চট্টগ্রামের পোশাক কারখানার শ্রমিকদেরও রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই  করোনা ভাইরাসের টিকা প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র দেখে টিকা দেয়া হবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গতকাল রবিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন বরাবর চিঠি দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন।

তিনি বলেন, সারা দেশে হাসপাতাল কেন্দ্রিক টিকাদান কর্মসূচি চললেও পোশাক শ্রমিকদের বিশেষ ব্যবস্থায় কারখানায় গিয়ে টিকা দেয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামেও এ কার্যক্রম শুরু করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, পর্যায়ক্রমে সব গার্মেন্টসকে টিকাদানের আওতায় আনা হবে।

এর আগে গতকাল রবিবার গাজীপুরের কোনাবাড়ির তুসুকা ডেনিম কারখানায় রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই পোশাক শ্রমিকদের করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম।

রেজিস্ট্রেশন বা অন্য কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই নিজেদের কারখানায় টিকা পেয়ে শ্রমিকরা খুশি। তারা বলছেন এ উদ্যোগের ফলে নিজেদেরকে সুরক্ষিত রেখে নতুন উদ্যমে কাজ করতে পারবেন।

দেশে সাড়ে তিন হাজারের বেশি পোশাক কারখানায় ৪০ লাখের মতো শ্রমিক কাজ করেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সর্বশেষ কয়েক দফায় মানুষের চলাচলের ওপর সরকার বিধি-নিষেধ আরোপ করলেও পোশাক শিল্প কারখানা খোলা ছিল।

আসছে ঈদুল আজহার পর সরকার দুই সপ্তাহের জন্য কঠোর বিধি-নিষেধের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। ওই সময় পোশাক শিল্পকারখানাসহ সব ধরণের কারখানা বন্ধ রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে শিল্প মালিকরা কারখানা চালু রাখতে সরকারের প্রতি আর্জি জানিয়েছেন।

সরকার ‘সুরক্ষা’ নামের অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে ৩৫ বছরের বেশি বসয়ীদের করোনা ভাইরাসের টিকা দিচ্ছে।মাঝে টিকা সংকটের কারণে কর্মসূচি বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি তা আবার শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, টিকার সরবরাহ বাড়ায় এখন ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে টিকা গ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে বলে  ।