সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর কম্পিউটার সায়েন্স, ইইই ও ইসিই বিভাগের উদ্যোগে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স: ক্রিয়েটিং এ ১০এক্স মাইন্ড ফর এ ১০এক্স ইকোনমি ( ARTIFICIAL INTELLIGENCE: Creating a 10X Mind for a 10X Economy Thriving (Not surviving) in the Age of Al” ) বিষয়ক সেমিনার আজ ৯ এপ্রিল, ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড.শরীফ আশরাফউজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন যুব উন্নয়ন, ঝঞঊগ শিক্ষা এবং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এর খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, লেখক ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মুনির হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক সরওয়ার জাহান। বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার এ এফ এম মোদাচ্ছের আলী, অধ্যাপক আশুতোষ নাথ । উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষাথীরা।
মূল বক্তব্যে প্রধান আলোচক মুনির হাসান বলেন, আমাদের চিন্তাশীল মানুষের প্রয়োজন যারা ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাববে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় এগিয়ে যাবে। আমাদের মাথা আছে তবে তা আমরা প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজে না লাগিয়ে গতানুগতিক ধারায় ব্যবহার করি। আমরা এখনো চিন্তা করি জমির দাম গত এক যুগে কত বেড়েছে অথচ ইউরোপ আমেরিকা নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে তার মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে। বর্তমান যুগ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ। দূরদর্শী চিন্তাবিদরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং সুবিধা অর্জনের হাতিয়ার মনে করে। একটি ১০ গুণ অর্থনীতির জন্য “১০ গুণ মানসিকতা” তৈরি করা প্রয়োজন। যারা সাধারণের চেয়ে দশগুণ উচ্চতর লক্ষ্য নির্ধারণ করবে, ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও দ্রুত পরিবর্তনের যুগে শুধু টিকে থাকা নয় বরং উন্নতি লাভের জন্য উদ্ভাবনকে কাজে লাগাবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বলা হচ্ছে আগামীর ভবিষ্যৎ। সুতরাং প্রতিযোগিতার বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আমাদের এসব প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শুধুমাত্র উত্তর জানার পেছনে না ছুটে বেশি বেশি প্রশ্ন করা শিখতে হবে। একই সুযোগ সুবিধা পেয়েও সবাই একই স্থানে যেতে পারে না, যার চিন্তা চেতনা যত পরিপক্ক সে তত বেশি এগিয়ে থাকবে। সময়ের সঠিক ব্যবহার করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় বিভিন্ন ধরেন ওয়েবসাইট তৈরি, ডিজাইন বানানো , রিসার্চ সহ বিভিন্ন কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে করা সম্ভব, সুতরাং প্রযুক্তির এই সব সুযোগ সুবিধা কাজে না লাগালে আমাদের দেশ পিছিয়ে যাবে।

