গতকাল ১৪ এপ্রিল নগরীর ন্যাশনাল মেরিটাইমস ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণ চট্টগ্রাম রোটারি রিপসা টিমের উদ্যোগে দিনব্যাপী রোটারি বাংলা বর্ষবরণ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বর্ষবরণ উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান রোটারিয়ান পিপি মিনহাজ উদ্দিন নাহিয়ান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রিপসা কোঅর্ডিনেটর রোটারিয়ান পিপি আজিজুল হক, রোটারিয়ান পিপি মনিরুজ্জামান, রোটারিয়ান সিপি আবু তৈয়ব, রোটারিয়ান পিপি এমদাদুল আজিজ, ডিপুটি কোর্ডিনেটর ও নববর্ষ উদযাপন কমিটির কোর্ডিনেটর রোটারিয়ান সিপি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নান্টু, ডিপুটি কো- অডিনেটর রিপসা রোটারিয়ান সিপি ইব্রাহিম হাসান,মেম্বার সেক্রেটারি রোটারিয়ান পিপি ক্যাপ্টেন আতাউর রহমান।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিপুটি কোর্ডিনেটর সিপি মো. আরশাদ চৌধুরী, রোটারিয়ান পিপি অ্যাডভোকেট সওকত আউয়াল চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্ডিনেটর পিপি এস এম জমির উদ্দিন, পিপি উত্তম কুমার ব্যানার্জি, রোটারিয়ান এডভোকেট সাহাদাত হোসেন, রোটারিয়ান সিপি মো. নাঈম উদ্দিন,রেজিস্ট্রেশন চেয়ার রোটারিয়ান কাজী হাসানুজ্জামান সান্টু, রেজিস্ট্রেশন কো-চেয়ার রোটারিয়ান আসরাফু আলম।
প্রেসিডেন্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান সৈয়দা কামরুন নাহার, রোটারিয়ান তাহিয়া কবির, রোটারিয়ান আফিয়া খাতুন মীরা, রোটারিয়ান রোকসানা ফারুক, রোটারিয়ান সাবিনা কাইয়ুম, রোটারিয়ান রওশন আক্তার, রোটারিয়ান কাজী হাসানুজ্জামান সান্টু, রোটারিয়ান মোহাম্মদ নুরুদ্দিন, রোটা: আনারুল কবির চৌধুরী, রোটারিয়ান আনিসুর রহমান, রোটারিয়ান খন্দকার মো. এমদাদুর রহমান, রোটারিয়ান এম এ মতিন, রোটা: শহিদুল ইসলাম, রোটারিয়ান আবু বকর সিদ্দিক, রোটারিয়ান আশরাফুল আলম রোটারিয়ান আব্দুল্লাহ মিলন, রোটারিয়ান শ্যামল কান্তি মজুমদার, রোটারিয়ান মো. আলী মিয়া।
অনুষ্ঠানে ২৯ টি রোটারি ক্লাবের সিনিয়র রোটারিয়ান, প্রেসিডেন্ট বৃন্দ এবং পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে চট্টলাকুড়ি শিল্পীদের পরিবেশনায় উদ্বোধনী নৃত্যের পর আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনায় নাচ,গান, আবৃত্তি, বাঙালি ফ্যাশন-শো, রোটারি পরিবারের শিল্পীদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সকল রোটারিয়ান ও পরিবারের সকল ছেলেমেয়েদের জন্য গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলার আয়োজন করা হয়।

উপভোগ্য অনুষ্ঠানে সকালে নাস্তা পাটিসাপটা পিঠা, সিংগারা, তরমুজ,ফুট, তেঁতুলের চা কফি,বাঙালিয়ানায় পান্থা- ইলিশ নান রকম ভর্তায় সবাই মধ্যাহ্য ভোজ ও বিকালে জিলাপি, চটপটি,চা কফি আয়োজনে প্রানবত উপভোগ্য। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ গ্রহণ কারিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন পহেলা বৈশাখ বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল, সর্বজনীন এবং প্রাণের উৎসব এটি কেবল একটি নতুন বছরের সূচনা নয়, বরং এটি বাঙালির আত্মপরিচয়, হাজার বছরের সংস্কৃতি এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক হওয়ার এক অনন্য মহামিলন মেলা। তবে সময়ের বিবর্তনে এবং আধুনিক জীবনের বাস্তবতায় উৎসবের ধরনে এখন এক চমৎকার পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। বিশাল জনসমাবেশ বা অতি-আড়ম্বরের চাকচিক্য ছাপিয়ে এখনকার সময়ে মানুষ অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে উৎসবের গুণগত মান, গভীরতা এবং আত্মিক সংযো সংযোগের ওপর। আড়ম্বর কমিয়ে এই যে ছোট পরিসরে কিন্তু অর্থবহ ও গভীর এই ও গভীর ব্যঞ্জনায় উৎসব পালন, এটিই মূলত রোটারি পরিবারের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

