৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

হিমাগার মালিক, কৃষক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে আলুর নতুন দাম নির্ধারণ করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। নতুন এ দর অনুযায়ী, হিমাগার পর্যায়ে আলুর দাম প্রতিকেজি ২৭ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে প্রতিকেজি ৩০ টাকা ও খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি ৩৫ টাকা।

এর আগে, মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী নিজ দফতরে সাংবাদিকদের জানান, আলুর দাম বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের স্বার্থেই প্রতিকেজি আলুর দাম ৩০ টাকার পরিবর্তে ৩৫ টাকা করা হবে।’

সম্প্রতি হঠাৎ আলুর বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে এই পণ্যটির দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। সেখানে খুচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা ও হিমাগার পর্যায়ে ২৩ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা এই দামে আলু বিক্রি করেননি। বেশি দামেই আলু বিক্রি করে আসছিলেন তারা। পরে কয়েক জায়গায় অভিযান শুরু হলে ব্যবসায়ীরা আলু বিক্রি বন্ধ করে দেন। দেশের কিছু কিছু জায়গায় বাজার থেকে আলু উধাও হয়ে যায়।

ব্যবসায়ী বলে আসছিলেন, তাদের বেশি দরে আলু কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। আর লোকসানের যুক্তি তুলে ধরে কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয় আলুর মূল্য পুননির্ধারণের। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী ও কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা দাবি করেন, আলুর এমন একটা যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা দরকার-যা থেকে কৃষক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা উপকৃত হতে পারে।

আলুর নতুন দাম ঘোষণার পর কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, এখন থেকে সরকার কঠোরভাবে বাজার ও হিমাগার পর্যায়ে মনিটরিং করবে। নতুন দাম মানা না হলে কৃষি বিপণন আইন ২০১৮-এর ধারা ১২ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার নতুন করে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। এখন কোনো ব্যবসায়ী এই দাম না মানলে আমরা তাদের পক্ষে দাঁড়াব না।