চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রামে মৌসুমের রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই বৃষ্টির কারণে যাতে নগরবাসী দীর্ঘসময় জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে না পড়েন, সে লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি। আমি নিজে মাঠে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর দক্ষিণ বাকলিয়া মিয়াখান নগর ময়দার মিল এলাকার ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) চট্টগ্রামের উদ্যোগে বিগত কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণের কারণে পানি বন্দি মানুষের মাঝে খাবার বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এর সুফল ইতোমধ্যে নগরবাসী পাচ্ছেন। তবে অবশিষ্ট প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ, বিশেষ করে হিজড়া খাল, জামালখান খাল ও গুলজার খালের কাজ শেষ না হওয়ায় কয়েকটি এলাকায় এখনও জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়ে গেছে।
মেয়র বলেন, আমরা বলেছিলাম ৭০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমবে। আজকের পরিস্থিতি সেই বাস্তবতারই প্রমাণ। অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ সমস্যার সমাধানও চলমান প্রকল্পগুলো শেষ হলে সম্ভব হবে। এছাড়া ৪০টি খালের উন্নয়নে নতুন ডিপিপি বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে আমরা আশা করছি।
তিনি বলেন, নালা পরিষ্কারের সময় টুকরিভর্তি পলিথিন, প্লাস্টিক ও ককশিট পাওয়া গেছে। এগুলো পানি চলাচলে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। যারা এভাবে বর্জ্য ফেলছে, তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং আইন অনুযায়ী জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ড্যাব চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। উপস্থিত ছিলেন ড্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, ড্যাব চমেক শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়েজুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়াত হোসেন ঢালী, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ইফতেখারুল ইসলাম, ড্যাব নেতা ডা. ফজলে রাব্বী শিহাব, ডা. ইমরান হোসেন, ডা. হাসান আল বান্না, ডা. জুবায়ের মাহমুদ, ডা. রাকিবুল হাসান তান্না, ডা. মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন, ডা. রিয়াসাদ শাহাবুদ্দিন, ডা. রাজেদ আল হাসান, ডা. বেলাল উদ্দিন, ডা. তাপস কান্তি, ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. তুষার, ডা. রিহান প্রমুখ।

