৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, মানব সভ্যতার ক্রমবর্ধমান বিকাশের জন্য জাতিসংঘ গঠন ছিলো একটি সুখবর। দু’টি বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকার পর তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত না হওয়াটই জাতি সংঘের সবচে’বড় সাফল্য। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা আমাদের সক্ষমতা ও সরলতার ওপর বড় আঘাত। এই সমস্যা  সমাধানে জাতিসংঘ আরো জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে আশা রাখি।

তিনি আরো বলেন, সারা বিশ্ব যখন কোভিডের সাথে যুদ্ধ করছে তখন জাতি সংঘ মানুষের জীবনে ফুল ফোটাতে চায়। জাতি সংঘের প্রয়োজন এখনও ফুরিয়ে যায়নি। আমি প্রত্যাশা করি, যখন যে দেশে কোভিড প্রতিরোধক আবিস্কার হবে তা যেন গরীব ও উন্নয়ন শীল দেশগুলোর জন্য সহজ লভ্য হয়। সে ব্যাপারে জাতি সংঘ উদ্যোগী হবে। তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর টিআইসি মিলনায়তনে জাতি সংঘের ৭৫ বছর পূর্তি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এনআইইউপিসিপি’র সদস্য সচিব কাজী মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, বৈশ্বিক রাজনীতির কারণে জাতিসংঘ ভারসাম্য রক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটা অনেক ক্ষেত্রে যারা অধিকতর শক্তিধর তারা বেশি উপকারভোগি হচ্ছে। এতে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার অভীষ্ট উদ্দেশ্যগুলো সমতাভিত্তিক হচ্ছে কিনা তাও ভাববার অবকাশ রয়েছে।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন চসিক প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়, এল.আই.ইউপি.সির টাউন ম্যানেজার সরোয়ার হোসেন খান, প্রকৌশলী সাইফুর রহমান, সি.ডি.সি সভাপতি কোহিনুর আক্তার , জিয়াউর রহমান, শাহিদা আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পাওয়ার পয়েন্টে জাতিসংঘের কার্যক্রম প্রদর্শন করা হয় এবং কেক কেটে জাতিসংঘের ৭৫ তম বর্ষপূর্তির উদযাপন করা হয়।

নগরবাসীর উদ্দেশ্যে চসিক প্রশাসক

নগরীর বিভিন্ন স্তরের নাগরিক তাঁর সাথে সাক্ষাতকালে বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমার দুয়ার আপনাদের জন্য সব সময় উন্মুক্ত। রাজনৈতিক কর্মী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নগরীর অধিবাসীদের আমার কাছে আসার নাগরিক অধিকার রয়েছে। নগরবাসীর সান্যিধ্যে আমি কখনো বিরক্ত হইনা। । আজ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর পুরনো নগর ভবনে প্রশাসক দপ্তরে নগরীর বিভিন্ন স্তরের নাগরিক তাঁর সাথে সাক্ষাত করতে এলে তিনি একথা বলেন। সাক্ষাতকার অনুষ্ঠানে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক ও প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রশাসকের সাথে ছিলেন।

এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিক প্রশাসকের নিকট তাদের অভাব, অভিযোগ, আবদার উপস্থাপন করেন। তিনি তাদের অভাব অভিযোগ মনযোগ দিয়ে শুনেন। স্বাক্ষাত প্রার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদার, লেকসিটি হাউজিং এর কর্মকর্তাগণ, কর্পোরেশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সাধারণ নাগরিকও ছিলেন। সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে অনেকে চিকিৎসা, বিবাহযোগ্য কন্যার বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং কর্পোরেশনের এক শিক্ষকের শুন্যপদের বিপরীতে চাকরি স্থায়ীকরণ, কর্পোরেশনের কাছে টাকা জমা দেয়া সত্ত্বেও দোকান বরাদ্দ না পাওয়ার বিষয়ে প্রশাসককে অবহিত করেন। এ সময় প্রশাসক দুঃস্থ কয়েকজনকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। কর্পোরেশনের ঠিকাদারদের কয়েকজন তাদের বকেয়া টাকার পাওনা বিষয়ে প্রশাসকের সহযোগিতা চান। সে সময় প্রশাসক দোকান বরাদ্দের বকেয়া টাকার পাওনা বিষয়ে কর্পোরেশনের ভুসম্পত্তি ও হিসাব বিভাগে যোগাযোগ করতে তাদের আবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বরাবরে লিখে দেন।

আর পড়ুন:   নিরাপত্তা জোরদার বিএসএমএমইউর সামনে

স্বাক্ষাতকার অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন, আমি সাময়িক সময়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে দেখি ১ হাজার কোটি টাকার দেনার বোঝা। প্রতিমাসে কর্পোরেশনকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন খাতে ব্যয় করতে হয় ১৭ কোটি টাকা। ঘাটতি থাকে ৩ কোটি টাকা। এই টাকা পাব কই ? অবকাঠামোগত উন্নয়নে টাকা চেয়ে আমি মন্ত্রণালয়ের দারস্থ হয়েছি।

অতীতে কর্পোরেশন এমন অনেক খাতে অর্থ ব্যয় করেছে যাতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেই। অথচ কর্পোরেশন তার রুটিন কাজ যেমন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, আলোকায়ন ও নালা-নর্দমা পরিস্কার ড্রেনেজ সিস্টেম ও সড়ক মেরামত কাজ স্বাভাবিক রাখতে পারেনি। কর্পোরেশনের আর্থিক পরিস্থিতি এতোই-নাজুক যে, ৬০ বছর চাকরি জীবন শেষে অবসরে গিয়ে ভবিষ্য তহবিলের জন্য কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টেবিলে টেবিলে ধরণা দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে দেখলাম কর্পোরেশনের ৩৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনো তাদের ভবিষ্য তহবিলের টাকা নিতে পারেনি। এর মধ্যে অনেকে পাওনা টাকা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ধরণের ঘটনা দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। প্রশাসক বলেন, আমি মিথ্যা আশ্বাস ও কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে নগরবাসীর সাথে প্রতারণা করতে পারবোনা। অনেক কিছুই করার ইচ্ছা আছে আমার। কিন্তু সামর্থ্য নাই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে আমি নগরীকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রাখতে সর্বোতভাবে চেষ্টা করবো। তিন এব্যাপারে নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগীতাও কামনা করেন।

