১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে অন্যায় বাঁধা বিপত্তি এলে তা কিছুতেই গ্রাহ্য হবে না। সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণ উদ্যোগকে ব্যর্থ করতে মহল বিশেষ রাজনৈতিক কুমতলব এবং অসৎ উদ্দেশ্যে নানান বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এমনকি পবিত্র ধর্মানুভূতিকে ইস্যু করা হচ্ছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি কখনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা অমর্যাদা করতে চাই না , করিও নি এবং করবোও না।

চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া ওলামেয়া একরামের সৌজন্য সাক্ষাত

তিনি আজ  বৃহস্পতিবার সকালে ষোলশহরস্থ আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া ট্রাস্টের সেক্রেটারী, জামেয়া আহমদিয়ার সুন্নীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও গাউছিয়া কমিটিসহ ওলামেয়া একরামের সাথে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাত কালে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন পাহাড়তলী  সরাইপাড়াস্থ  পি,সি রোডের সম্প্রসারণ ও সংস্কার করতে গিয়ে একটি মাজার ভেঙ্গে যে বির্তক উঠেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য ওলেমা একরামদের নিয়ে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। এই কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করবে এবং স্থানীয় পঞ্চাশোর্ধ ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানবে আদৌও এখানে কোন মাজার ছিল কিনা। এই কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই কমিটি শনিবার থেকে কাজ শুরু করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবেন। কমিটিতে আছেন কাজী মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, আল্লামা আশরাফুজ্জামান আলক্বাদেরী, এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন বখতেয়ার, আলহাজ্ব স.উ.ম আবদুস সামাদ,চসিক এর পক্ষে মাওলানা মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী ও চসিকের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী।এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, আনজুমানে রহমানিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এর সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ মহসিন, জেনারেল সেক্রেটারী  আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশএর চেয়ারম্যান সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব পেয়ার মুহাম্মদ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান, ফক্হি আল্লামা কাজী মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, মুফাসসির আল্লামা কাজী মুহাম্মদ ছালেকুর রহমান আলক্বাদেরী, মুহাদ্দিস আল্লামা আশরাফুজ্জামান আলক্বাদেরী,প্রভাষক মাওলানা গোলাম মোস্তফা মুহাম্মদ নুরুন্নবী, মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াছ আলক্বাদেরী, মুহাম্মদ আনিসুজ্জামান, মাওলানা আবুল আসাদ মুহাম্মদ জোবাইর রজভী, মাওলানা মুহাম্মদ জিয়াউল হক, মাওলানা মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ নঈমুল হক, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ এর যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেম এর যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব স.উ.ম আবদুস সামাদ ও চসিক মাদ্রাসা পরিদর্শক মাওলানা মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীসহ প্রমুখ । জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ প্রশাসক মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ হিসেবে নগরীর ধর্মীয় স্থাপনাগুলো বিশেষ করে মাজার,মসজিদ সংরক্ষণের আহবান জানান।তিনি ঈদে মিলাদুন্নবী স্বাস্থ্য বিধি মেনে পালনে সহযোগিতা কামনা করেন।

আর পড়ুন:   আবদুল্লাহ আল আহসান ঢাকা ব্যাংকের ভাইস- চেয়ারম্যান নির্বাচিত

চসিক প্রশাসকের সাথে বি আর টি এ’র ডিডি’র সৌজন্য সাক্ষাত

চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া ওলামেয়া একরামের সৌজন্য সাক্ষা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, যানজট  ও দুর্ঘটনার জন্য রাস্তায় চলাচলকারী ফিটনেসবিহীন গাড়িই দায়ী। তবে অদক্ষ চালক এবং সড়ক আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা দুর্ঘটনার অন্যতম একটি কারণ। আজ  বৃহস্পতিবার সকালে চসিক প্রশাসক দপ্তরে বি আর টি এ উপ-পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ এর সাথে সাক্ষাতকালে প্রশাসক এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন,রাস্তায় যত্রতত্র অলস গাড়ি পার্কিং এর জন্য যানজট সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন মোড়ে  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করে সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বি আর টি এ উপ-পরিচালকের প্রতি আহ্বান জানান। রাস্তায় চলাচলকারী পুরাতন গাড়ি মেরামত ও রং করে রাস্তায় নামানোর ব্যাপারে মালিকদের বাধ্য করার জন্যও ডিডিকে নির্দেশনা দেন। বি আর টি এ’র উপ-পরিচালক আঞ্চলিক পরিবহন কর্পোরেশনের (আরটিসি) সভায় চসিক প্রতিনিধির মাধ্যমে উপরোক্ত প্রস্তাবগুলো উপস্থাপনের জন্য প্রশাসকের প্রতি অনুরোধ জানান এবং তার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। এসময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস- ২০২০ উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, সঠিক নিয়মে কম করে ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত দিনে পাঁচটি বিশেষ সময়ে হাত ধোত করলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্খা থাকে না। তাই এটাকে নৈমিত্তিক অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। “সকলের হাত সুরক্ষিত থাক” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে টায়গারপাসস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২০ এর শুভ সূচনাকালে  এসব কথা বলেন। চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এলআইইউপিসি প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো. সারোয়ার হোসেন খাঁন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর প্রকৌশলী গো.গম মোর্শেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম,আর্থ সামাজিক ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ মো. হানিফ. টাউন পেডারেশনের চেয়ারপার্সন কোহিনুর আক্তারসহ চসিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও এলআইইউপিসির কর্মকর্তাগণ। তিনি আরো বলেন, নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের জন্য সহজ ও অত্যন্ত কার্যকরী উপায়।বিশ্বের অধিকাংশ শিশুর মৃত্যুর কারণ ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া। যদি সঠিক নিয়মে হাত পরিস্কার করা না হয় তাহলে ডায়রিয়া, আমাশয়,জন্ডিস,পেটের পীড়া ও কৃমিসহ বিভিন্ন রোগ হওয়ার আশংকা বাড়ে। খাবারের আগে,মল ত্যাগের পর,খাবার তৈরী ও পরিবেশনের আগে, শিশুকে খাওয়ানোর আগে এবং শিশুর মল পরিষ্কার ও শৌচ করানোর পর এ পাঁচটি বিশেষ সময়ে হাত ধোয়া অত্যাবশ্যক। ইউএনডিপির কারিগরি সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকার ও এফসিডিও এর আর্থিক সহযোগিতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় স্থাপিত ৩৭৪টি হাত ধোয়ার পয়েন্টগুলোতে ১ যোগে হাত ধোয়ার প্রদর্শন ও অনুশীলন করা হবে যেখানে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার প্রচারনায় অংশগ্রহণ করবেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে নগরীর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প ১৮টি ওয়ার্ডের দরিদ্র বসতি এলাকায় হাত ধোয়ার প্রতিযোগিতা, অনুশীলন ও টিপিটপ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

আর পড়ুন:   বিনা টিকিটে আইটি মেলা, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে উদ্বোধন