বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

[the_ad id='15178']

একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএসবিআরএ সভাপতি মোহাম্মদ মোহসিন চৌধুরী

আন্তর্জাতিক হংকং কনভেনশন রুলস মেনেই চলছে জাহাজভাঙ্গা শিল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক

মোহাম্মদ মোহসিন চৌধুরী,দেশের স্বনামধন্য শিল্পগ্রুপ পিএইচপি ফ্যামিলির ভাইস-চেয়ারম্যান। এ গ্রুপের অধীনে রয়েছে পিএইচপি শিপব্রেকিং এন্ড রিসাইক্লিন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ২০১৭ সালে এই শিপব্রেকিং ইয়ার্ডটি দেশের প্রথম পরিবেশবান্ধব জাহাজভাঙ্গাশিল্প হিসেবে আন্তর্জাতিক সনদ অর্জন করে। ৪জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিশনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স এন্ড রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ) এর নির্বাহী কমিটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে মহসিন চৌধুরী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তিনি পিএইচপি গ্রুপের সদর দপ্তরে জাহাজভাঙ্গাশিল্পের পরিবেশ দূষণ,শ্রমিক নিরাপত্তা, মজুরি, শ্রমিকের দক্ষতাসহ বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে চাটগাঁর বাণীকে এক বিশেষ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

- Advertisement -

চট্টগ্রামের দক্ষিণ-সীতাকুণ্ডের সমুদ্রোপকূলে গড়েওঠা দেশের একমাত্র জাহাজভাঙ্গাশিল্পের পরিবেশ সুরক্ষা, শ্রমিকের নিরাপত্তাসহ সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএসবিআরএ এর নবনির্বাচিত সভাপতি শিল্পপতি মহসিন চৌধুরী বলেন, “দ্য শিপব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং রুলস্ ২০১১ ও আন্তর্জাতিক হংকং কনভেনশন রুলস্ অনুযায়ী শিপইয়ার্ডগুলোকে আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। হংকং কনভেনশনের আলোকে প্রতিটি শিপব্রেকিং ইয়ার্ডকে ঢেলে সাজাতে ২০১৮ সালে আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। এ সেক্টরের জন্যে আগে কোনো বিধি-বিধান বা গাইডলাইন ছিল না। ফলে শিপব্রেকিং কার্যক্রমের সাথে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষ তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিপব্রেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতো। বর্তমানে হংকং কনভেনশন রুলস অনুযায়ী সমস্ত কার্যক্রম ধীরে ধীরে আইনী কাঠোমোতে এসেছে। ফলে নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম আগের তুলনায় অনেকটা অগ্রসরমান। নিয়ম-নীতির বাইরে গিয়ে এখন আর জাহাজ কাটার কোনো সুযোগ নেই। বর্তমানে এ শিল্প জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা সংস্থার কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। এছাড়া ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে জাহাজভাঙ্গাশিল্প-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন, বিধি, নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পর্যালোচনা এবং সুপারিশ প্রণয়নের জন্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীকে সভাপতি করে ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সময় পাল্টে গেছে, হংকং কনভেনশন রুলস ভঙ্গ করে এখন জাহাজ ভাংচুর করা যাবে না। গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া জাহাজ আনার দিন ফুরিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ২৩টি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড গ্রিন ইয়ার্ডে রূপান্তর হয়েছে। আরও ৭/৮টি প্রক্রিয়াধীন আছে। গ্রিন শিপইয়ার্ডগুলো হচ্ছে- ১. পিএইচপি শিপব্রেকিং এন্ড রি-সাইক্লিন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২. এম/এস এস এন কর্পোরেশন (ইউনিট-২) ৩. কবির স্টিল লিমিটেড ৪. কে আর শিপ রি-সাইক্লিং ইয়ার্ড ৫. আরব শিপব্রেকিং এন্ড রি-সাইক্লিং লিমিটেড ৬. ম্যাক কর্পোরেশন ৭. এইচ এম শিপিংলাইনস লিমিটেড ৮. এম/এস এস এন কর্পোরেশন (ইউনিট-১) ৯. এম/এস এস এন কর্পোরেশন (ইউনিট-৩) ১০. ফেরদৌস স্টিল শিপ রি-সাইক্লিন ইন্ডাস্ট্রিজ ১১. কে আর স্টিল লিমিটেড ১২. এন বি স্টিল ১৩. যমুনা শিপ ব্রেকার্স ১৪. জনতা স্টিলস লিমিটেড ১৫. তাহের এন্ড কোম্পানি লিমিটেড ১৬. বিওবি রি-সাইক্লার্স ১৭. আসাদী স্টিল এন্টারপ্রাইজ ১৮. মাদার স্টিল লিমিটেড ১৯. কিং স্টিল ২০. জেড এইচ স্টিল লিমিটেড ২১. সাগরিকা শিপব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রি ২২. বারাকা শিপব্রেকিং রি-সাইক্লিন ও ২৩.মাস্টার স্টিল এন্ড অক্সিজেন লিমিটেড।”

- Advertisement -shukee
জাহাজভাঙ্গাশিল্প পরিদর্শনকালে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী

জাহাজভাঙ্গাশিল্পের অগ্রগতি ও উন্নয়নে সরকারের কাছে আপনাদের কী প্রত্যাশা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবুল মুক্তাদির মহোদয় অত্যন্ত সদয় ও আন্তরিক। তিনি গত ৭ জুলাই প্রাকৃতিক প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে আমাদের তিনটি গ্রিন শিপব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আমরা সেদিন তাঁর কাছে ব্যাংকিং খাতের তারল্যসঙ্কট, অন্তবর্তী সরকারের কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং এ শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছি। তিনি আমাদের কথা মনোযোগসহকারে শোনেন। শর্টকাট কিছু করতে চান না তিনি। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি বর্তমান সরকারের এই মেয়াদে এ শিল্পকে বিশ্বমানের পরিবেশবান্ধব টেকসই একটি শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া তিনি এ শিল্পের আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক মান অর্জনে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরী সহায়তা প্রদানেরও আশ্বাস দেন।

জাহাজভাঙ্গাশিল্প অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে ভালোই চলছে উল্লেখ করে  মহসিন চৌধুরী যোগ করেন, ‍“পুরোনো জাহাজ আমদানির ক্ষেত্রে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অহেতুক কালক্ষেপণ হয়। এক্ষেত্রে ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করা খুবই জরুরি।এছাড়া গ্রিন সনদ ছাড়া জাহাজভাঙ্গার ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্টদের বিশেষভাবে নিরুসাহিত করছি এবং যারা গ্রিন ইয়ার্ড বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। সরকারি কোষাগারে এ শিল্প প্রতিবছর প্রায় ২বিলিয়ন ডলার যোগান দিচ্ছে। অসংখ্য মানুষের রুটিরুজি এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তাই এ শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে আমরা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছি। দুবছর আগেও আমাদের এ শিল্প বিশ্বে শীর্ষস্থানে ছিল। বিগত অন্তবর্তী সরকারের আমলে এ শিল্পকে রেড ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভূক্ত করায় আমরা দ্বিতীয় স্থানে চলে আসি; ভারত প্রথম স্থানে আসে। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা সেই হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারবো।”

এক প্রশ্নের জবাবে বিএসবিআরএ সভাপতি বলেন, “ শ্রম আইন মেনে চলা, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তা,স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, ন্যায্য মজুরি, ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো ন্যূনতম গাফিলতি নেই। এ শিল্পকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্যে আমরা আইনী ও নৈতিক দিকগুলো পরিপালনের সাধ্যমতো চেষ্টা করি। কেননা, শ্রমিকেরা হচ্ছে যেকোনো শিল্পের প্রাণ। তাদের মেধা ও অক্লান্ত পরিশ্রমই যেকোনো শিল্পকে টিকিয়ে রাখে। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষা করা টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।”

উল্লেখ্য, সময়ের তাগিদে কালক্রমে দেশে লোহার চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। আমাদের দেশে লোহা উৎপাদন হয় না বলে বিদেশ থেকে আমদানি করে এর চাহিদা মেটাতে হয়। লোহার চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে জাহাজভাঙ্গা ও রিসাইক্লিং শিল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত লোহার চেয়ে জাহাজভাঙ্গাশিল্প থেকে তুলনামূলক কমমূল্যে লোহা পাওয়া যায়। জাহাজভাঙ্গাশিল্পকে ঘিরে গড়েওঠা রি-রোলিং মিলগুলো থেকে সুলভমূল্যে পাওয়া যাচ্ছে রড, অ্যাঙ্গেলসহ বিভিন্ন গৃহনির্মাণ উপকরণ।ফলশ্রুতিতে বিগত ১৫/২০বছরে দেশে পাকা বসতবাড়ির সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। গ্রামাঞ্চলে নিম্নমধ্যবিত্ত লোকেরাও এখন দালান-কোটায় বসবাস করেন। শুধু বাড়ি-ঘর নয়, পুল-কালবার্ডসহ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাহাজভাঙ্গাশিল্প প্রত্যক্ষভাবে অবদান রেখে আসছে। এদেশে লোহার খনি না থাকলেও জাহাজভাঙ্গা শিল্পকে “তৈরি লোহার খনি” বলা হয়।

জাহাজভাঙ্গাশিল্পের গুরুত্ব সীমাহীন। এ শিল্পের সাথে দৃশ্য ও অদৃশ্যমান অনেকগুলো ক্ষুদ্র ও বৃহৎ শিল্প জড়িত। জাহাজভাঙ্গা কারখানার লোহাগুলো সরাসরি বিভিন্ন আকারের কারখানায় রড, অ্যাঙ্গেলস্ ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে নতুন নতুন কারখানা স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। জাতীয় অগ্রগতি ও উন্নয়নে জাহাজভাঙ্গা শিল্পের নানা অবদান থাকলেও এর অপকারিতাও কম নয়। আমাদের পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ শিল্পের নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