চসিক প্রকৌশলীদের বৈঠক নির্ধারিত সময়ে কাজ  শেষ করুণ

চসিক প্রকৌশলীদের বৈঠকে বক্তব্য রাখছেন প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন কর্পোরেশনের  তালিকাভুক্ত যে সকল ঠিকাদার কার্যাদেশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করবেনা তিনবার তাগিদ দেয়ার পর প্রধান প্রকৌশলীকে তাদের কার্যাদেশ বাতিল করতে বলেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে চসিকের পুরনো নগর ভবনের প্রশাসক দপ্তরে চসিকের চলমান প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রকৌশলীদের সাথে বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বৈঠকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্রধান প্রকৌশলী  লে. কর্ণেল সোহেল আহমেদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম, আবু ছালেহ, মনিরুল হুদা, ঝুলন কুমার দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ, আবুল সাদাত মো. তৈয়ব, শাহীনুল ইসলাম, ফরহাদুল আলম, অসীম বড়ুয়া, ফারজানা মুক্তা (অতি: দায়িত্ব), মো. আবু ছিদ্দিক, সহকারী প্রকৌশলী গোফরান উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন কর্পোরেশনের প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা চলমান প্রকল্পের স্থান নিয়মিত পরিদর্শন করবেন এবং কাজের গুণগতমান ঠিক আছে কিনা দেখবেন। জাইকার অর্থায়নে যে সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে, সে সব কাজের বিল দাখিল করার পূর্বে তার গুণগতমান অক্ষুণ্ন রেখে করা হয়েছে কিনা তা প্রশাসক নিজে পরিদর্শন করবেন বলে প্রকৌশলীদের জানান। আগামীতে লটারীর মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে কাজ বন্টন করার ওপর জোর দেন তিনি। যাতে একজন ঠিকাদার একাধিক কাজ না পান। বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে নগরীর শেরশাহ এলাকার সড়ক দখল করে উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করায় যে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে তার ভগ্নাংশ দ্রুত সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন। এ সময় প্রশাসক প্রকৌশলীদের বলেন, আমি যতদিন আছি আপনারা একটু আমাকে সহায়তা করুন। আমি কাজ চাই। জনগণকে প্রবোধ দিতে চাই না। আমার একটি সামাজিক দায়িত্ব রয়েছে। দায়িত্ববোধের তাগিদে আমি আপনাদের কাজের বার বার খোঁজ খবর নিই। বৈঠকে প্রশাসক সেবক কলোনীর কাজের অগ্রগতি, স্ট্যান্ড রোডের ওয়াসার সংযোগ লাইনের লিকেজ মেরামত, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে স্ট্যান্ড রোডের জলাবদ্ধতার প্রকল্পের নালার কাজের অগ্রগতির খোঁজ খবর নেন। এ সময় তিনি চসিক প্রকৌশলীদের চট্টগ্রাম বন্দর, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার সাথে ওয়ার্কিং কো-অডিনেশন কমিটি করে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে পরামর্শ দেন।

আর পড়ুন:   দেশে করোনাভাইরাসে ২৪ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬১৭ জন শনাক্ত, মৃত্যু ১৬

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক আন্তঃ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক আন্তঃ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুশীলনের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা একজন মানুষের মানসিক বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে করেনামুক্ত থেকে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আনন্দময় হয়ে উঠুক এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রশাসক। তিনি আজ বিকেলে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির কর্তৃক আয়োজিত আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে বার্ষিক আন্তঃ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. সৈয়দ মোক্তার আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ.এইচ.এম জিয়াউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও সাবেক সভাপতি এডভোকেট মুজিবুল হক, এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীসহ সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ এবং কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে প্রশাসকের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন নেতৃবৃন্দ। জাতিসংঘের ৭৫তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে সুজন

চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত

নগরীর ইলেকট্রিক লেইনে দোকানের অবৈধ বর্ধিত অংশ উচ্ছেদ করছেন চসিকের ভ্রাম্যমান আদালত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী এর আজ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন ইলেকট্রিক লেইনে নালা ও রাস্তার ওপর অবৈধভাবে নির্মিত ৪০টি দোকানের বর্ধিত অংশ উচ্ছেদ করে লেনটি অবৈধ দখল মুক্ত করা হয়। অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের  সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রেপলিটন পুলিশ  ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়কে  সহায়তা প্রদান করেন।

আগামীকালের কর্মসূচি

বুধবার সকাল সাড়ে ৮ টায় উত্তর কাট্টলী খেজুরতলা জেলে পাড়ায় মৎস্যজীবীদের মাঝে চাল বিতরণ, সকাল ৯ টা ১৫ মিনিটে জিইসি মোড় এবং সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে দেওয়ানহাট মোড়ে আধুনিক স্যুইপিং মেশিন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।

এছাড়া বিকাল ৩ টায় আগ্রাবাদ চৌমুহনী মোড়, বেপারী পাড়া ও ছোট পুল হয়ে বড় পুল পর্যন্ত ‘নগর সেবায় ক্যারাভান’ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানসমূহে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন উপস্থিত থাকবেন । এতে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।