৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভারতে উত্তরপ্রদেশের হাথরসের পথে গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাহুল গান্ধীকে। হাথরসে ধর্ষণের ঘটনায় নিহত হওয়া তরুণীর বাড়ি যেতে না দিয়ে রাহুলকে মাঝপথ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে তাকে গলাধাক্কা দেয়া হয়। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ধাক্কায় মাটিতে পড়েই যান কংগ্রেসের এই নেতা।

তবে পথের মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে রাহুলের তর্কাতর্কি শুরু হয়। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার রাহুলকে বলে, আপনি ১৪৪ ধারা ভাঙছেন। পাল্টা রাহুল বলেন, ১৪৪ ধারার অপব্যবহার করছেন আপনারা।

এ দিন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতা-নেত্রীদের প্রতিনিধি দলের একটি কনভয় হাথরসের পথে রওনা হয়। মাঝপথে তাদের প্রথমে আটকে দেয়া হয়। কিন্তু নাছোড় রাহুল-প্রিয়াঙ্কাও। তারা স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হেঁটেই রওনা দেন হাথরসের দিকে। রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরীও। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ হাইওয়ের উপরেই তাদের কনভয় আটকে দেয়া হয়।

আগে থেকেই রাহুল-প্রিয়াঙ্কা ঘোষণা করেছিলেন হাথরসে যাওয়ার কথা। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার ১৪৪ ধারা জারি করে যোগী সরকার। তাতেও কর্মসূচি বাতিল করেননি কংগ্রেস নেতা-নেত্রীরা। রাহুল-প্রিয়াঙ্কার কনভয় গ্রেটার নয়ডায় আসতেই আটকে দেয়া হয়। সেখানে গাড়ি থেকে নেমে উত্তরপ্রদেশ-দিল্লি হাইওয়ে ধরে হাঁটতে শুরু করেছেন তারা। রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে যেখানে আটকানো হয়েছে, সেখান থেকে হাথরসের দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার। সেখান থেকে কিছু দূরে এগনোর পরেই রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটকায় পুলিশ। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। রাহুলকে গলাধাক্কা দিতেও দেখা যায় পুলিশ। পরে গ্রেপ্তার করা হয় কংগ্রেস সাংসদকে।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অজুহাত, কোভিডের কারণেই রাজ্যে নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। সেই কারণেই রাহুল-প্রিয়াঙ্কার কনভয় আটকানো হয়েছে। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে প্রবেশের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছিল। সেই নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। তার দাবি, রাজ্য বহু পুলিশকর্মী করোনা আক্রান্ত।