ট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আগামী ৩১ মার্চ থেকে নগরীর জিমনেসিয়াম মাঠে শুরু হচ্ছে স্বাধীনতা বইমেলা। মেলা চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।
সোমবার ( ৯মার্চ) টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে স্বাধীনতা বইমেলা ও মহান স্বাধীনতা দিবস–২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মেয়র বলেন, প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে একুশে বইমেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে এ বছর জাতীয় নির্বাচনসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে প্রকাশক ও সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে সেই আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ হওয়ায় এখন সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শক্রমে স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রাখতে স্বাধীনতা বইমেলার আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ৩১ মার্চ বইমেলার উদ্বোধনী দিনে জাতির কৃতি সন্তানদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। প্রাথমিকভাবে নগরীর জিমনেসিয়াম মাঠকে মেলার ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেয়র আরও বলেন, বইমেলা শুধু বই বিক্রির আয়োজন নয়; এটি একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন। নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার চেতনা এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, বইমেলার আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত একাডেমিশিয়ান, লেখক, গবেষক এবং বিভিন্ন পেশার স্বনামধন্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা হবে। পাশাপাশি প্রকাশক ও পাঠকদের অংশগ্রহণে মেলাকে প্রাণবন্ত করে তুলতে বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ, চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা। এ সময় প্রকাশক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ফটো ক্যাপশন:
স্বাধীনতা বইমেলা ও মহান স্বাধীনতা দিবস–২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
