সীতাকুণ্ডের কুমিরা রেল স্টেশন এলাকায় মাদক বেচাকেনার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ঘে ৩ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
কুমিরা রেল স্টেশন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় কুমিরা রেল স্টেশন এলাকায় মাদক বিক্রেতাদের দুইটি পক্ষ রেল লাইনের উপর তর্কাতর্কি ও পরে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এদের মধ্যে কুমিরার রহমতপুরের জানে আলমের ছেলে জয়নাল আবেদীকে গুরুত্বর আহত অবস্হায় সীতাকুণ্ড হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। তার শরীর ও হাঁটুতে মারাত্বর জখম রয়েছে বলে চিকিৎসক জানায়।

এই এলাকায় মাদক বেচাকেনা সর্গরাজ্য হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত।সাধারণ মানুষ এই এলাকায় চলাচল করতে পারেনা মাদক সেবীদের কারণে।
তাছাড়া সীতাকুণ্ডের বিভিন্নস্থানে মাদকের হাট যথা-জঙ্গল সলিমপুর,সলিমপুর লিংকরোড, বাংলাবাজার, ভাটিয়ারী স্টেশন রোড,বালুরাস্তা,মাদামবিবিরহাট, কদমরসুল,শীতলপুর,বারআউলিয়া, পাক্কারমাথা, ঘোড়ামারা, রয়েল সিমেন্ট গেট,কুমিরা ঘাটঘর,জেলেপাড়া,ছোটকুমিরা, বাশঁবাড়িয়া, বাড়বকুণ্ড চাড়ালকান্দি,কলাবাগান,নডালিয়া,ভূলাইপাড়া,চৌধুরীপাড়া,তেলিবাজার,বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন পরিষদ পুরাতন ভবন, বাড়বকুণ্ড মোগলগেট, বাড়বকুণ্ড পরিতক্ত্য রেল স্টেশন, মুছা কলোনী, দাড়ালিপাড়া, বড়ুয়াপাড়া, জামাইপাড়া, ভায়েরখীল,সিরাজভূইয়া রাস্তার মাথা, মুরাদপুর বাংলাবাজার, ফকিরহাট,সীতাকুণ্ড আমিরাবাদ, নামারবাজার, প্রেমতলা, ভূঁইয়াপাড়া, শেখপাড়া, পন্হিছিলা, বটতল, কলাবাগান, টেরিয়েল, মীরেরহাট, বড়দারোগাহাট, মহালংকা, আইয়ুব আলী মার্কেটসহ আরো অনেক স্হানে মাদক বেচাকেনা চলে প্রতিদিন। মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও আইন-শৃংখলাবাহিনীর কোনো তৎপরতা না থাকায় তারা কাউকে পরোয়া করছেনা,কেহ প্রতিবাদ করলে মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে নাজেহাল হতে হয়। বেশী বাড়াবাড়ি করলে প্রাণনাশের হুমকিও আসে। ফলে মাদক বিক্রেতারা দিন দিন বেপোয়ারা হয়ে ওঠেছে, এতে অপরাধ প্রবণতাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সীতাকুণ্ডের সর্বত্র।
এ ব্যাপারে সীতাকুণ্ড মাদক কর্মকর্তা জানায়,আমাদের লোকবল কম,সময়মত পুলিশ পাওয়া যায়না ফলে অভিযান কিছুটা কম হয়ে থাকে। তারপরও মাসে ৪/৫ টি মামলা করে থাকি।

