সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ও কুমিরায় পৃথক দুটি অগ্নিকাণ্ডে অনুমানিক ৮ লক্ষ টাকার সম্পদ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার (১৭নভেম্বর) ভোররাতে এসব আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
বাড়বকুণ্ড মুছা কলোনীর পুরাতন বস্তা ব্যবসায়ী দিদারুল আলম জানায়, মুছাকলোনী নুরনবী বাড়ীর দু’টি ঘর ভাড়া নিয়ে বস্তা ব্যবসা করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত। পুরাতন,প্লাষ্টিক, চটের বস্তা বিভিন্ন পোল্টি কারখানা, দোকান থেকে সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্নস্হানে সরবরাহ করে আসছে। কারো সাথে কোনো ব্যবসায়ীর দ্বন্দ্বও নেই।

সোমবার শেষরাতে কে বা কারা আমার দুটি গুদামের মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেয়। গুদামে প্রায় ৫ লক্ষ্ টাকার মালামাল ছিল। সবই পুড়ে গেছে বা ক্ষতি হয়েছে। বাড়ীর মালিক ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। মালামালগুলো প্লাষ্টিক বিধায় ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই পুড়ে এবং আগুনে নষ্ট হয়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায়। গুদামে কোনো বিদ্যুৎ লাইন নেই, তিনি নিজে থেকেই পূর্বে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন আগুন লাগার ভয়ে।
বাড়ীর মালিকের ছেলে জামাল জানায়,একটি চক্র আমাদেরকে এখান থেকে উচ্ছেদ করতে চাইছে, রাতে কে বা কারা বাড়ীর ছাদে পাথর দিয়ে ডিল মারে,দড়জা লাথি মারে,ভাড়াটিয়াদের কে ভয়ভীতি দেখায় নানান ভাবে। সর্বশেষ আমাদের ভাড়াটিয়ার গুদাম ঘরে আগুণ লাগিয়ে ৫/৬ লাখ টাকার ক্ষতি করে।চক্রটি চায় আমাদের ভাড়াটিয়া কেউ না থাকুক। এতে চক্রটি দখলে নিতে সুবিধা পাবে।

গতদু’দিন আগে আমাদের বাড়ীর বিদ্যুৎ সার্ভিস লাইন দিনেদুপুরে কেটে নিয়ে যায়, রাতে বাড়িতে বাতি দিতে পারিনা ভেঙ্গে দেয়। আমার ধারণা একটি চক্র ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে এসব করাচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান।
সীতাকুণ্ড ফায়ার স্টেশন সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোর রাতে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বাড়বকুণ্ড মুছা কলোনীতে যাই ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি, প্লাস্টিকের বস্তার গুদামে বিদ্যুৎ লাইন ছিলনা,ধারণা করা হচ্ছে কেউ শত্রুতা বশতঃ আগুণ লাগিয়ে দিয়েছে।
অপরদিকে কুমিরা বাজারে নাজিম স্টোর নামে একটি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মালামাল ক্ষতি হয়েছে। কুমিরা ফায়ার ষ্টেশনের অফিসার আহসান আলী জানায়,কুমিরা বাজারে নাজিম স্টোরে রাত দেড়টায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্হলে পৌঁছে আগুন নিয়েন্ত্রণে আনে। বিদ্যুৎ এর শর্ট সার্কিট থেকে অগুণের সূত্রপাত বলে অনুমান করছেন। অগুণ নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি থেকে কুমিরা বাজার রক্ষা হলো।

