৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সমাজ বিকাশের ধারায় পুঁজিবাদী আগ্রাসন ও নগরায়নের প্রভাবে দেশের অনেক লোক এখন গৃহহীন হয়ে পড়েছে। অথচ বাবুই পাখিও নিপুন কারুকাজে তাঁর বাসা বানিয়ে নেয়। সভ্যতার এত উন্নতি তারপরও মানুষকে তাঁর মৌলিক অধিকার বাসস্থানের জন্য ভবঘুরের মত ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম নগরীর বিরাট একটা জনগোষ্ঠীও আজ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। নগরীর অনেক জমি অধিগ্রহণ করেছে রেল ও বন্দর কর্তৃপক্ষ। বর্তমান সরকার মানুষের অন্য চার মৌলিক অধিকারের মত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন  আজ বৃহস্পতিবার সকালে টাইগারপাসস্থ নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২০ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য হলো “সবার জন্য আবাসন : ভবিষ্যতের উন্নত নগর”। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, স্থপতি আবদুল্লাহ ওমর, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়, ব্র্যাক আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী এস এম মনিরুজ্জামান, মাঠ সমন্বয়কারী সুব্রত টুডু, মনিটরিং অফিসার মো. মাসুম বিল্লাল, প্রশিক্ষক ইমতিয়াজ আরাফাত, কমিউনিটি আর্কিটেকট এইচ এম হোসেনুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক সুজন আরো বলেন, দেশের অন্যান্য এনজিও’র চাইতে ব্র্যাক ব্যতিক্রম। করোনাকালে তারা যে ভূমিকা রেখেছে তা অন্য এনজিওগুলোর জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। করোনা নির্ণয়ে পিসিআর টেস্ট ও দরিদ্র মানুষদের নগদ অর্থ সহায়তায় ৯৪ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা প্রদান করেছে। অথচ দেশে অনেক এনজিও লোক দেখানো কাজ করে বিদেশি ফান্ড এনে কার্যকর কিছু করে না। ব্র্যাকের সাথে চট্টগ্রামের দু’জন গুণী ব্যক্তি জড়িত। ওনারা এই প্রতিষ্ঠানকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, শহরের মানুষের আয় রোজগারের ব্যবস্থা থাকার পরও অনেকে আজ গৃহহীন। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে যাচ্ছে। ২০৩১ সালের মধ্যে ইকোনোমিক বাংলাদেশ টাইগারে পরিণত হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই ক্রমাগত উন্নতিতে বিশ্ব এখন আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশে এখন কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ফলে এখন লোডশেডিং নেই বললেই চলে। অর্থনৈতিক প্রতিযোগীতায়ও আমাদের দেশ এখন এগিয়ে। এই অগ্রযাত্রা কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। প্রশাসক ব্র্যাককে নগরের পতিত জমিতে ফলজ বৃক্ষ রোপণ ও নগরীর সৌন্দয্যবর্ধন কার্যক্রমে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালে তারা এতে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্র্যাক আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মনিরুজ্জামান নগরীতে তাদের যে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে তার একটি সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। ব্র্যাক আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় নগরের ১২টি ওয়ার্ডে ২৮টি দরিদ্র জনবসতিতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

নূর আহম্মদ চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নূর আহম্মদ চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রাম শহরে যা কিছু গৌরবের এবং জনকল্যাণকর তার ভিত্তিস্থাপক হলেন নূর আহম্মদ চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, প্রবর্তিত প্রাইমারী শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক বিষয়টি এতদঞ্চলে নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছিল। নূর আহম্মদ চেয়ারম্যান নগরবাসীদের তিক্ত অথচ বাস্তবতা উপলব্ধি করে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী সকল শিশু-কিশোর-কিশোরী স্কুলে ভর্তি ও নিয়মিত স্কুলে পাঠানোর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। নূর আহম্মদ চেয়ারম্যানের বিচার ক্ষমতা ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও চিন্তার প্রসারতাকে শুধু এগিয়ে নেননি, বরং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় শ্রেষ্ঠ বন্দর ও বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রামকে বিশ্ব ইতিহাসে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। এই চট্টগ্রাম শুধু ব্যবসা বাণিজ্যের শহর নয়, বরং শিক্ষা ক্ষেত্রেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শ্রেষ্ঠ আসনটি অর্জন করেছিলো। সে সময়ে চট্টগ্রাম একমাত্র নগরী বা পৌরশহর, যার শিক্ষার হার অবিভক্ত বাংলার সর্বোচ্চ পর্যায়ে ঠাঁই করে নিয়েছিল। তিনি আজ বৃহস্পতিবার  বিকেলে আন্দরকিল্লাস্থ চসিক পুরাতন ভবনে কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে চট্টগ্রাম পৌর সভার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপমহাদেশে অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবক্তা নূর আহম্মদ চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আর পড়ুন:   যুবলীগ নেতা খালেদ অস্ত্রসহ আটক

তিনি আরো বলেন, নুর আহম্মদ চেয়ারম্যান এক ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমস্থান অর্জন করে এম এ ডিগ্রী লাভ করায় স্বর্ণ পদকে ভূষিত হয়েছিলেন। তাঁর মত মেধাবী শিক্ষাবিদ তৎকালীন সময়ে বিরল ছিল। নূর আহম্মদ চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় এ অঞ্চলে অবৈতনিক শিক্ষার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে  তোলেন। তিনি বলেন, জনকল্যাণ, মানবসেবা এবং দেশের আইন প্রণয়নে তাঁর বলিষ্ট ভূমিকা ছিল। নগর উন্নয়নে তাঁর অবদান ছিল অতুলনীয়। আজীবন তিনি ইতিহাস চর্চায় নিমগ্ন ছিলেন। নুর আহম্মদের জীবন ও কর্ম বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, শিক্ষা বাণিজ্য নয়, মনুষ্যত্ব বিকাশের হাতিয়ার। নূর আহম্মদ চেয়ারম্যানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে শিক্ষা প্রসারে নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন প্রয়াত সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সেলিম জাহাঙ্গীর, সালাউদ্দিন মাহমুদ, আবদুস সালাম মাসুম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, আবু তালেব বেলাল, প্রধান শিক্ষক আলী আকবর, আলী আজম প্রমুখ।

এছাড়াও সকালে অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবক্তা নূর আহম্মদ চেয়ারম্যানের ৫৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলকরণস্থ মরহুমের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মরহুমের দৌহিত্র অধ্যাপক সেলিম জাহাঙ্গীর, মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক মসিউর রহমান, আবদুর রহমান, মাহবুল হক সুমন, সওকত হোসেন, আবদুস সালাম মাসুম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মো. নাছির প্রমুখ।

পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের উদ্বোধন

চসিক পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে শারদীয়া দুর্গাপূজার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন্

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, দুর্গতিনাশিনী দেবী দূর্গার মর্ত্যে আগমনী হয় অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভশক্তির জাগরণী বার্তা জানিয়ে। এই করোনাকালে দেবীর আরাধনা উৎসব বাহুল্যতায় নয়,অন্তর থেকে স্বাত্তিক পূজা নিবেদন করে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার  অপরাহ্নে জামালখান কুসুম কুমারী সি/ক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চসিক পূজা উদ্যাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয়া দুর্গাপূজার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক ধর্মাবলম্বীরা অন্তরে সৃষ্টিকর্তাকে ধারণ করেন। প্রত্যেক ধর্মেরই মর্মকথা শুদ্ধাচারী জীবনাচরণ এবং শান্তিই হচ্ছে মূলবাণী। আমরা যদি সত্য, সুন্দর, কল্যাণ, সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির পূজারী হতে পারি, তা হলে মানবতার জয়গানে পৃথিবী মুখরিত হবে এবং জগৎ সংসার থেকে সকল কালিমা মুছে যাবে। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত চট্টলবীর এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ১৯৯৫ সালে চসিকের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য সর্বপ্রথমবারের মত শারদীয়া দুর্গোৎসব উদযাপনের সূচনা করেন। এ ছাড়া তিনি একজন অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাজনীতিক এবং তিনি ধার্মিক কিন্তু ধর্মান্ধ নন। তিনি সিটি কর্পোরেশনে কর্মরত সকল ধর্মাবলম্বীদের জন্য ধর্মাচারণের পথ সুগম করে দিয়ে গেছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ধারণ করে। এ দেশে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান মিলে-মিশে এক সাথে বসবাস করে। ধর্মে ধর্মে এমন অতুলনীয় সহাবস্থান পৃথিবীতে বিরল। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থবিধি মেনে দুর্গোৎসব উদযাপনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্গোৎসব চলাকালে শান্তি ও সম্প্রীতির অনুকূল পরিবেশ রক্ষায় চসিক সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। তিনি প্রতিমা বিসর্জনের সময় কোন ধরনের উচ্ছৃংখলা যাতে না হয় সে ব্যাপারে সকলকে সর্তক করে দেন। চসিক পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কুসুম কুমারী সি/ক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা চম্পা মজুমদার, পরিষদের সহ-সভাপতি আশুতোষ দে, সাধারণ সম্পাদক রতন চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

আর পড়ুন:   বড় বরাদ্দের মেগা প্রকল্প জলাবদ্ধতা নিরসনের একমাত্র সমাধান নয়- সিটি মেয়র

মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুলের সভা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভা আজ  বৃহস্পতিবার দুপুরে টাইগারপাসস্থ প্রশাসকের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রশাসক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজ শাখার একাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়ায় মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডা.দীপু মণি ও শিক্ষা উপ মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি কলেজের জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণে শিক্ষা উপ মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ শাহেদুল কবির চৌধুরী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, স্কুল পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, সাদেক হোসেন পাপ্পু,শিক্ষক প্রতিনিধি সমরেন্দ্র নারায়ণ ধর, আবদুল হক ।

প্রশাসকের সাথে বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথিক ডক্টরস এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সৌজন্য সাক্ষাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথিক ডক্টরস এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক প্রশাসক দপ্তরে  এ সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. এ কে এম ফজলুল সিদ্দিকী, সহ-সভাপতি ডা. শওকত ইমরান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সাহিত্য চর্চা পরিষদের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, ডক্টর এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মনিরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয় সম্পাদক ডা. আলাহউদ্দিন ভূঁইয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ডা. অন্না রানী বিশ্বাস উর্মী, এস্টান ডা. সাইফুল ইসলাম, ইসলামীয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা মনিরুল হক মুন্না, হালিশহর থানা যুবলীগ নেতা আরিফুল রহমান মানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতকালে প্রশাসক বলেন, বর্তমানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার অনেক উন্নতি হয়েছে। এ করোনাকালেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার অবদান কোনো অংশে কম ছিল না। মানসম্মত চিকিৎসার দ্বারা এ চিকিৎসাকে আরো এগিয়ে নেয়া যাবে বলে আমি মনে করি। জনকল্যাণে এ চিকিৎসাসেবা নিয়ে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান প্রশাসক।

প্রশাসকের সাথে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত

চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদ্যাপন  উপলক্ষে  আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এর নেতৃবৃন্দ আজ বৃহস্পতিবার  বিকালে চসিক প্রশাসক দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতে প্রশাসক বলেন, করোনা মহামারিকালে পূর্বের ন্যায় জনসমাগম করা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এলাকায় আলাদা আলাদাভাবে মিলাদুন্নবী উদযাপন করার আহবান জানান প্রশাসক। নেতৃবৃন্দ চসিক ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করলে প্রশাসক চসিকের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্থ করেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত সময়ে মধ্যে এ আয়োজন শেষ করার নির্দেশনা দেন। তিনি আরো বলেন, যেহেতু  এবার হুজুর পাক এর কোনো প্রতিনিধি কেউ আসবেন না, সেহেতু কোনো র‌্যালী বের করা সমীচীন হবে না। এসময় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোজাম্মেল হক, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এর  সেক্রেটারী জেনারেল মো. আনোয়ার হোসেন, গাউসিয়া কমিটির চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ, এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার,মাহাবুব খান, সাদেক হোসেন পাপ্পু, মাওলনা আবদুল্লা ও মাওলানা হারুনুর রশিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।