প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষক সংকটসহ শিক্ষাখাতের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার নীতিমালাগত পরিবর্তন আনছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের চাহিদা পূরণে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
শনিবার সকালে কক্সবাজারের সাহিত্যিকা মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে কক্সবাজার লিডারশীপ ট্রেনিং সেন্টারে আয়োজিত প্রি-প্রাইমারি ও প্রাইমারি স্কুল ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় স্কুল ফিডিং ও প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়ন বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী।
কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল চালুর পাশাপাশি শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি ও প্রয়োজন পূরণেও সরকার কাজ করছে। বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাখাতের সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা সমস্যাও অনেকাংশে কমে আসবে। বিশেষ করে “মব কালচার” প্রতিরোধে শিক্ষিত সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, পরিচালক এনডিসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের আওতাভুক্ত বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন জানান, কক্সবাজার ও বান্দরবানে মোট ১ হাজার ৯৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় ইউনিসেফ উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে প্রায় ৪ হাজার ৪০০টি এবং ভাসানচরে ২০টি স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

