সোমবার, ৪ মে ২০২৬

[the_ad id='15178']

দুর্যোগ সহনশীল ও প্রযুক্তি-নির্ভর নগর গড়ে তোলার প্রত্যয়ে “বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস” উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

“বিশ্বব্যাপী নগরায়ণ দ্রুত বাড়লেও সুপরিকল্পিত নগর- ব্যবস্থাপনা থাকলে যেকোনো চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করা সম্ভব। পরিকল্পনার মাধ্যমে নগর উন্নয়নকে আরও সুন্দর, নিরাপদ ও টেকসই করা যায়।” টেকসই নগর গঠনে পরিবেশবান্ধব নকশা, স্মার্ট নগর পরিকল্পনা, ঝুঁকি-হ্রাস-ব্যবস্থাপনা, নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী, সবুজায়ন এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষ, যানবাহন ও ইকো-সিস্টেমের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করাও সময়ের দাবি।

- Advertisement -

২০ নভেম্বর (২১নভেম্বর) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট এর নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ (ইউআরপি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত  ‘বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস–২০২৫’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট)  ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মনির চৌধুরী এমন মত ব্যক্ত করেন।

- Advertisement -shukee

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েট অঞ্চল ও নগর পরিকল্পনা বিভাগের ডীন অধ্যাপক ড. রাশিদুল হাসান,  বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ প্ল্যানার্স ‘র সাবেক সভাপতি স্থপতি আকতার মাহমুদ, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল  পোর্টফোলিও ম্যানেজার আনিকা লৌফ, সেভ দ্য চিলড্রেন পরিচালক ( হিউম্যানিটোরিয়ান) মোস্তাক হোসেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( চউক) মাস্টারপ্ল্যান প্রজেক্ট ডিরেক্টর স্থপতি আবু ঈশা আনসারী, ইপসার পরিচালক ( সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট)  নাছিম বানু, এছাড়াও উপস্থিত ইপসার উপপরিচালক ( অর্থ) রোকসানা আক্তার, সেভ দ্য চিলড্রেন ম্যানেজার ( এ্যান্টিসিপেটরি এ্যাকশন)  জাবেদ মিয়াঁদাদ, ইপসার প্রজেক্ট ম্যানেজার ( এ্যান্টিসিপেটরি এ্যাকশন)  সানজিদা আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়েট অঞ্চল ও নগর পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ফৌজিয়া গুলশানা রশীদ লোপা। অনুষ্ঠানের শুরুতে চুয়েট অঞ্চল ও নগর পরিকল্পনা  বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ইপসা ‘র স্বেচ্ছাসেবক সহ অতিথিদের  অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র‍্যালি চুয়েট এর মূল ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

পরে চুয়েট এর কেন্দ্রীয় সেমিনার কক্ষে বিশ্ব নগর দিবসের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠানটি  আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো নগর পরিকল্পনাবিদ, গবেষক,  শিক্ষক, শিক্ষার্থী,  স্বেচ্ছাসেবক সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায়

দুর্যোগ সহনশীল, আধুনিক ও টেকসই নগর উন্নয়ন মানে এমন এক শহর গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ নিরাপদে, স্বাচ্ছন্দ্যে এবং ভবিষ্যৎ নিশ্চিন্ত রেখে বসবাস করতে পারে। এ ধরনের নগরায়ণের মূল লক্ষ্য হলো বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নাগরিকবান্ধব সেবার সমন্বয়।

সর্বোপরি সকল বক্তাদের মাধ্যমে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়- পরিকল্পিত, পরিবেশসম্মত এবং প্রযুক্তি-নির্ভর নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি  আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, সমৃদ্ধ এবং বসবাসযোগ্য একটি ভবিষ্যৎ। সন্ধ্যার পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ডিনার সম্পন্ন করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য অনুষ্ঠানটিতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্স ( বিআইপি) ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন -ইপসা, সেভ দ্য চিলড্রেন, জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিস ( জিএফএফও),  রয়েল সিমেন্ট,  মিডিয়া পার্টনার এর দায়িত্ব পালন করেন চ্যানেল ২৪, দৈনিক কালের কন্ঠ ও  চুয়েট নিউজ ২৪।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও