সীতাকুণ্ডে গত একমাসে তিনটি ডাকাতির ঘটনায় ৪৭ টি গরু লুট হয়েছে। জনতা ২৮ টি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাছাড়া গ্রামে বিচ্ছিন্নভাবে চুরি হওয়া গরুর কোনো তালিকা নেই থানায়।
সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি বকুলা বাজার এলাকা থেকে ২৮ টি গরুবোঝাই ট্রাক ছিনতাই করে ডাকাত দল। গরুগুলো নিয়ে বাড়বকুণ্ড চৌধুরীপাড়া এলাকায় নামানোর সময় ভোরে এক মহিলা অযু করতে বের হলে দেখে চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসী এসে ১৬ টি গরু উদ্ধার করে, পরে পুলিশসহ এসে বিভিন্ন বাড়ী থেকে ১২টি গরু উদ্ধার করে ।

এর এক সপ্তাহ পর বাঁশবাড়িয়া এলাকায় একটি ফার্মের ১২ টি গরু লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল । এসময় তারা ভারী অস্ত্র প্রদর্শন করে ফার্মে থাকা মালিককে জিম্মি করে এসব গরু লুট করে নিয়ে যায় । পুলিশ একটি গরুও উদ্ধার করতে পারেনি এখনো।
এর রেশ কাটতে না কাটতেই গেলরাত মঙ্গলবার ভোর রাতে সলিমপুর সিডিএ এলাকায় ব্রাদার্স এগ্রো ফার্ম থেকে অস্ত্র ধরে ৭ টি গরু লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল।
চারিদিকে গরু ডাকাতি সশস্ত্র ডাকাতদলের আক্রমণে আতংকিত হয়ে পড়েছেন গরুরফার্ম মালিকরা । আগামী কোরবানীর হাটে গরু তোলবেন বলে ছোটখাট শতাধিক গরুর ফার্ম গড়ে ওঠেছে সীতাকুণ্ডে। তারা এখন গ্রুপ করে গরু পাহারা দিতে হচ্ছে।
বিভিন্ন জনের অভিযোগ, গ্রামে পুলিশের টহল নেই বললেই চলে । পুলিশের তৎপরতা কমে যাওয়ায় ডাকাতরা ডাকাতি করতে সুবিধা পাচ্ছে। ডাকাতপ্রতিরোধে পুলিশের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে এলাকায় গরু চুরি- ডাকাতি কোনো অবস্থায় সম্ভব হতো না বলে ভুক্তভোগিতা মনে করছেন।

