Thursday, 24 September 2026

[the_ad id='15178']

জামায়াতকে ‘অকৃতজ্ঞ’ বললেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার পতনের হুমকি দিয়ে আন্দোলনের সমালোচনা; স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী সমর্থন ও বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

- Advertisement -

জামায়াতকে ‘অকৃতজ্ঞ’ দল হিসেবে আখ্যা দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০১ সালে জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়েছিলেন, যাতে তাদের ‘রাজাকার’ তকমা দূর করার সুযোগ তৈরি হয়।

- Advertisement -shukee

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, ‘জামায়াত এখন সব ভুলে গেছে।’ ছয় মাস না যেতেই তারা সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বর্তমান সরকারকে জনগণের সরকার দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সরকার দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত। সরকারকে হুমকি দিয়ে আন্দোলন করে পতন ঘটানোর চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপি ও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের প্রসঙ্গও তোলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাদের মধ্যে পুরোনো যোগাযোগ রয়েছে এবং পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। পুরোনো সেই সম্পর্ক আবারও জোড়া লাগতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১১ দলীয় জোটের নেতাদের সমালোচনা করে মীর শাহে আলম বলেন, তারা সংসদের ভেতরে এক ধরনের কথা বলছেন, আবার বাইরে ভিন্ন কথা বলছেন। এনসিপির নেতাদের বয়স কম হলেও তারা রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে কথা বলছেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি কোনো হুমকিকে পরোয়া করে না দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত নির্বাচনে যারা বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করেছেন, দলে তাদের আর জায়গা হবে না। তবে দুঃসময়ে দলের জন্য যারা কাজ করেছেন, তারা ঠিকাদারিসহ বৈধ সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে জানিয়ে দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থী সমর্থন দেবে। এর বাইরে কেউ বিরোধিতা বা বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দলের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বাঁশখালীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারের মধ্যে ঘর নির্মাণ ও পুনর্বাসনের জন্য ৩০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। জেলা পরিষদের এই সহায়তার মোট পরিমাণ ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

জেলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বন্যায় বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও