৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আজ বৃহস্পতিবার সকালে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার ও কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বলেন, প্রবারণার মূল প্রতিপাদ্য আত্মশুদ্ধি, শুভ, সত্য ও সুন্দরকে বরণ করে অসত্য ও অসুন্দরকে বর্জন করা। আমি কামনা করি মানুষের অন্তর থেকে সব মলিনতা দূর করে অহিংসা, সাম্য, মৈত্রী, প্রেম ও দয়া জাগ্রত হোক। এ সময় চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, রাজনৈতিক জামশেদুল আলম চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন, চসিক নির্বাহী প্রকৌশলী অসীম বড়ুয়া, জয়সেন বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান  অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, সমাজকল্যাণ সম্পাদক টিংকু বড়ুয়া, সচিভূষণ বড়ুয়া, সাধন বড়ুয়া, দীলিপ বড়ুয়া, স্বপন বড়ুয়া,সন্তু বড়ুয়া, সপু বড়ুয়া, জয়শান্ত বিকাশ বড়ুয়া, প্রকৌশলী পরিতোষ কুমার বড়ুয়া, শিক্ষক রূপায়ন বড়ুয়া, অধ্যক্ষ (অব:) দীপক কুমার তালুকদার, সিজার বড়ুয়া, উজ্জ্বল কান্তি বড়ুয়া, অমলেষ বড়ুয়া, রাজিব বড়ুয়া, প্রকৌশলী রাখাল বড়ুয়া, অভিনাশ বড়ুয়া, সুমন বড়ুয়া কমল, কাজল কান্তি বড়ুয়া, স্বদেশ কুসুম চৌধুরী, দিবাকর বড়ুয়া, সাধন চন্দ্র বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জনচলাচলের পথ থেকে পুর্নদখলদার মালামাল  জব্দ করা হবে

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোশেনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ফুটপাত ও জনচলাচলের পথ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলে আবারও একই জায়গা পুনঃদখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং স্থাপনাগুলো গুড়িয়ে দিয়ে মালামাল জব্দ করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে চসিক পরিচ্ছন্ন বিভাগ আগ্রাবাদ মোড়ে ফুটপাতের উপর থেকে হাজী বিরিয়ানী দোকানের বর্ধিত অংশটি উচ্ছেদ করার পরও আবার সেখানে ডেকসি ও খাদ্য সামগ্রীর পসরা বসানো হলে প্রশাসকের নির্দেশে চসিক ম্যাজিস্ট্রেট সেগুলো জব্দ করেন। জব্দকৃত একডেকসি বিরিয়ানী কদল মোবারক এতিম খানায় বিতরণ করা হয়।

নগরীতে আরো কয়েকটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ বিষয়ে ওয়াটার এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর বরাবরে  চসিক প্রশাসকের পত্র প্রেরণ

আর পড়ুন:   গ্রীনলাইন বাসের ধাক্কায় মাহেন্দ্রর ৫ যাত্রী নিহত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আরো কয়েকটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের বিষয়ে ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান বরাবরে একখানা পত্র প্রেরণ করেন। প্রশাসক পত্রে উল্লেখ করেন যে, নগরের সৌন্দর্যবর্ধন, পরিচ্ছন্নতা ও নান্দনিকতা বৃদ্ধির প্রয়াসে আপনার প্রতিষ্ঠান ওয়াটার এইড বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ÔWash 4 Urban Poor’’ প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র ও হতদরিদ্র কমিউনিটিতে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ও গোসলখানা নির্মাণ এবং ‘Improving Public Toilets to Serve Human Dignity and Better Public Health’ প্রকল্পের মাধ্যমে নান্দনিক পাবলিক টয়লেট স্থাপন করে নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় আপনার নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়। এছাড়াও কোভিড মহামারি প্রতিরোধে ‘Provision of Emergency Hand Washing Service to Help Poor Slum Dwellers in Bangladesh Fight Against COVID-19 in Chattogram City’ প্রকল্পের মাধ্যমে নগরীর হতদরিদ্র ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং পরিচ্ছন্ন কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কোভিড প্রতিরোধে সরকারের কর্মসূচীর সাথে সহায়ক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। এ ধরনের মানবিক ও নান্দনিক কর্মসূচীসমূহের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর পক্ষ থেকে আপনার ও আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

চট্টগ্রাম শহরে প্রতিদিন সন্নিহিত উপজেলা ও দূর-দূরান্ত থেকে প্রচুর মানুষ চিকিৎসা, ব্যবসা, অফিস-আদালতের জরুরি কাজ ও অন্যান্য প্রয়োজনে আগমন করে থাকেন। এ সকল অস্থায়ীভাবে অবস্থানকারীদের জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শৌচকার্য সম্পাদন নিশ্চিতে জোনভিত্তিক আরো বেশি পরিমাণে আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা প্রয়োজন। চসিক এর নিজস্ব আর্থিক ব্যবস্থাপনায় এ ধরণের শৌচাগার স্থাপন সম্ভব নয়। আপনার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্থাপিত পাবলিক টয়লেটসমূহ অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আমরা আরো কয়েকটি স্থান চিহ্নিত করেছি যেখানে পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হলে জনসাধারণের দৈনন্দিন ভোগান্তি লাঘবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। এ বিষয়ে আপনার ঐকান্তিক সুবিবেচনা প্রত্যাশা করছি।

আর পড়ুন:   বাংলাদেশ-ভারত বিমান চলাচল শুরু আজ  থেকে

এমতাবস্থায়, চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ ৭-৮টি পাবলিক জংশনে দৃষ্টিনন্দন পাবলিক টয়লেট স্থাপনে আপনার ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ ও আন্তরিক প্রচেষ্ঠা কামনা করছি। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

ইপিজেড এলাকায়  মাতৃসদন কাম জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনে কমিটি গঠন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইংরেজি তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব   আবদুল মান্নান এর বরাবরে চট্টগ্রাম ইপিজেড ও সন্নিহিত এলাকার বিশাল সংখ্যক কর্মজীবী ও মানুষের চিকিৎসার নিমিত্তে মাতৃসদন কাম জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে একটি ডিও পত্র প্রেরণ করেন। এরই প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার স্মারক নং  ৪৫.০০.০০০০.১৫৫.৯৯.০০৬.১৮-৭৮১ মূলে চট্টগ্রাম ইপিজেড এবং সন্নিহিত এলাকার নারী শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের চিকিৎসাজনিত ভোগান্তি হ্রাসকল্পে একটি মাতৃসদন কাম জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাছাই কল্পে সংশ্লিষ্ট এলাকার জরিপসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রণয়ন করার জন্য বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে নির্দেশনা দেন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক সে নির্দেশনার আলোকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে  ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন। উক্ত কমিটিতে  চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের অফিসের  উপ-পরিচালক ডা. মো. শফিকুল ইসলামকে সভাপতি, সদস্য সচিব চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বী ও সদস্য সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াজিদ চৌধুরীকে সদস্য করা হয়েছে। উক্ত কমিটিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকা জরিপকরতঃ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির বরাবরে প্রেরণের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।