সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে ২দিনব্যাপি গ্রাম আদালত-বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ।
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোহছেনা মিনা’র পরিচালনায় শনিবার (৮ নভেম্বর ) প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফখরুল ইসলাম এবং কর্মশালার সমাপনী বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।

কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে প্রথম দিন শেসন নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফখরুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মেহের আফরোজ, সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. ইউনুছ এবং গ্রাম আদালত প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার সাজেদুল আনোয়ার ভূঁইয়া।
দ্বিতীয় দিন শেসনে ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. তাজাম্মল হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লুৎফুন নেছা বেগম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)। কর্মশালা অবজার্ভ করেন এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এভিসিবি-৩ প্রকল্পের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর (১৫ জেলা) ফারহানা ইদ্রিস।
২ দিনব্যাপি কর্মশালায় গ্রাম আদালত আইন এবং ধারাবিষয়ক ছোট ছোট ভিডিও প্রদর্শনী ও পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে হাতে কলমে শিখন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচীতে সীতকুণ্ডের ৯ টি ইউনিয়নের মোট ২৪ জন ইউপি সদস্য সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং শেষের দিন ৩ জন পুরস্কার জিতে নেন। বিজয়ীরা হলেন কুমিরা ইউপি সদস্য শাবনুর আক্তার, মুরাদপুর ইউপি সদস্য এজহারুল ইসলাম এবং কুমিরা ইউপি সদস্য ফাতেমা বেগম।
প্রশিক্ষণে গ্রাম আদালত, আদালতের এখতিয়ার, ক্ষমতা ও গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলা, গ্রাম আদালত গঠনের আবেদন, সমন জারী, দাবি বা বিবাদ স্বীকার, গ্রাম আদালত গঠন, শুনানী ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ, গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্ত কার্যকরণ, ক্ষতিপূরণ ও জরিমানা আদায়, পদ্ধতি, কতিপয় মামলা স্থানান্তর ও অন্যান্য, অন্তর্ভূক্তিমূলক গ্রাম আদালত, একটি ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলার ওপর ভূমিকা অভিনয় বা মক ট্রায়াল, গ্রাম আদালত কার্যক্রমে ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর ও গ্রাম পুলিশের দায়-দায়িত ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিশদভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।


