৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, নগরবাসীর কর দিয়েই শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতাসহ নানাবিধ সেবা দান করে যাচ্ছে। যারা কর দিচ্ছেন তারা সম্মানিত সজ্জন। কর আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো জবরদস্তি করার নিয়ম নেই। আমি বিশ্বাস করি সাধারণ নাগরিকরা কর দিতে আগ্রহী, কিন্তু অতিরিক্ত সুবিধাভোগীরা কর দিতে চান না এবং কর ফাঁকির জন্য ফন্দি-ফিকির করেন। তিনি আজ সোমাবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ২২ মহল্লা সর্দ্দার কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ সর্দ্দারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আইনানুগ ভাবেই কর আরোপ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত করের বোঝা বাড়াতে চাই না। মূল উদ্দেশ্য সেবা প্রদান করা। তবে যৌক্তিক কর ছাড়াতো সিটি কর্পোরেশন চলতে পারে না। কারণ কর ছাড়া সিটি কর্পোরেশনের আয়ের বড় কোনো উৎস নেই। এ প্রসঙ্গে বলেন, পূর্ব ঘোষণাকৃত ১২ অক্টোবরের মধ্যে কর পরিশোধ করা হলে সারচার্জ মওকুফ করা হবে। তিনি এ সুযোগটি গ্রহণ করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। কর আদায় কালে রাজস্ব বিভাগের কেউ যেন কোনোভাবে খারাপ আচরণ না করেন সে ব্যাপারে সর্তক করে দিয়ে বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি নগরীর উদ্দেশ্য বলেন, চসিকের কাছ থেকে সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বা কোন ধরনের সমস্যার সম্মূখিন হলে এ ব্যাপারে সরাসরি আমাকে জানান। আমি এ ব্যাপারে সাথে সাথে পদক্ষেপ নেবো। আপনাদের সেবা প্রদানের মুখিয়ে আছি। ২২ মহল্লা সর্দ্দার কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ সর্দ্দার বলেন, সাধারণ জনগণ কর দিতে কখনো তালবাহানা করেন না। যারা একই হোল্ডিং-এ বহুমাত্রিক সুবিধা ভোগ করেন তারাই কর দিতে চায় না। তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হোক। তিনি প্রশাসক হিসেবে মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, কারো ভাল কাজকে অবশ্য স্বাগত জানানো নাগরিক কর্তব্য। প্রশাসক ২২ মহল্লা সর্দ্দার কমিটির সভাপতি অসুস্থ মোহাম্মদ ইউসুফ সর্দ্দারের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। এ সময় কাউন্সিল পদপ্রার্থী আব্দুস সালাম মাসুম,  রাজনীতিক মো ইলিয়াস, সোহেল রানা, সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুদ্দীন আহমেদ, শওকত ওসমান মুন্না, এনামুল হক  মিলন, নাছির  উদ্দিন, রফিকুল মান্নান জুয়েল উপস্থিত ছিলেন।

পরে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বহদ্দারহাট কাঁচা-বাজার পরিদর্শন করেন। তিনি বাজার কমিটিকে বাজারের পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশ সুরক্ষার নির্দেশ দেন। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সু-সম্পর্কের উপরও তিনি গুরুত্ব দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী, বহদ্দারহাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী মো. জানে আলম, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. বদিউল আলম, দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তসকির আহমদসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের হাতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর গৌতম বুদ্ধ দাশ তাঁর প্রতিষ্ঠানের পক্ষে থেকে বকেয়া ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮ শত ৫৬ টাকা হোল্ডিং করের চেক হস্তান্তর করেন। এসময় রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলেন ।

কোভিড-১৯ সংরক্ষন সুরক্ষা বিষয়ক দু’দিন ব্যাপী কর্মশালা

কোভিড-১৯ সংরক্ষণ সুরক্ষা বিষয়ক দু’দিন ব্যাপী কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, করোনাকালের ব্যপ্তি আপাতত প্রকট না হলেও এর পরিপূর্ণ পরিসমাপ্তি ঘটেনি, বরং দ্বিতীয় ঢেউয়ের আভাষ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অক্টোবর মাসেই ধাক্কা আসতে পারে। তাই পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এখন থেকে শুরু করতে চাই। আজ সোমবার সকালে চসিক জেনারেল হাসপাতালে আইইডিসিআর-এর উদ্যোগে আয়োজিত কোভিড-১৯ সংরক্ষন সুরক্ষা বিষয়ক দু’দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, চসিক করোনা প্রাদুর্ভাবের তীব্র প্রতিহত করতে নগরীতে বেশ ভালভাবেই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। কোভিড-১৯ মানুষ থেকে অন্য মানুষকে ছড়ায়। তাই সামাজিক দূরত্বই হলো প্রাথমিক প্রতিরোধ। এ জন্য কন্ট্রাক ট্রেসিংয়ের দরকার হয়। এ ভাবে সংক্রমনের হার নিম্নমুখী করা সম্ভব। আমরা কোয়ারেন্টাইনকে সংক্রমণপূর্ব পর্ব হিসেবে দেখি এবং আইসোলেশন হচ্ছে সংক্রমিত পর্ব। এ পর্বের প্রস্তুতি সম্পন্ন করাটাই হলো আসল কাজ। এ কাজটিই সম্পাদন করা মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, আগামী মাসে ৩ বা ৪ তারিখ থেকেই সপ্তাহব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু হবে এবং ১৬ অক্টোবর থেকে স্বাস্থ্যবিধি যাতে কোনোভাবে লঙ্ঘিত না হয় সে উদ্দেশ্যে সরাসরি অভিযান শুরু হবে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী চট্টগ্রামে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা অপ্রতুল। স্বাস্থ্য অবকাঠামো মানে শুধুমাত্র ভবন নয়, এতে যদি আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, ল্যাব, ডাক্তার, গবেষক ও প্রয়োজনীয় লোকবল না থাকে তা হলে পরিপূর্ণতা থাকে না। তিনি উল্লেখ করেন, ঘন জনবসতি ইপিজেড এলাকায় ৬০/৭০ জন মা গর্ভবতী থাকেন। এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ মাতৃসদন হাসপাতাল থাকা দরকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগে সেনিটারী ইন্সপেক্টর কোন এলাকায় যাবেন বলে শুনলে মানুষ তটস্থ থাকতেন। ঘর-বাড়ি-দোকান-হোটেল রেঁস্তোরা সাফ-সুরত রাখতেন। ভেজালের ব্যাপারেও সচেতন থাকতেন। কিন্তু বর্তমানে নেই ।তাই সিটি কর্পোরেশনে সেনিটারী ইন্সপেকশন সিস্টেম চালুর চিন্তা-ভাবনা রয়েছে। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. শাহারিয়ার কবির ও চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী। এতে উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, মেডিকেল অফিসার ডা. ছরওয়ার আলম, আইইডিসিআর-এর ডা. মোহাম্মদ ওমর কাইয়ুম, ডা. সাবিজা ইয়াছমিন প্রমুখ।

আর পড়ুন:   সীতাকুণ্ডে দু’টিবাড়িতে ডাকাতি, গণপিটুনিতে এক ডাকাত নিহত

RFPC চসিক এলাকায় কুকুর, বিড়াল ও পোষা প্রাণীদের টিকাদান কার্যক্রমের বিষয়ে সাক্ষাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুর বিড়াল  ও অন্যান্য প্রাণীদের স্বার্থ রক্ষার্থে  সোসাইটি অব রাইজ ফর পাওস এন্ড ক্লস ((RFPC)  )  যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে তাদের এই মানবিকতার কাজের প্রশংসা করে বলেন, মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ব থাকাটা আবশ্যক। মানবিকতা ও মনুষ্যত্ব এ দুটির সমন্বয়ে  একজন মানুষের  সত্যিকার আচরণ প্রতিফলিত হয়। তিনি আজ  সোমবার সকালে প্রশাসক দপ্তরে সোসাইটি অব রাইজ ফর পাওস এন্ড ক্লস এর কর্মকর্তাবৃন্দ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কুকুর, বিড়াল ও অন্যান্য পোষা প্রাণীদের টিকা প্রদান কার্যক্রমের জন্য সৌজন্য সাক্ষাতকালে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, কুকুর বিড়াল কে হত্যা করা একটি  অমানবিক কাজ ও অপরাধ। পশু পাখির প্রতি ভালোবাসা থাকাই  শ্রেয়। আমি প্রকৌশলীদের নগরীর রাস্তার মোড়ে মোড়ে ও মিড আইলেন্ডে পশুপাখিরা যাতে পানি খেতে পারে তার ব্যবস্থা এবং ফিডিং স্থাপন করে তৃষ্ণার্ত মানুষের জন্য ও নগরীর ২০ থেকে ৩০ টি স্থানে সুপেয় পানি পান করার স্পট নির্ধারণ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। মানুষ ও প্রাণীদের প্রতি সদয় হওয়ার  আহবান জানান প্রশাসক। RFPC   এর নেতৃবৃন্দ কুকুরের বন্ধ্যাত্ব টিকা দান ও চিকিৎসা সম্পর্কে প্রশাসককে অবহিত করেন এবং এ কাজ করতে গিয়ে তারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এজন্য প্রশাসকের নিকট সহযোগিতা কামনা করেছেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর গৌতম বুদ্ধ দাশ। প্রশাসক চসিকের পক্ষ থেকে সকল ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, সোসাইটি অব রাইজ ফর পাওস এন্ড ক্লস এর প্রতিষ্ঠাতা তৃষা ভট্টাচার্য্য, ইয়ানা হক, উষা আচার্যী, জুবায়েত, এ বি ডি রাব্বী, সায়েদ মুর্তজা ইকবাল, নওশের আলী খান, সাইয়েদ সওকত হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চসিকের পরিচ্ছন্ন সেবকদের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের নিকট রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং ডাউনটাউনের পক্ষ থেকে ৭শত পিস কটম মাক্স প্রদান করা হয়। এ সময় চসিক সচিব আবু সাহেদ চৌধুরী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, রোটারি ক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান দিদারুল আলম, সহ-সভাপতি রোটারিয়ান আবুল কালাম আজাদ, সচিব রোটারিয়ান ফরহাদুল ইসলাম, রোটার‌্যাক্টর পিপি এরশাদ উল্লাহ বাবলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আর পড়ুন:   পদ্মাসেতু ঘিরে শুরু বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের কাজ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে চসিকের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা পৃথিবীর অবাক বিস্ময় এবং সৃজনশীল ধরিত্রী জননী। মৃত্যু ভয়কে বার বার জয় করে পিতার মতই হিমালয়সম উচ্চতায় আসীন হয়েছেন। তিনি উন্নয়নের বাতিঘর এবং নব নব সৃষ্টির কারিগর। তাঁর জন্মই বাঙালির আজন্মের পূণ্য। আজ সোমবার বিকেলে টাইগারপাসস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মদিনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পূর্ব শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি একথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে উঠে ছাত্র নেত্রীত্বে সক্রিয় থাকলেও তিনি কখনো ভাবেননি দল ও জাতির কাণ্ডারী হবেন। কিন্তু পরিস্থিতি তাঁকে বাধ্য করেছে পিতৃ হত্যার বিচার  এবং পিতার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণের জন্য। তাই তিনি সফলই শুধু হননি, জীবদ্দশায় শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতির মুকুট মাথায় নিয়ে কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছেন। তাঁর প্রতি অশেষ দোয়া বর্ষিত হোক, কেননা পৃথিবীর সকল দুঃখী মানুষ তাঁর পানে চেয়ে আছে। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোজাম্মেল হক, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান পরিকল্পনাবিদ এ.কে.এম রেজাউল করিম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, উপসচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, এস্টেট অফিসার মো কামরুল ইসলাম চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলুন কুমার দাশ, সহকারী সচিব নজরুল ইসলাম,সিবিএ সভাপতি ফরিদ আহমদ সহ চসিকের বিভিন্ন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী।

বিপ্লব উদ্যানে চুক্তির শর্ত বর্হিভুতভাবে নির্মিত অতিরিক্ত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে আজ সকাল থেকে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে নগরীর ষোলশহর ২নম্বর গেট সংলগ্ন বিপ্লব উদ্যানে চুক্তির শর্ত বর্হিভুতভাবে নির্মিত অতিরিক্ত বসার আসনগুলো অপসারণ করা হয়। একই অভিযানে এম এম আলী রোড ও মেহেদীবাগ রোডে রাস্তার উভয় পার্শ্বের ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে বসা প্রায় ২০টি দোকানের মালামাল অপসারণ ও বর্ধিত অংশ উচ্ছেদ করা হয়। এসময় অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে দোকানের পণ্য সামগ্রী রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি অপরাধে ৮ ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানকে আট হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের  প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা  মুফিদুল আলম উপস্থিত ছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা প্রদান করেন।

শিল্পপতি হাসান মাহমুদ চৌধুরীর মৃত্যুতে চসিক প্রশাসকের শোক

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও কাশেম-নুর ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান শিল্পপতি হাসান মাহমুদ চৌধুরীর মৃত্যুতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জানান। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, প্রয়াত হাসান মাহমুদ চৌধুরী একজন দানশীল সমাজ হিতৈষী হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সিডিএ আবাসিক এলাকার সভাপতি হিসেবে তিনি বহু উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।