সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম থেকে নারী আসনে বিএনপির মনোনায়ন পেলেন শাকিলা ফারজানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীতদের নামের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষিত ৩৬ জনের এই তালিকায় আছেন বিএনপির আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা।

- Advertisement -

চট্টগ্রাম-৫ সংসদীয় আসনের সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক হুইপ মরহুম সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের জ্যেষ্ঠ কন্যা হলেন শাকিলা ফারজানা। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি চট্টগ্রামের রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয়। বিগত সরকারের আমলে তিনি চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হন। ২০১৫ সালে জঙ্গি সংগঠন ‘হামজা ব্রিগেড’কে অর্থায়নের মিথ্যা অভিযোগে র‌্যাবের দায়ের করা মামলায় তিনি দীর্ঘ ১০ মাস ৮ দিন কারাবরণ করেন। তবে বিএনপি শুরু থেকেই একে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দাবি করে আসছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১০ মার্চ আদালত তাকে এবং অন্য আসামিদের নির্দোষ ঘোষণা করে এই মামলা থেকে খালাস দেন।

- Advertisement -shukee

পেশাগত জীবনে একজন সফল আইনজীবী শাকিলা ফারজানা ২০০৯ সাল থেকে তিনি পুরোপুরি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তখন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের মানবাধিকার সম্পাদক এরপর আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং বর্তমানে যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হন। এরপর ২০২৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সদস্য হিসেবে আছেন।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি রাজপথে এবং আইনি অঙ্গনে বিএনপির নীতি-আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় দলের আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে তাকে মামলার শিকার হয়ে বিশেষ করে দলীয় নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা প্রদান ও মানবাধিকার রক্ষায় তার ভূমিকা দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা জানান, দলের জন্য কাজ করেছি। দলের আন্দোলন-সংগ্রামে এবং জিয়া পরিবারের দুঃসময়ে পাশে থেকেছি। দলের নেতৃত্বের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার লক্ষ্য জনসেবা এবং দলের সঙ্গে থেকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাওয়া। দলের প্রতি আমার আনুগত্য ও ত্যাগ বিবেচনা করে হাইকমান্ড আমার কাজের মূল্যায়ন করেছেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও