বিশেষ প্রতিনিধি *

দেশের ব্যবসায়ীদের প্রভাবশালী সংগঠন  বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) নির্বাচন জমে ওঠেছে। করোনাভাইরাসের মধ্যে   কঠিন এক পরিস্থিতিতে  আগামী ৪ এপ্রিল  সরাসরি ভোট দিয়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন বিজিএমইএর সদস্যরা ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে এখনও পোশাক শিল্পে রয়েছে অনিশ্চয়তা   । ফলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া এবারের নির্বাচনটি হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। কারণ অতীতের সমঝোতা প্রথা পরিহার করে অনেক বছর পর সদস্যদের সরাসরি ভোট হবে।

মূলত ২০১৫ সালের পর থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে বিজিএমইএর নেতা নির্বাচিত হয়ে আসছে  । আসন্ন নির্বাচনে বিজিএমইএর সদস্যরা সরাসরি ভোট দিয়ে তাদের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন। প্রতি দুই বছর পর বিজিএমইএর নির্বাচন হয়।

গত ৪ মার্চ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর ঘরোয়াভাবে প্রচার শুরু করেছেন ‘ফোরাম’ ও ‘সম্মিলিত পরিষদ’   নামে দুটি প্যানেলের প্রার্থীরা। পাশাপাশি ঘটা করে প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানও করেছে প্রার্থীরা।

এবারের নির্বাচনে ঢাকা ও চট্টগ্রামে সমিতির ৩৫টি পরিচালক পদের জন্য দুই প্যানেলের ৩৫ জন করে মোট ৭০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আর স্বাধীনতা পরিষদের নেতা জাহাঙ্গীর আলম এর আগে পূর্ণ প্যানেল নিয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও এখন নির্বাচন করছেন সম্মিলিত পরিষদের সঙ্গে একীভূত হয়ে ।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৪ এপ্রিল ঢাকায় হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে এবং চট্টগ্রামে বিজিএমইএর আঞ্চলিক কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ নির্বাচনের ভোট হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ঢাকা অঞ্চলে ১ হাজার ৮৫৩ জন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৪৬১ জন ভোটার রয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি রুবানা হকের প্যানেল ‘ফোরামের’ নেতৃত্ব দিচ্ছেন হান্নান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম শামসুদ্দিন মিয়া। রুবানা নিজেও তার প্যানেল থেকে নির্বাচনে থাকছেন।

নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে ওঠেছে প্রচারণা। তারই অংশ হিসেবে গেল ১৪ মার্চ সন্ধ্যায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় ‘ফোরাম পর্ষদের পরিচিতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠান।

পোশাক খাতের উন্নয়নে সব স্বার্থের ঊর্ধ্বে ওঠে কাজ করার শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক রফতানিকারক ও মালিক সমিতি (বিজিএমইএ) নির্বাচনে ফোরাম মনোনীত প্রার্থীরা। এতে সংগঠনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এ বি এম শামসুদ্দিনকে ফোরামের প্যানেল নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

তিনি বলেন, এ শিল্পে দুই ধরনের লোক আছেন। একদল নিরবে নিভৃতে  কাজ করেন, আরেকদল যতনা কাজ করেন তার চেয়ে বেশি ঢোল বাজান এবং ফটোসেশন করেন। এ দু’ধরনের লোকেরাই বহুবছর ধরে বিজিএমইএর নেতৃত্ব দিয়েছেন। ইতোমধ্যে দেখা গেছে, ঢোল বাজনরা যথবারই  ক্ষমতায় এসেছে কোনো না কোনো সমস্যা পোশাক খাতের টুটি চেপে ধরেছে। তাদের অদক্ষতা ও সমযোপযাগী সিদ্ধান্তহীনতার কারণে পোশাক খাতকে বছরের পর বছর লোকসানের মাসুল গুনতে হয়েছে, দেশ থেকে চলে গেছে শতশত কোটি মিলয়ন ডলার। এমন সময় আমাদের ফোরাম যখন বিজিএমইএর দায়িত্ব নিয়েছে তখন করোনা বা শ্রমিক অসন্তোষ  আমাদের কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি। আমাদের ফোরাম আবারও বিজিএমইএর নেতৃত্বের সুযোগ পেলে এ অগ্রযাত্রাকে কেউ থামাতে পারবে না। কারণ এবারের ফোরাম অনুসরণীয়, অভিজ্ঞ, উদ্যমী তরুণ উদ্যোক্তার সমন্বয়ে  এমন প্যানেল গঠন করা হয়েছে  যারা সঙ্কটকে সম্ভাবনা এবং সম্ভাবনাকে বাস্তবে  পরিণত করতে সক্ষম হবে। একজন ভালো নেতা ও একটা ভালো টিম এসসাথে কাজ করলে বিশ্বকে পর্যন্ত জয় করতে পারে।সেই চিন্তা থেকে আমরা এবারের প্যানেল সাজিয়েছি। এ প্যানেলে যারা আছেন তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত। এ টিম বাংলাদেশের পোশাক খাতকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে- এমন দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ফোরামের প্যানেল নেতা  এ বি এম শামসুদ্দিন।       এদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক ফোরামের প্যানেল সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ‘ফোরাম পর্ষদের পরিচিতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টস মালিকদের  বড় মূলধন হচ্ছে দক্ষত, সততা ও কর্মনিষ্ঠা।আমরা কেউ কাউকে যেন ভুলে না যায়। আপনারা একেকজন বাংলাদেশ।ক্ষমতা আপনাদের। ক্ষমতার অজুহাত দিয়ে ভোটারদের যেন বিভ্রান্ত করা না হয়।’

আর পড়ুন:   লকডাউনের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতিতে গার্মেন্টস শিল্পের অবদানের কথা তুলে ধরে বিজিএমইএ নেতা ড. রুবানা হক  আরও বলেন,  ‘আপনারা অর্থনীতে যে অসাধারণ অবদান রেখে আসছেন তাতে বিশেষ কোনো ক্ষমতায় ক্ষমতায়িত হতে হবে না, আপনারা পরিশ্রম ও কষ্ট করে  যে শিল্প গড়ে তোলেন সেটির গৌরব অহঙ্কার  সবটাই নিজের প্রাপ্য।’ ফোরামের প্যানেলের সবাইকে জয়যুক্ত করার আহবান জানিয়ে ড. রুবানা  হক বলেন, যদি ফোরামকে ভোট দেন আমি আপনাদেরকে আশ্বস্ত করছি আর এক মুহূর্তও বসে থাকবো না,  গত দু’বছর শুধু চেষ্টা করেছি; অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, যে ছোটখাটো ভুল হয়েছে সেটা আগামীতে আর হবেনা।’

চট্টগ্রামের পোশাক শিল্পমালিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সবসময় সোচ্চার থাকা বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম নির্বাচন প্রসঙ্গে চাটগাঁর বাণীকে বলেন, ‘নমিনেশন যখন কনফার্ম হয় তখন থেকে  আমরা চট্টগ্রামে প্রচারণা শুরু করেছি।দীঘদিন থেকে এ ব্যবসার সাথে   এবং নেতৃত্বে আছি অতীতের যেসব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি  আগামীতে সবটাই কাজে লাগাতে চাই।’

বিজিএমইএর  দুই পরিষদের সবারই  উদ্দেশ্য প্রায়ই একই- গার্মেন্টস সেক্টরকে  ভালো করা, এমন মন্তব্য করে আবদুস সালাম আরও বলেন,  ‘আমাদের ফোরাম গত দুই বছর রুবানা হকের অসাধারণ নেতৃত্বে মহামারির সময়েও যে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছি সে হিসেবে মেম্বাররা আবারও আমাদের ভোট দেবেন। মেম্বাররা যদি চান আবারও সেবা করবো, যদি না চান তাও থাকবো।’

ফোরামের সঙ্গে থেকে কাজ করার বহু সুযোগ আছে তেমনি চ্যালেঞ্জও আছে উল্লেখ করে ব্যবসায়ী নেতা সালাম আরও বলেন, বহু দেশের বাজার এখনও খোলেনি।মহামারির কারণে  অনেক উন্নত দেশ লকডাউনে  আছে। আগামী কয়েকবছর  আমাদের জন্য সাঘাতিকভাবে বড় চ্যালেঞ্জ আছ, এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফোরামে যে সব অভিজ্ঞ লোক আছে মেম্বাররা তাদেরকেই নির্বাচিত করবেন।’

অপরদিকে ‘অর্জনে আপোষহীন, সংকটে সহযোদ্ধা’ এ শ্লোগানকে ধারণ করে বিজিএমইএ এর আসন্ন দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে (২০২১-২০২৩) ‘সম্মিলিত পরিষদ’ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ইশতেহারে কোভিড-১৯ মোকাবেলা ও শিল্প পুনরুদ্ধার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোশাক শিল্পের উন্নয়ন, নতুন বাজার তৈরি এবং ব্যাংকিং নীতিমালা সংস্কারসহ ৮১টি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

গত ১৬ মার্চ রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয়ে সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল নেতা ফারুক হাসান আগামী দিনের এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

ফারুক হাসান বলেন, যদি আমরা নির্বাচিত হতে পারি, সরকার ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে কার্যকরী আলোচনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যেন এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পরেও কমপক্ষে ২০৩১ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত পণ্য রপ্তানী সুবিধা অব্যাহত রাখা যায়।

তিনি বলেন, নতুন বাজারে পোষাক রপ্তনির জন্য প্রণোদনা চার শতাংশ থেকে পাঁচ শতাংশে উন্নীত করবো। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রোড শো’র আয়োজন- দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ল্যাটিন আমেরিকা, ভারতসহ সম্ভাবনাময় নতুন বাজারগুলোতে রোড শো আয়োজন এবং গুরুত্বপূর্ণ মেলাগুলোতে বিজিএমইএ সদস্যদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

আর পড়ুন:   তারেক জিয়ার  সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য উচ্চআদালতে যাবে আওয়ামী লীগঃ কাদের

ফোরাম: এ প্যানেলে  হান্নান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম শামসুদ্দিন মিয়া প্যানেল লিডার হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঢাকা অঞ্চলে এমজি শার্টেক্সের ড. রুবানা হক, হান্নান ফ্যাশনসের এ বি এম সামসুদ্দিন, এজে ফ্যাশনসের আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, আমিতি ডিজাইনের শিহাবুদৌজা চৌধুরী, অনন্ত গার্মেন্টের এনামুল হক খান বাবু, দেশ গার্মেন্টের ভিদিয়া অমৃত খান, দিগন্ত সোয়েটারের কামাল উদ্দিন, ড্রেসম্যান গার্মেন্ট মাশিদ রুম্মান আবদুল্লাহ, দুলাল ব্রাদার্সের এম এ রহিম ফিরোজ, এভিটেক্স ড্রেস শার্ট শাহ রিয়াদ চৌধুরী, ফেব্রিকা নিট কমপোজিটের মিজানুর রহমান, ফ্যাশন ডটকমের খান মনিরুল আলম, ফ্যান্ডস স্ট্যাইলওয়্যারের এ এম মাহমুদুর রহমান, ইমপ্রেস নিউটেক্স কমপোজিট টেক্সটাইলের নাফিস উদ দৌলা, কেইলক নিউএজ বাংলাদেশের আসিফ ইব্রাহিম, ম্যাগপাই নিটওয়্যারের মজুমদার আরিফুর রহমান, মানামি ফ্যাশন্সের তাহসিন উদ্দিন খান, এমজি নিট ফ্লেয়ারের নাভিদুল হক, নেক্সাস সোয়েটারের রশীদ আহমেদ হোসাইনি, ওডিশা ফ্যাশন্সের ইকবাল হামিদ কোরাইশী আদনান, রাইজিট অ্যাপারেলসের মাহমুদ হাসান খান বাবু, সফটটেক্স সোয়েটারের রেজওয়ান সেলিম, সুরমা গার্মেন্টের ফয়সাল সামাদ, ট্রাউজার লাইনের রানা লায়লা হাফিজ, ওয়েগা ফ্যাশন সুয়েটারের মেজবাহ উদ্দিন আলী ও জিসাস ফ্যাশন্সের নজরুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে অ্যারিয়ন ড্রেসের মোহাম্মদ আতিক, চিটগং এশিয়ান অ্যাপারেলসের মোহাম্মদ আবদুস সালাম, ক্লিপটন অ্যাপারেলসের এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, ম্যাগি অ্যান্ড লিজ অ্যাপারেলসের এনামুল আজিজ চৌধুরী, মেলো ফ্যাশনসের শরীফ উল্লাহ, রিজি অ্যাপারেলসের মির্জা মো. আকবর আলী চৌধুরী, রেন্সকো সোয়েটারের মোহাম্মদ দিদারুল আলম, দ্য নিড অ্যাপারেলসের রিয়াজ ওয়েজ ও উল ওয়ার্ল্ডের  খন্দকার বেলায়েত হোসেন ফোরাম থেকে নির্বাচন করছেন।

