সোমবার, ৪ মে ২০২৬

[the_ad id='15178']

এ কে খান ফাউন্ডেশনের ম্যানেজিং ট্রাস্টি সালাউদ্দিন কাশেম খানের চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক

এ কে খান ফাউন্ডেশনের ম্যানেজিং ট্রাস্টি সালাউদ্দিন কাশেম খান আজ ( ৫ নভেম্বর)  চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ উপলক্ষে হাসপাতালের লেকচার গ্যালারিতে কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত দৈনিক আজাদী সম্পাদক জনাব এম এ মালেক। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মান্নান রানা, জেনারেল সেক্রেটারি ও মেডিকেল কলেজ গভর্নিংবডির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি মো. জাহিদুল হাসান, ট্রেজারার অধ্যক্ষ লায়ন ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল প্রফেসর অসীম কুমার বড়ুয়া, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. নূরুল হক, উপ-পরিচালক (প্রশাসন)  মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল স্মৃতি রানী ঘোষ, নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ঝিনু রানী দাশ প্রমুখ।

- Advertisement -

প্রধান অতিথি সালাউদ্দিন কাশেম খান বলেন, আমি দীর্ঘদিন পর এই হাসপাতালে এসে হাসপাতালের বিশাল কার্যক্রম দেখে অভিভূত হয়েছি। হাসপাতালের সার্বিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি। এটি যেকোনো হাসপাতালের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। তিনি তার মায়ের নামে পরিচালিত শামসুন নাহার খান নার্সিং কলেজে লেখাপড়ার মান, সুনাম ও পরীক্ষার রেজাল্ট এর কথা জেনে খুবই খুশি হন। উল্লেখ্য যে, শামসুন নাহার খান নার্সিং কলেজের পাশের হার শতভাগ এবং এটি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে ধারাবাহিকভাবে প্রথম স্থান অধিকার করে আসছে। তিনি তার মায়ের নামে এই নার্সিং কলেজ পরিচালনা করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনি আগামী ২ বছরের মধ্যে এ কে খান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নার্সিং কলেজের একাডেমিক ভবন করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া তিনি এ কে খান ফাউন্ডেশনের নামে ডায়ালাইসিস ইউনিটের কার্যক্রম দেখেও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ ইউনিটে এ কে খান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আরো কয়েকটি ডায়ালাইসিস মেশিন প্রদানের জন্য তিনি প্রতিশ্রুতি  প্রদান করেন। হাসপাতালের নবনির্মিত ক্যান্সার ইউনিট দেখে তিনি অত্যন্ত খুশি হন। তিনি বলেন, আমার মনে হয়েছে এটি দেশের বাইরের কোনো হাসপাতাল। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এখন দেশের অন্যতম বিশাল একটি বেসরকারি হাসপাতাল। স্বাস্থ্যসেবায় সেবায় এই প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।  তিনি হাসপাতালের নার্সদের দক্ষ নার্স হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তাদের যুগোপযুগি প্রশিক্ষণ প্রদানের আহবান জানান। বিশেষ করে তাদের ইংরেজি ভাষা ও জাপানি ভাষা শিক্ষা এবং কেয়ারগিভার ট্রেনিং প্রদানের আহবান জানান। এ ধরনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্সদের বিদেশে বিশেষ করে জাপানে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে জাইকার সাথে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কীভাবে যৌথভাবে কাজ করা যায় তার চেষ্টা করবেন মর্মে সভাকে অবহিত করেন। তিনি আরো বলেন, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী তরুন প্রজন্মের প্রতি আমরা খুবই আশাবাদী। তারা এই দেশকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি দৈনিক আজাদী সম্পাদক  এম এ মালেককে তার মায়ের নামে ক্যান্সার হাসপাতালে একটি ফ্লোর করে দেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

- Advertisement -shukee

বিশেষ অতিথি  এম এ মালেক বলেন, যেকোনো ভাল কাজের উদ্যোগ কাউকে না কাউকে নিতে হয়। আমরা এই হাসপাতালে চট্টগ্রামবাসীর জন্য ক্যান্সার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি। পরবর্তী প্রজন্ম এটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং এটি শেষ করবে। একদিন এই ক্যান্সার হাসপাতাল বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ হাসপাতালে রূপ লাভ করবে। তিনি নার্সদের আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করার জন্য দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আপনাদের চলতে হবে এবং সে অনুযায়ী নিজেদের তৈরি করতে হবে। তিনি রোগীদের সাথে নার্সদের মানবিক আচরণ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও