বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কিছু রোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। যা সবার ক্ষেত্রেই ঘটে। এ কারণে মানুষ যতটা সম্ভব সুস্থ থাকার চেষ্টা করেন। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর খাবার রাখাসহ পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে বিভিন্ন ধরনের অতিরিক্ত খাদ্য ও উপাদানও গ্রহণ করেন। এরপরও কিছু ঝুঁকি তো থেকেই যায়।
বয়স সম্পর্কিত রোগের ঝুঁকি কমাতে ও সামগ্রিক অর্থে সুস্থতা বাড়াতে দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসও অনুসরণের প্রয়োজন। এ সবের মধ্যে নিয়মিত হাঁটাচলা করা, যা রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং আপনাকে সক্রিয় থাকতে সহায়তা করে। আবার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বাড়ায়। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, স্নায়ুবিজ্ঞানে ৩৩ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বেঙ্গালুরু নিউরোসার্জন ডা. প্রশান্ত কাটাকোল এ ব্যাপারে কথা বলেছেন। এবার তার পরামর্শ জেনে নেয়া যাক-

দৈনিক ২০ মিনিট হাঁটা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নত করে:
ডা. প্রশান্ত কিছু সহজ অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন, যা ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করলে বার্ধক্য কমিয়ে আনা সম্ভব। সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ৫০ বছর বয়সে একজন নিউরোসার্জন হিসেবে ৩০ এবং ৪০ বছর বয়সে আমি যা করতাম, তা এখানে দেয়া হলো- মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের লক্ষণগুলো আপনাকে অনেক ক্লান্ত করে তোলে। এ জন্য প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট হাঁটুন। যা আপনার ভবিষ্য উন্নত করবে।
এ চিকিৎসক তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব হলো-
১. রক্ত সঞ্চালন ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন ২০ মিনিট হাঁটা।
২. ৭-৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম
৩. স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য বাসা-বাড়িতে রান্না করা খাবার।
নিজেকে রক্ষায় এই ৩ কাজ:
ডা. প্রশান্ত এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা করে বলেছেন, আমার এই বয়সে একজন নিউরোসার্জন হিসেবে এখানে এমন কিছু বলছি, যা ৩০-৪০-এ জেনেছি। স্নায়ুতন্ত্র হচ্ছে বার্ধক্যের ভিত্তি। মানসিক চাপ, কম ঘুম ও অস্বাস্থ্যকর খাবার শরীরকে নষ্ট করে দেয়। নিজেকে রক্ষার জন্য প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট হাঁটুন। যা আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়াবে এবং মস্তিস্কের স্বাস্থ্য উন্নত করবে। ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা টানা ঘুমানো, এতে সামগ্রিক ক্লান্তি দূর হবে ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে। আর বাসা-বাড়িতে রান্না করা খাবার খেতে হবে। যা স্বাস্থ্য ঠিক রাখবে।