সম্মিলিত পরিষদ: জায়ান্ট টেক্সটাইলের ফারুক হাসান প্যানেল লিডার হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঢাকা অঞ্চলে অ্যাডামস অ্যাপারেলসের শহিদুল হক মুকুল, ব্রাদার্স ফ্যাশন্সের আবদুল্লাহ হিল রাকিব, ক্লাসিক ফ্যাশনসের শহীদউল্লাহ আজিম, ক্রনি ফ্যাশনসের নীরা হোসনে আরা, ডেনিম এক্সপার্টের মহিউদ্দিন রুবেল, ডিজাইন অ্যান্ড সোর্সের জাহাঙ্গীর আলম, ডিজাইন টেক্সট নিটওয়্য্যারের খন্দকার রফিকুল ইসলাম, এনভয় ডিজাইনের শিরিন সালাম ঐশী, এনভয় ফ্যাশন্সের তানভীর আহমেদ, হামিদ সোয়েটারের ইন্তেখাবুল হামিদ অপু, জে. এফ. কে ফ্যাশন্সের কফিল উদ্দিন আহমেদ, লায়লা স্টাইলের ইমরানুর রহমান, মেইকস গার্মেন্টের আশিকুর রহমান তুহিন, মিসামি গার্মেন্টের মিরান আলী, নিপা ফ্যাশন্সের খসরু চৌধুরী, পশমী সোয়েটারের মশিউল আজম সজল, সাদমা ফ্যাশন্স ওয়্যারের নাছির উদ্দিন, সেহা ডিজাইনের এস এম মান্নান কচি, স্পারো অ্যাপারেলসের শোভন ইসলাম, তরকা ফ্যাশন্সের মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, টিআরজেড গার্মেন্টের হারুন অর রশীদ, তুসুকা ফ্যাশন্সের আরশাদ জামাল দিপু, উর্মি গার্মেন্টের আসিফ আশরাফ, ভিনটেজ ডেনিমের সাজ্জাদুর রহমান মৃধা শিপন ও ইয়াং ফরেভারের  রাজীব চৌধুরী।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে এএসআর অ্যাপারেলের এ. এম শফিউল করিম খোকন, অ্যামেকো ফেব্রিক্সের এম আহসানুল হক, ফোর এইচ অ্যাপারেলের মো. হাসান জেকি, এইচকেসি অ্যাপারেলের রকিবুল আলম চৌধুরী, লেগেসি ফ্যাশন্সের তানভীর হাবিব, এনএলজেড ফ্যাশনসের মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা, আরএসবি ইন্ডাস্ট্রিয়ালের অঞ্জন শেখর দাশ, টপ স্টার ফ্যাশনসের আবসার হোসেন ও ওয়েল ডিজাইনার্সের সৈয়দ নজরুল ইসলাম এ প্যানেল থেকে প্রার্থী হয়েছেন।