৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, ক্যারাভান দখলবাজ এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্প্রসারনে বাঁধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে এক কঠিনবার্তা। অবৈধ দখলদার যতই ক্ষমতাবান কিংবা প্রভাবশালী হোক না কেন কাউকে তিল পরিমাণ ছাড় দেয়া হবে না। তাদের সকল অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হবে।

নগর সেবায় ক্যারাভান কর্মসূচীতে চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ (৩০সেপ্টেম্বর অপরাহ্নে নগরীর ২নম্বর গেট থেকে বায়েজিদ হয়ে অক্সিজেন মোড় পর্যন্ত নগরসেবায় ক্যারাভান কার্যক্রম চলাকালে বিভিন্ন স্থানে তিনি নগরবাসীর উদ্দেশ্যে একথা বলেন। এছাড়া যাত্রাপথে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখে সাথে সাথে সমাধান করার নির্দেশনা প্রদান করেন। ২নম্বর গেট থেকে অক্সিজেন মোড় পর্যন্ত অবৈধ মাদক বেচা-কেনার আস্তানাগুলোতে সাড়াশী অভিযান চালানোর জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে। এই সব মাদকের আস্তানাগুলো সন্ত্রাস ও অনাচারের উৎপত্তি স্থল। তিনি অক্সিজেন মোড়ে যানজট ও জলাবদ্ধতাজনিত বিদ্যমান সমস্যাগুলো সম্পর্কে বলেন, এই সমস্যা অনেক পুরানো। এগুলোর সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এজন্য ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা যাতে যুগোপযোগী করা যায় সেই লক্ষ্যে আমাদের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করতে হবে। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র আন্তরিকতায় প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে যেগুলো দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে, উক্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে নগরবাসী জলজট থেকে মুক্তি পাবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। জলাবদ্ধতা নিরসনে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে তিনি বলেন, পানি নিস্কাশন পথগুলো যারা বন্ধ করে রেখেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। ফুটপাতের উপর নির্মাণ সামগ্রী থাকলে সেগুলো বাজেয়াপ্ত করা হবে। ফুটপাত জনগনের হাটা চলার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এখানে কোনো ধরণের প্রতিবন্ধকতা বরদাশত করা হবে না। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় তরঙ্গের আভাষ স্মরণ করিয়ে দিলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বাইরে মাস্ক ছাড়া কোনভাবেই চলাফেরা করা যাবে না। মনে রাখতে হবে করোনাকালের ইতি ঘটেনি। যতদিন ভ্যাকসিন আবিস্কৃত হবে না ততদিন আমরা বলতে পারিনা এ ভাইরাস থেকে মুক্তি পেয়েছি। প্রশাসক চলতি পথে জমে থাকা পানি, ময়লা আবর্জনা ও ভাঙ্গাচোড়া রাস্তা তাৎক্ষণিক সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। এসময় তিনি স্থানীয় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করে বলেন, যেহেতু এখন রাস্তা সংস্কারের কাজ চলমান সেহেতু আপনারা ধৈর্য্য ধারন করুন। যেখানে অনিয়ম কিংবা দুর্নীতি দেখবেন আমাকে অবগত করুন। তিনি অবৈধ গাড়ী পার্কিং দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং রাস্তায় কোনো অলস গাড়ী পার্কিং থাকবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। তিনি এলাকাবাসীকেও ক্যারাভানে শরীক হওয়ার আহবান জানান এবং সকল প্রকার অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান। ক্যারাভান চলাকালীন চসিক প্রশাসকের আহবানে সাড়া দিয়ে যারা স্বউদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলেছেন তাদেরকেও ধন্যবাদ জানান তিনি। এছাড়া কর্মসূচীতে উপস্থিত র‌্যাব, পুলিশ, সংবাদকর্মী, চসিক’র প্রকৌশল, বিদ্যুৎ, পরিচ্ছন্নসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এসময় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসকের সাথে প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয় সভা

প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখছেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এর প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, প্রকৌশলীরা হলেন উন্নয়নের চালিকা শক্তি। তিনি প্রকৌশলীদের স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সহিত দ্রুত গতিতে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন। আজ দুপুরে বুধবার টাইগারপাসস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে প্রকৌশলীদের সাথে সমন্বয় বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। তিনি আরো বলেন, পোর্ট কানেক্টিং রোডের কাজ আগামী ৫অক্টোবরের মধ্যে সন্তোষজনক পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে।তিনি স্ট্যান্ড রোডের কাজ দ্রুত গতিতে করার নির্দেশ দেন। প্রশাসক বলেন, কাজ করতে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারি আহত হলে দ্রুত চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমেদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম,অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক  তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সালেহ, মনিরুল হুদা,কামরুল ইসলাম, সুদিপ বসাক,নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, ফরহাদুল আলম,বিপ্লব দাশ,অসীম বড়ুয়া, মীর্জা ফজলুল কাদেরসহ অন্যান্য প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও বলেন টিজিতে নিয়মিত গাড়ি সরবরাহের বিষয়ে কোনো অজুহাত গ্রহনযোগ্য হবেনা। প্রশাসক নালা নর্দমা ও ফুটপাতের ওপর অবৈধ স্থায়ী স্থাপনা এবং বিনা অনুমতিতে সেবা নির্মাণকারীদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেন। তিনি আরও বলেন সিটি গেট হলো চট্টগ্রামের প্রবেশ দ্বার।  এই গেটের সৌন্দর্য রক্ষার্থে দ্রুত রং কাজ ও লাইটিং এর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য কালার লাইটিং এর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

আর পড়ুন:   এইচএসসি ও সমমানের ফল- ১৬১৮০৭ শিক্ষার্থী পেলেন জিপিএ-৫

৪ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে চসিকের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সেলিম আকতার চৌধুরী

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী জানান, পুষ্টি বাস্তবায়ন সমন্বয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নগরীতে ৪ অক্টোবর থেকে ১৭অক্টোবর পক্ষকালব্যাপী  ইপিআই কেন্দ্রে সমূহে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এইসময় বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বহুমুখি সেবা ও কার্যক্রম পালন করে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।  চসিক মেমন হাসপাতালে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুধুমাত্র অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে তা-ই নয়, ভিটামিন এ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। বাংলাদেশে ভিটামিন এ এর অভাবজণিত সমস্যা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে জাতীয় পুস্টিসেবা,জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান বছরে ২ বার করে জাতীয় ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন করে থাকে। তারই আলোকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে এই  পুষ্টিসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তিনি  এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে ব্যক্ত করে বলেন, ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ভিটামিন এ এর অভাবজণিত রাতকানা রোগের প্রাদুর্ভাব ১ শতাংশের নিচে কমিয়ে আনা এবং তা অব্যাহত রাখা। একই বয়সী শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপুষ্টিজণিত মৃত্যু প্রতিরোধ করা। তিনি এই কার্যক্রমের লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে বলেন, ৯০ শতাংশের বেশি শিশু যাদের বয়স ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস প্রতি ৬ মাস অন্তর বছরে ২ বার লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল পাবে। ৯০ শতাংশের বেশি শিশু যাদের বয়স ৬-১১ মাস প্রতি ৬ মাস অন্তর বছরে একবার নীল এ ক্যাপসুল পাবে। তিনি আরো জানান ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লক্ষ ৫২ হাজার শিশুকে ১টি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল(২ লক্ষ ইউনিট) খাওয়ানো হবে। এবং শিশুকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।  এছাড়া শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি পরিমাণমতো সুষম খাবার খাওয়াতে উদ্বুদ্ধ করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, জোনাল মেডিক্যাল অফিসার ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী, ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. জুয়েল মহাজন, ডা. আকিল মো. নাফে, ডা. সুমন তালুকদার, চসিক কর্মকর্তা আবদুর রহিম প্রমুখ। গত ১১ জানুয়ারি জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৭৭ হাজার ২৩৭ জনকে নীল ও ৪ লাখ ৪১ হাজার ৬৮৬ জনকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল,  অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৮ দশমিক ৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরো জানান জানান, আগামী রবিবার (৪ অক্টোবর) চসিকের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

আর পড়ুন:   করোনায় চট্টগ্রামে আজ ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৬

চসিক প্রশাসকের নির্দেশনায় প্রাণ ফিরে পেল স্মৃতি ২৪ চত্বর

“অযত্ন অবহেলায় পড়ে আছে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার লালদিঘি ময়দানের সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত ২৪ জন নেতাকর্মীসহ নাম না জানা গণতন্ত্রকামী বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ” শিরোনামে চট্টগ্রাম আদালত সড়কের স্মৃতি ২৪ চত্বর একটি ক্যাপশন ছবি গতকাল দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকার শরীফ চৌধুরী তুলে ধরেন। বিষটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের দৃষ্টি আকর্ষণ হলে তিনি তাৎক্ষণিক চসিক পরিচ্ছন্ন বিভাগকে এটি পরিস্কার পরিচ্ছন্নর জন্য নির্দেশনা দেন- যা আজকেই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে দৃষ্টি নন্দন করে তোলা হয়। এ প্রসঙ্গে প্রশাসক পূর্বকোণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সংবাদ মাধ্যম   জনগণের কথা বলে। নগরীর আনাচে-কানাচে যে কোনো অসঙ্গতি যেমন তুলে ধরবেন তেমনিভাবে  ভাল কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরাও সংবাদ মাধ্যমের কাজ। এসব কাজ আমাকে অনুপ্রাণিত করে। তাই আপনারা উপস্থাপন করুন আমি নগর সেবক হিসেবে সেবা করার চেষ্টা করবো।

চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস  এর নেতৃত্বে আজ চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে নগরীর সদরঘাট থানাধীন মাদারবাড়ী নেওয়াজ হোটেলের মোড় সংলগ্ন সিটি কর্পোরেশনের মার্কেটের সামনে অবৈধভাবে স্তুপকৃত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল অপসারণ করা হয়। এসময় ছয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয় ও ডিটি রোডের উভয় পার্শ্বের রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত একটি ট্রান্সপোর্ট অফিসসহ ১০টি দোকান ও দোকনের বর্ধিত অংশ অপসারণ করা হয়। একই অভিযানে জুবলী রোডস্থ শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের অভ্যন্তরে দোকানের সামনের করিডোর দখল করে পণ্যসামগ্রী স্তুপ করে চলাচলের পথ সংকুচিত করার দায়ে মার্কেটের ২৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪৭,০০০/- টাকা সহ সর্বমোট ৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের  সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন  পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা প্রদান করেন।