চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, নগরী ডাম্পিং স্টেশনে স্তুপকৃত বর্জ্য শোধন করে বিদ্যুৎসহ নিত্য ব্যবহার্য পণ্য রূপান্তন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং নগরী পরিবেশ বান্ধব হবে। তিনি আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব জায়গায় আয়বর্ধক প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই এবং যে-কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও শর্ত অনুযায়ী জায়গা বন্দোবস্তী দেয়া হবে। তিনি আজ সোমবার সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক অস্থায়ী ভবনে তাঁর কার্যালয়ে হালিশহর ডাম্পিং স্টেশনে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট স্থাপনে আগ্রহী চায়নিজ ইনভেস্টর এসোসিয়েশনের প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাতকালে এ কথা বলেন। মেয়র বলেন, সাবেক মেয়র এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বর্জ্য ও থেকে বিদ্যুৎ ও নিত্য ব্যবহার্য পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। সেই পথ ধরেই তাঁর অসম্পূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাই। তিনি প্রতিনিধিদলের উদ্যেশ্যে বলেন, আমরা জায়গা দেবো। সরকার থেকে প্রস্তাবিত প্রকল্পের অনুমোদন ও যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ আপনাদেরকে করতে হবে। প্রত্যুত্তরে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয় আমরা এ ধরণের প্রকল্প ঢাকাসহ অন্যান্য ৩৪টি দেশে বাস্তবায়ন করেছি। আমাদের শুধু জায়গা দিলে আমরা বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট স্থাপন বাস্তবায়ন করবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল, হাজী নুরুল হক, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী মীর্জা ফজলুল কাদের, চাইনিজ ইনভেষ্টর এসোসিয়েশনের সভাপতি লিও ঝাং, ফিটস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেন ও সুনজি তিনইং।

সরাইপাড়া ওয়ার্ডে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

                                                 সরাইপাড়া ওয়ার্ডে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কালে মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী আজ সোমবার ১২নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির  বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, রমজান মাস রহমতের মাস। এ মাসেই আল্লাহ তাল্লা কোরআনে নাজেল করেছেন, এ মাসেই তিনি গুনাহ মাফ করেন। এই গুনাহ থেকে পরিত্রাণে ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে এবং কী কারণে করোনা অতিমারী আঘাত করলো তা উপলব্ধি করে পাপ ও অনাচার থেকে দূরে থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে ৫বছরের জন্য নির্বাচিত করেছেন। আমি আমার মেয়াদকালে সকলের পরামর্শ নিয়ে চট্টগ্রামকে সুন্দর নগরী হিসেবে সাজাতে চাই। মেয়র বলেন, সরকার করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কঠোর লকডাউন দিয়ে কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য  হয়েছে। এতে সমাজের নিম্ন ও প্রান্তিক শ্রেণি জনগোষ্ঠীর কষ্ট ও দুর্গতি বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আড়াই হাজার টাকা করে প্রনোদনা দেয়া হচ্ছে। তবুও বিত্তবানদের এ ধরণের সংকটে মানবিক দায়িত্ববোধ হিসেবে এগিয়ে আসতে হবে।

আর পড়ুন:   আর কেউ ব্যবহার করতে পারবে না চুরি বা হারানো মোবাইল ফোন

ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দীন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন এস. শওকত আলী, ডা. নুরুল ইসলাম, আবু ছৈয়দ খান, হেলাল উল্লাহ, মো. আমজাদ, মো. শাহজাহান, আবু সাঈদ, মো. রাজিব, মুজিবুর রহমান, আবুল হাসান, ফোরকানুল আলম রানা, সাইদুল হাবিব, ইঞ্জিনিয়ার তাহের খান, মো. ফারুক, আলী আকবর ও মো. আশরাফ।