বুধবার, ৬ মে ২০২৬

[the_ad id='15178']

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাঃ তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণে এ মামলা অবৈধ ছিল।

- Advertisement -

রবিবার (১ ডিসেম্বর) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণার করেন।

- Advertisement -shukee

গত ২১ নভেম্বর এ মামলায় খালাস চেয়ে করা আসামির আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষ হয়। রবিবার বেলা ১১টার কিছু আগে শুরু হয় রায় পড়া। এরপর পৌনে ১২টার দিকে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। খালাস দেয়া হয় সব আসামিকে। সেইসঙ্গে এই মামলাটি অবৈধ ছিল বলেও জানান আদালত।

এর আগে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর এ মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে।

প্রসঙ্গত, ২১ আগস্ট ২০০৪সাল।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এদিন সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশ করে আওয়ামী লীগ। যে ট্রাকটিকে (ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৩০৯৮) উন্মুক্ত মঞ্চ করা হয়েছিল, সেটিকে ঘিরে শনিবার বিকেল ৪টা থেকেই দলীয় ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভিড় করছিলেন। পুরো এলাকা জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে মুখরিত ছিল। বিকেল ৫টায় সমাবেশ স্থলে আসেন শেখ হাসিনা। বিকেল ৫টা ২ মিনিটে মঞ্চে উঠে বক্তব্য শুরু করেন। টানা ২০ মিনিট বক্তব্য দিলেন। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে নিজেই জয় বাংলা..জয় বঙ্গবন্ধু  স্লোগান দিয়ে হাতে থাকা একটি কাগজ ভাঁজ করতে করতে মাইক নামাচ্ছিলেন। ঠিক তখনই শুরু জঘন্যতম সময়ের মুহূর্ত।

মঞ্চের দক্ষিণ পাশ থেকে ছোড়া একটি গ্রেনেড একেবারে কাছে এসে পড়ে। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় গ্রেনেডটি। মঞ্চ টার্গেট করে দক্ষিণ পাশ থেকে একে পর এক গ্রেনেড হামলা হতে থাকে। মাত্র দেড় মিনিটে ব্যবধানে ১৩টি গ্রেনেডের বিস্ফোরণ হয় সমাবেশ স্থলে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু কন্যাকে রক্ষায় তৈরি করে ফেলেন মানব দেয়াল। মঞ্চে এ অবস্থায় থাকেন কিছুক্ষণ। পরিস্থিতি বুঝে বঙ্গমাতার মেয়েকে ট্রাক থেকে নামিয়ে তার বুলেটপ্রুফ মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়। ওই গাড়ি লক্ষ্য করেও গুলি ছোঁড়ে হামলাকারীরা।

২১ আগস্টের ওই ঘটনায় নিজ নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাস্তায় বসেছিলেন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নারী নেত্রী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমান। গ্রেনেডে আঘাতে তাৎক্ষণিক গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত্যু হয় তার। তিনিসহ মোট ২৪ জন হামলার ঘটনায় নিহত হন। আহত হন দল ও সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মী-সমর্থক।

ওই কালোদিনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মৃত্যুপুরীতে। রাস্তায় পড়ে ছিল অগণিত রক্তসহ জুতা, স্যান্ডেল। অবিস্ফোরিত

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও