চকবাজার থানা সভাপতি মো. সোলাইমান, বাকলিয়া থানা সভাপতি মোশারফ হোসেন, কোতোয়ালি থানা সভাপতি মো. ইউসুফ, পাহাড়তলী থানা সভাপতি মো. রায়হান, বায়েজিদ সি. সহ সভাপতি মো. আসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ, পতেঙ্গা থানা সাধারণ সম্পাদক মো. রফিক, ইপিজেট থানা সভাপতি মো. ইউনুস, আকবরশা থানা সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফুর, মহানগর এলডিপি নেতা জাহেদুল ইসলাম, আব্দুল গফুর, মো. আলী, মাসুদ, ডা. ইউসুফ, মাহবুবুল আলম, মো. আজম, শাহ আলম, মো. রুবেল, আব্দুল জলিল, মো. মনির, মো. মিজান, মো. আরফাত, আনোয়ার হোসেন, মো. ইলিয়াছ, মানিক, আবুল কাশেম, মো. ফারুক, মো. পারভেজ, আব্দুর রহিম, মো. কাউছার, শাকিল সহ এলডিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও