রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

[the_ad id='15178']

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচনে আমিরুল হক প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে পরিচালক পদের সবকটিতেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে প্রিমিয়ার সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হকের নেতৃত্বে ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’।

- Advertisement -

শনিবার (২৩ মে) নগরের আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনি ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম।

- Advertisement -shukee

দিনভর উৎসবমুখর এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চেম্বারের ১৮টি পরিচালক পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। টাউন ও ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন শ্রেণির ছয় জন পরিচালক আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় মোট ২৪টি পদই কার্যত ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের নিয়ন্ত্রণে যায়।

এই ২৪ পরিচালকের ভোটে সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি এবং সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন রবিবার (২৪মে)। এই কমিটি দুই বছরের জন্যে ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম চেম্বারকে নেতৃত্ব দেবেন।

ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের দলনেতা ও নবনির্বাচিত পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, ‘আমরা চেয়েছি ভোটের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করুক। ব্যবসায়ীরা তাদের নেতৃত্ব ঠিক করেছেন। ২৪ পরিচালক পদেই আমাদের প্যানেল পূর্ণ বিজয়ী হয়েছে। এটা ব্যবসায়ী সমাজেরই বিজয়।’

আমিরুল হক বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বর্তমান সভাপতি।

নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের হিসাবে নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬ হাজার ৭৮০ জন। যার মধ্যে ভোট পড়েছে ২ হাজার ৭২৫। ভোট গ্রহণের হার প্রায় ৪০ শতাংশ।

২০১৩ সালে চট্টগ্রাম চেম্বারে সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল। এরপর থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক এবং কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হচ্ছিল। একযুগ পর সরাসরি ভোট হলো শনিবার।

অর্ডিনারি গ্রুপ থেকে ১২ জন নির্বাচিত পরিচালক হলেন, রাজা করপোরেশনের কামাল মোস্তফা চৌধুরী, ফাল্গুনী ট্রেডার্স লিমিটেডের এ এস এম ইসমাইল খান, চুমকি অ্যাপারেলস লিমিটেডের আবু হায়দার চৌধুরী, রাইজিং কম্পিউটার্সের মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, ইস্টার্ন অ্যাপারেলস লিমিটেডের মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, টার্নিং পয়েন্টের আসাদ ইফতেখার, ফ্রেন্ডস সিন্ডিকেট লিমিটেডের আমান উল্লা আল ছগির, দি ফোর হুইলার্সের মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রান্তিক মেরিন সার্ভিসেস লিমিটেডের মো. গোলাম সরওয়ার, নিউ কর্ণফুলী ট্রেডিংয়ের মোহাম্মদ শফিউল আলম, জেএসএন এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, স্ট্যান্ডার্ড লজিস্টিক্সের শহীদুল আলম।

অ্যাসোসিয়েট গ্রুপ থেকে নির্বাচিত ৬ পরিচালক হলেন, জার ট্রেডের মো. জাহিদুল হাসান, স্বদেশ কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজের মো. নূরুল ইসলাম, জেকো এন্টারপ্রাইজের মো. সেলিম নূর, সাহির ট্রেডারের সরোয়ার আলম খান, মনোয়ারা ট্রেডিংয়ের মশিউল আলম স্বপন এবং মার্স মেরিটাইম সার্ভিসের মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ।

ট্রেড গ্রুপ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত তিন পরিচালক হলেন, রোকনুর করপোরেশনের আমিরুল হক, পিএইচপি মোটরস লিমিটেডের মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, চট্টগ্রাম ট্রেড এজেন্সির এস এম সাইফুল আলম।

টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত তিন পরিচালক হলেন, পাবলিক ইলেকট্রিকের আফসার হাসান চৌধুরী, এম এন্টারপ্রাইজের মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, অরকিড ট্রেডিংয়ের মোহাম্মদ সাজ্জাদ উন নেওয়াজ।

এফবিসিসিআই আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালসহ উচ্চআদালতে একের পর এক রিট মামলার কারণে এক বছর ধরেই চেম্বার নির্বাচন ঝুলেছিল। শঙ্কা শেষে উচ্চআদালত সব মামলা খারিজ করে দিলে ২৩ মে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়। ২২ মে সংক্ষুদ্ধ হয়ে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ায় এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন পুরো প্যানেল।

একটি পক্ষ নির্বাচন বর্জন করার পরও চট্টগ্রাম চেম্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ইউইনাটেড বিজনেস ফোরামের বিপুলসংখ্যক প্রার্থী ছিল।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও