বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

[the_ad id='15178']

অবৈধ চেয়ারম্যানদেরকে গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি

সীতাকুণ্ডে চেয়ারম্যান – মেম্বাররা দায়িত্বে পালন না করায় জনগণ চরম  ভোগান্তিতে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্হার দাবিতে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,একটি পৌরসভার মেয়র ৫ আগস্টের পর থেকে পালিয়ে থাকা এবং পরিষদে না আসায় নাগরিক ও ওয়ারিশ সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো না পাওয়ায়  জনগণ সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদগুলো সম্পুর্ন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। জনগণকে সেবা থেকে বঞ্চিত করে চরম ভোগান্তিতে ফেলার প্রতিবাদে এবং সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে জনগণের সেবা নিশ্চিত এবং এ অবৈধ চেয়ারম্যানদেরকে গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে সীতাকুণ্ড উপজেলার ৯ ইউনিয়ন ও পৌর বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের  নেতৃবৃন্দ ।

- Advertisement -

শনিবার (১২জুলাই) বিকাল ৪টায়  সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

- Advertisement -shukee

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী মো. সালাউদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ আগস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর অবৈধ চেয়ারম্যানগণ নিজেদের অপকর্মের ভয়ে পালিয়ে গিয়ে জনগণকে সেবা থেকে বঞ্চিত করছে। জনগণ কোনো সেবা পাচ্ছে না- জন্ম-মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, প্রত্যয়নপত্র, সরকারি ভাতার যাচাই-বাছাই বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প, রাস্তাঘাট মেরামত, ত্রাণ বিতরণ, ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড বিতরণ সব অচল হয়ে পড়েছে। গরীব মানুষ, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা প্রার্থী- সবার ন্যায্য অধিকার থমকে গেছে। ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে জনগণ তালা ঝুলতে দেখে ফিরে আসছে। একটি নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থার প্রধান শর্ত হলো জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতা। কিন্তু যাদের জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেনি কিন্তু ফ্যাসিবাদী আওয়ামী দুঃশাসন শাসনের আমলে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান পদ দখল করার কারণে তারা নিজেরাই জনগণকে ফেলে পালিয়েছে।

বিএনপি নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কিছুদিন আগে পরিষদে আসার জন্য সীতাকুণ্ডে ৭ চেয়ারম্যান  আদালতে রিট করেন দায়িত্ব পেতে। আদালত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ রিটকারী চেয়ারম্যানদের পরিষদের আসার নির্দেশ দেয়ার পরও কোনো চেয়ারম্যান অফিসে এসে দায়িত্ব পালন করেননি। অথচ তাদের করা রিটের কারণে প্রশাসনিক বিকল্প ব্যবস্থাও আদালতের নির্দেশে এখন বন্ধ। ফলে জনগণ সব ধরনের সেবা থাকে বঞ্চিত। যেসব চেয়ারম্যান পলাতক বা জেলহাজতে তাদের স্থলে অস্থায়ী প্রশাসক প্রতিনিধি নিয়োগ করে ইউনিয়নের কাজ চালু করার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান জনসাধারণ। অভিলম্বে জনগণের সেবাদানে প্রশাসনিক ব্যবস্হা পুনরায় চালু করার জোর দাবী জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন,সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমল কদর,সদস্য সচিব কাজী মো. মহিউদ্দিন, পৌর বিএনপির আহবায়ক জাগির হোসেন,সদস্য সচিব সালেহ আহমদ সলু,জেলা বিএনপির সদস্য ইউছুফ নিজামী,সামছুল আলম আজাদ,সাবেক উপজেলা বিএনপির  সেক্রেটারী জয়নাল আবেদিন দুলাল,নুরউদ্দীন জাহাঙ্গীর চৌধুরী, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মো. মুরসালিন,জেলা মহিলা দলের নেত্রী  মেহেরুন নেছা নার্গিস,এ্যাডভোকেট সরওয়ার আলম লাভলু, সৈয়দপুর,বারৈয়াঢালা,মুরাদপুর,বাড়বকুণ্ড,বাশঁবাড়িয়া, কুমিরা, সোনাইছড়ি, ভাটিয়ারী,ও সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক সহ অঙ্গসংগঠনের সভাপতি সম্পাদক, সচেতন নাগরিক সহ প্রায় দুই শতাধিক লোক তাদের নাগরিক অধিকার আদায়ে কথা বলতে  প্রেসক্লাবে উপস্হিত হন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী মো. সালাউদ্দিন।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও