চট্টগ্রাম নগরীর সিলভার প্যালেস কমিউনিটি সেন্টারে ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের উদ্যোগে এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এক বর্ণাঢ্য স্পন্সরশীপ গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্পন্সরশীপ প্রোগ্রাম থেকে উত্তীর্ণ শিশু ও তরুণদের সাফল্য উদযাপন এবং ভবিষ্যৎ পথচলায় সহায়তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের প্রধান নির্বাহী উৎপল বড়ুয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসাইন বলেন, “শিশুদের শিক্ষা, দক্ষতা ও নেতৃত্বে বিনিয়োগই একটি টেকসই ও মানবিক নগর গড়ার মূল চাবিকাঠি। স্পন্সরশীপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে যে আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে, তা আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
সভাপতির বক্তব্যে ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের প্রধান নির্বাহী উৎপল বড়ুয়া বলেন, “এই গ্র্যাজুয়েশন শুধু একটি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি নয়, বরং শিশুদের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আমরা বিশ্বাস করি—সমর্থন ও সুযোগ পেলে প্রতিটি শিশুই সমাজ পরিবর্তনের শক্তিতে পরিণত হতে পারে।”
বিশেষ অতিথি ও প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক জনাব আবুল বাশার, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জনাব মোসলেহ উদ্দিন, একশনইড বাংলাদেশ এর স্পন্সরশীপ ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র অফিসার মো. হানিফ, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের ডিরেক্টর নাসরিন সুলতানা খানম, লোকাল রাইটস প্রোগামের ম্যানেজার রিদুয়ানুল হাকীম রিয়াদ, ১৯ ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের সচিববৃন্দ, সিএসও হাবের সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ আজগরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
প্যানেল আলোচনায় জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোসলেহ উদ্দিন বলেন, “শিশু সুরক্ষা ও উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের প্রোগ্রাম শিশুদের অধিকার বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে স্পন্সর শিশু ও তরুণরা তাদের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্ন তুলে ধরেন। বক্তারা জানান, অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।

