১০ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ভাষার মাসের পূর্বেই চট্টগ্রাম শহরের সব প্রতিষ্ঠানের নামফলকে বাংলা ভাষার প্রাধান্য আনতে প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়ে সিটি কর্পোরেশন মেয়রকে স্মারকলিপি প্রদান

বাংলাদেশের সংবিধান – প্রচলিত আইন ও উচ্চ আদালতের নির্দেশ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নিবন্ধন শর্ত মেনে চট্টগ্রাম শহরের  ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানসহ সব নামফলকে বাংলা ভাষার প্রাধান্য আনতে প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়ে আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়রকে স্মারকলিপি দিয়েছে  ‘বাংলা ভাষা প্রচলন উদ্যোগ’।মাননীয় মেয়র মহোদয় অসুস্থতার কারণে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকে উপস্থিত হতে না পারায় মেয়রের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের  জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল কালাম চৌধুরী।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান,প্রাক্তন জাসদ ফোরাম নেতা মুক্তিযোদ্ধা ডা.শাহ আলম,সোলায়মান খান,গণঅধিকার চর্চা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান, আবদুল মাবুদ, বাসদ নেতা মহিনউদ্দিন,গণসংহতি আন্দোলন নেতা হাসান মারুফ রুমি,বাসদ(মার্কসবাদী)নেতা এড.শফি উদ্দিন কবির আবিদ,বিজয়’৭১ সভাপতি ডা. আর.কে.রুবেল,বাসদ নেতা আল কাদেরী জয়,রহমতউল্লাহ ফাউন্ডেশনের ভাস্কর চৌধুরী,সাপ্তাহিক অনুশীলনের ইঞ্জিনিয়ার ইন্তেখাব সুমন প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘১৯৮৭ সালে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন’ ও ২০১৪ সালে হাইকোর্টের রায় অনুসারে দেশের সকল সাইনবোর্ড বাংলা লিখতে হবে।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীনে কোনো প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স পাওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের নামফলক বাংলায় লেখার শর্ত যুক্ত আছে।অথচ চট্টগ্রামে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান নামফলকের ক্ষেত্রে তা লংঘন করেছে।নামফলতে বাংলা ভাষার প্রাধান্য আনার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের।দেশের প্রচলিত আইন,আদালত ও সরকার এ ব্যাপারে সিটি কর্পোরেনকে পুরো কর্তৃত্ব দিয়েছে।ফলে,ভাষার মাস শুরু হওয়ার পূর্বেই আমরা আশা করি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর সব নামফলকে বালা ভাষার প্রাধান্য আনতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক উদ্যোগ নেবেন। আমরা প্রয়োজনে আপনাকে ও আপনার প্রতিষ্ঠানকে এ কার্যক্রমে সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’