প্রথানুযায়ী জাহাজ কাটার সময় বেশিরভাগ শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯৩৭,অগ্নি প্রতিরোধ ও অগ্নি নির্বাপক আইন, ঝুঁকিপূর্ণ জাহাজবাহিত পণ্য আইন ১৯৫৩, ‍শিশুশ্রমিক আইন ১৯৩৮, মালিকদের দায়বদ্ধতা আইন ১৯৩৮, মজুরি পরিশোধ আইন ১৯৩৬, শ্রমিক নিয়োগ (স্থায়ী আদেশ) আইন ১৯৬৫, শ্রমিক ক্ষতিপূরণ আইন ১৯২৩, শিল্প সম্পর্ক অধ্যাদেশ ১৯৬৯ ও কারখানা আইন ১৯৬৫ কোনোটিই ঠিকভাবে অনুসরণ করা হতো না। পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃপ্রণালীর সঙ্কট, সময়মতো ঠিকভাবে বেতন/মজুরি পরিশোধ না করা,কাজের জন্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি (পোশাক, গ্লাভস, হেলমেট, জুতো ও চশমা) না দেয়া, হাত-পা কেটে ও পুড়ে যাওয়া, রোদ-বৃষ্টিতে কাজ করাসহ নানাবিধ প্রতিকূল পরিবেশে শ্রমিকদের জীবনঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হতো। অন্যদিকে শিপইয়ার্ড এর নামে নেয়া মোটা অঙ্কের ব্যাংকঋণ আত্মসাতের দায়ে কেউ জেলে আর কেউ কেউ বিদেশের সেকেন্ড হোমে আয়েশজীবন অতিবাহিত করছে।

একসময় জাহাজভাঙ্গা শিল্পের প্রতিষ্ঠালগ্নে জাহাজ ভাঙ্চুরের সময় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশি ঘটতো; শ্রমিক হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বেশি। কেননা, তখন জাহাজ কাটার ব্যাপারে শিপব্রেকার্স ও শ্রমিকেরা সকলেই ছিলেন অনভিজ্ঞ। এ ব্যাপারে তাদের পূর্ব কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। কিন্তু নানা ধাক্কা খেয়ে জাহাজভাঙ্গা শিল্পের মালিক-শ্রমিক সকলেই আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন ও অভিজ্ঞ। বর্তমানে এ শিল্প জাতীয় শিল্পনীতির আওতায় এসেছে। শিল্পনীতির বিধি-বিধান অনুসরণ করতে গিয়ে এ শিল্প অনেক বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় এসেছে। দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা এখন নগণ্য।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে  প্রায় ১২শ  শিপব্রেকিং ইয়ার্ড রয়েছে। বিশ্বের ৯০ শতাংশেরও বেশি জাহাজভাঙ্গার কাজ মূলত দক্ষিন এশিয়া এবং ইউরোপের কয়েকটি স্থানে সীমাবদ্ধ। বর্তমানে ভারতে পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন শিপইয়ার্ডের সংখ্যা ৫৫টিরও বেশি। এছাড়া পাকিস্তান, তুরস্ক, চীন, যুক্তরাষ্ট্র (টেক্সাস ও ক্যালিফোর্নিয়া),যুক্তরাজ্য ও মিশরে শিপব্রেকিং ও রিসাইক্লিং সুবিধা চালু রয়েছে। অন্যদিকে ৭০/৮০ কোটি টাকা থেকে দেড়শ-দুশ কোটি টাকা দিয়ে গ্রিন শিপইয়ার্ড করলেও তার আউটকাম নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যারা গ্রিন শিপইয়ার্ড করেছে তারা ভালো করতে পারেনি।এছাড়া গ্রিন শিপইয়ার্ড প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে বহু জটিলতা পোহাতে হয়। এ জন্যে শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটি প্ল্যান (এসআরএফপি) শিল্পমন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হয়। গ্রিন ইয়ার্ড প্রকল্প দেখভাল করে এমন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে হয় ইয়ার্ডগুলোকে। গ্রিন শিপিইয়ার্ড করা একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ বলে মনে করে উদ্যোক্তারা। আর এতটাকা বিনিয়োগ করার সক্ষমতা অনেকের নেই। ব্যাংকগুলোও এখন জাহাজ আনার জন্যে ঋণ দিলেও ইয়ার্ডউন্নয়নের জন্যে শিপব্রেকার্স ব্যবসায়ীদের ঋণ দিতে চায় না।

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন চাটগাঁর বাণী’র প্রধান-সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ

 

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও