রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

হেলদি সিটি হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়তে বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামকে একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য “হেলদি সিটি” হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

- Advertisement -

শনিবার ( ৪এপ্রিল)  চট্টগ্রামে এসপেরিয়া হেলথ কেয়ার লিমিটেড আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে এসপেরিয়া হেলথ কেয়ার লিমিটেডে কর্মরত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, কর্পোরেট প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক মানের রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।

- Advertisement -shukee

মেয়র বলেন, “একটি আধুনিক ও মানবিক নগর গড়তে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন যথেষ্ট নয়, নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানের ডায়াগনস্টিক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে অসংক্রামক রোগ যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ ও ক্যান্সারের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

মেয়র উল্লেখ করেন, “চট্টগ্রামকে হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আমাদের প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসপেরিয়ার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিয়ে এই উদ্যোগকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।”

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নগরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, মশক নিধন কার্যক্রম শক্তিশালী করা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর সেবা সম্প্রসারণ এবং নগরজুড়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা। এছাড়া স্কুলভিত্তিক স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মেয়র বলেন, “আমরা একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যবান নগর গড়ে তুলতে কাজ করছি, যেখানে নাগরিকরা সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে, পরিবেশ হবে পরিচ্ছন্ন এবং জীবনযাত্রা হবে স্বাস্থ্যসম্মত। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, চিকিৎসক সমাজ এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।”

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও