জাহাজভাঙাশিল্পের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইয়ার্ডগুলোকে গ্রিন শিপইয়ার্ডে রূপান্তর করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কেএসআরএম শিপব্রেকিং ইয়ার্ডের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাত কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা জানান।

ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হংকং কনভেনশন অনুসরণ করায় চট্টগ্রামের ১৪টি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড গ্রিন শিপইয়ার্ড সনদ পেয়েছে। পাইপলাইনে আছে আরও কয়েকটি। তবে যারা শিপব্রেকিং ইয়ার্ড গ্রিন সনদ নিতে পারেনি, তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হবে। যেসকল ইয়ার্ড এখনও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিয়মনীতি অনুসরণ করতে পারেনি তাদেরকে সরকারের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা করা হবে। পরিবেশ দূষণ রোধ এবং জাহাজভাঙাশিল্পে আন্তর্জাতিকমান বজায় রাখতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।
এছাড়াও নৌপরিবহন উপদেষ্টা জাহাজভাঙাশিল্পে যেসকল শ্রমিকরা নিয়োজিত রয়েছেন তাদের আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী শ্রমনিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা দেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার শিপিং খাতে সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জন্য আরও ৩টি জাহাজ কেনা হচ্ছে। নৌপরিবহন খাতে আয় বাড়াতে সরকার এমন উদ্যোগ নিয়েছে।
সকালে শিপ ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করেন তারা। এসময় তারা এ খাতের নানা সমস্যার কথা উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরেন। পরে নৌ উপদেষ্টা শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড ঘুরে দেখেন।
ইয়ার্ড পরিদর্শনকালে উপস্হিত ছিলেন, বন্দর সচিব,নৌ বাহিনীর কমান্ডর,ইউএসও ইফতেখার হোসেন, কেএসআরএম এর ব্যবস্হাপনা পরিচালক আব্দুল করিম,শিপ ব্রেকিং এসোসিয়েশনের সচিব,অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
শিপব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন শেষে তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি পরিদর্শন করেন


