সোমবার, ৪ মে ২০২৬

[the_ad id='15178']

গণ অধিকার চর্চা কেন্দ্রের সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে ব্যক্তি – ক্ষমতার বিলোপ করে জনগণের ক্ষমতা চাই, জাতীয় সংসদসহ রাষ্ট্রের সর্বস্তরে কৃষি – শ্রম- কর্ম ও পেশার প্রতিনিধিত্ব চাই- এ দুটি স্লোগানকে সামনে রেখে গতকাল (২৪ ডিসেবর) বিকেলে চকবাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে গণঅধিকার চর্চা কেন্দ্রের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

- Advertisement -

নূরুল হুদা মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূখ্য আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান।

- Advertisement -shukee

বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া,আজম সাদেক,সরোয়ার হোসেন, রেজাউল করিম কুসুম,নুরুল হাদী চৌধুরী, সুজাউদ্দৌলা বাবুল, জমিউদ্দিন মোবারক, মশিউর রহমান খান, অধ্যাপক মনোজিত ধর, আবু জাফর মাহমুদ চেয়ারম্যান।

সভায় বক্তারা বলেন, যুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণায়, ৭২ সংবিধান এবং বর্তমান সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধের যে সব লক্ষ্য নির্ধারণ করা আছে তা হলো- একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠন। কিন্তু বিদ্যমান সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ যেমন- ৪৮/১, ৪৮/৩, ৫৫,৫৬,৫৮, ৭০, ১৩৪ অনুচ্ছেদ দেশের প্রতিটি নির্বাচিত সরকারকে স্বৈরাচারি হতে বাধ্য করছে। তাই, এসব অনুচ্ছেদের সংশোধন করে দেশকে আগামী সংসদ স্থায়ীভাবে গণতান্ত্রিক পথে আনবে বলে বক্তারা আশা পোষণ করেন। একই সাথে জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদ এবং ৭৮ সালে যুক্ত ৯ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে কৃষি, শ্রম, কর্ম, পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে স্বশাসিত স্থানীয় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ণ করে আগামী সংসদ ১৯৭১ সালের  এবং ২০২৪ সালের শহিদসহ বিভিন্ন আন্দোলনে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বক্তরা আগামী নির্বাচিত সংসদের প্রতি অগ্রিম আহ্বান জানান এবং একই সাথে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কামনা করেন। বক্তারা আরও বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ প্রয়োজন দেশের খেটে খাওয়া জনগণের স্বার্থে। তাই এই খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষকে আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্রের প্রশাসনে যথাযথ অংশীদারিত্ব দিতে হবে এবং এই লক্ষ্যে কৃষি, শ্রম, কর্ম ও পেশার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে উচ্চ কক্ষ গঠন ও প্রশাসনের সর্বস্তরে তাদের প্রতিনিধিত্ব দানের বিষয়টি আগামী সংসদকে নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও