৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, বর্তমান সরকারের একের পর এক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নতি লাভ করেছে। দেশের প্রত্যন্ত এলাকাতেও পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে যে কোনো পন্য-সামগ্রী সহজে দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সহজে স্থানান্তর করা যায়। নগরায়নের সাথে পাল্লা দিয়ে শহরে যন্ত্রচালিত যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবহন খরচ তুলনামূলকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এরই মধ্যে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বেশ কিছু প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে। অন্য প্রকল্পগুলোর কাজ চলমান।

বিআরটিসির বাসসার্ভিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ সোমবার(২১সেপ্টেম্বর)  বিকেলে সিইপিজেড শাহেনশাহ টাওয়ার চত্বরে বিআরটিসি এসি/ননএসি স্পেশাল সিটি বাস সার্ভিসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, নগরবাসীর অনেকদিনের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা ছিল কাটগড় থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালুর। বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে উপলব্ধি করে গণপরিবহণের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ লাঘবে কিছুদিন পূর্বে সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার প্রেরণ করি। একই সাথে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি আলাপ করে বিষয়টি তুলে ধরলে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আমার আহবানে সাড়া দিয়ে অতি অল্প সময়ের মধ্যে নগরীর গণপরিবহনের স্বল্পতা দূরীকরণে ১৮টি ডাবল ডেকার ও ৪টি এসি বাস প্রদান করেন। এজন্য আমি মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও বিআরটিসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই। আজকের এইদিনে যেন আমারই চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণতা পেয়েছে। তেমনি আমি আশা করি নগরবাসীও এর সুফল ভোগ করবেন। প্রশাসক বলেন, বিআরটিসির বাস একটি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি। এর সঠিক সেবা প্রাপ্তি প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার। এই অধিকার প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত ঘটলে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করুন। এজন্য তিনি প্রত্যেক বাসে বিআরটিসি’র সেবা নম্বর ও আইনশৃংখলা বাহিনীর নম্বর সংযোজনের জন্য নির্দেশনা দেন।

বিআরটিসির বাসসার্ভিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, প্রত্যেক বাসে একটি করে অভিযোগ বাক্স রাখতে হবে যাত্রীগণ যে কোনো অভিযোগ এ বাক্সে ড্রপ করতে পারবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে কিছু কিছু জায়গায় গণপরিবহনে মহিলাদের শ্লীলতাহানী ও ইভটিজিং এর ঘটনা ঘটছে-যা অত্যন্ত দু:খজনক ও সামাজিক অবক্ষয়ের সামিল। তাই বাসে যাতে কোনো নারী ইভটিজিং এর শিকার না হয় সেজন্য প্রত্যেক যাত্রীসাধারণকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে একজন নারী কোনো না কোনোভাবে আমাদের আমানত। প্রশাসক এহেন কোনো সমস্যা বা বিব্রতকর পরিস্থিতির জন্য সরাসরি তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত যাত্রীসাধারণ প্রশাসক বরাবরে সরাসরি অভিযোগ জানান যে, বিআরটিসি’র বাস নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাবার পূর্বে মাঝ পথে যাত্রীদের নামিয়ে দেন এবং সিট ক্যাপাসিটির বাইরে যাত্রী পরিবহন করে থাকেন। এসময় প্রশাসক সাফ জানিয়ে দেন মাঝপথে যাত্রী নামানো যাবে না এবং সিট ক্যাপাসিটির বাইরে যাত্রীও পরিবহন করা যাবে না। এর ব্যত্যয় ঘটলে বাস চালককে তাৎক্ষণিক বাস থেকে নামিয়ে দেয়া হবে। এবিষয়ে উপস্থিত বিআরটিসি’র কর্মকর্তারাও একমত পোষণ করেন। প্রশাসক বলেন অতীত ও বর্তমানের পার্থক্য বিবেচনা করলে বাংলাদেশের  উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। যে গতিতে বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে তাতে ধারণা করা যায় যে, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ উন্নত-পরিবহন ব্যবস্থার দেশে পরিণত হবে। তিনি যাত্রী সাধারণকেও রাষ্ট্রের সম্পত্তি এ বাসগুলোকে যত্নসহকারে ব্যবহার করার অনুরোধ জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিসি বন্দর পঙ্কজ বড়ুয়া, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন। এছাড়া বিআরটিসির মাসুদ তালুকদার, মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন, সিইপিজেড থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উৎপল বড়ুয়া, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ৩৯নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ সুলতান নাসির উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, আবদুর রহমান মিয়া, আজাদ খান অভি, স্বপন সিংহ, মুনতাসির জামিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আর পড়ুন:   নরসিংদীতে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের ৪জন

চসিক প্রশাসকের সাথে সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন এর জিওসি’র বৈঠক

সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন এর জিওসি’র সাথে বৈঠক করছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাড়ে ৬হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে যে মেগাপ্রকল্প দিয়েছেন তা যেন সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হয়। সেজন্য মানুষের আস্থাশীল দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর উপর তিনি এ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। আমি মনে করি দায়িত্বপ্রাপ্তরা এই প্রকল্প বাস্তবায়নে তাদের শতভাগ ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। তিনি  বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বাস্তবক্ষেত্রে কিছু কিছু সমস্যার সম্মুখিন হতে হচ্ছে। আমি মনে করি এ সমস্যা সমাধানে চসিকের লোকবল ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নগরীর সকল সেবা সংস্থার সাথে সমন্বয়পূর্বক এ কাজ সম্পাদন করা সম্ভব। প্রশাসক বলেন, নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে এবং শৃংখলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা  অনস্বীকার্য। নগরীতে সৌন্দর্য বর্ধনে  এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতার কামনা করেন প্রশাসক। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী এযাবতকালে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে কর্মযজ্ঞ করেছে তার সুফল ইতোমধ্যে নগরবাসী পেতে শুরু করেছে। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন প্রশাসক। এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চট্টগ্রাম নগরীতে যে উন্নয়ন কাজ করছে এতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে চসিক। আজ সোমবার সকালে  বায়েজিদস্থ চট্টগ্রাম সেনানিবাস এর সদর দপ্তরে মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান ওএসপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি. জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম’র সাথে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় চসিক  প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমেদ, পিএসসি  উপস্থিত ছিলেন।

জননেতা এম.এ.মান্নানের  মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে  খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল

জননেতা এম.এ.মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু’র স্নেহধন্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বি.এল.এফ’র পূর্বাঞ্চলীয়  জোনের উপ-অধিনায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী জননেতা এম.এ.মান্নানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দামপাড়া মসজিদে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এম.এ মান্নানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোশেনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। পরে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় কবর জেয়ারত ও মোনাজাত করেন। এসময় এম.এ. মান্নানের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে প্রশাসক বলেন, জননেতা এম.এ. মান্নান আদর্শ ও ত্যাগের প্রতীক। তিনি আজীবন সত্যের সন্ধানী ও পরোপকারী ছিলেন। চট্টল দরদী, কর্মবান্ধব-আপোষহীন, নির্লোভ এ মানুষটি ছিলেন কিংবদন্তিতুল্য জননেতা। বাষট্টি’র শিক্ষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ এ দেশের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে অন্যতম দিকনির্দেশনাকারী হিসেবে যে ভূমিকা পালন করে গেছেন তা সবার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সর্বোপরি স্বচ্ছ-পরিস্কার রাজনীতির ক্ষেত্রে এবং ত্যাগী নেতা হিসেবে তিনি গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে সবার কাছে অনুকরণীয় ছিলেন। অন্যদিকে জহুর আহমদ চৌধুরী ও এম.এ আজিজ, এম. এ হান্নান এর পর চট্টগ্রামের রাজনীতিতে তিনি উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। তার পথ অনুসরণ করে দেশ সেবায় এগিয়ে এলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, শ্রমিক নেতা শফি বাঙালি, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওর্য়াড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর, এম.এ. মান্নানের পুত্র ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক দিদারুল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান বাচ্চু,চসিক মাদ্রাসা পরিদর্শক মাওলানা হারুন উর রশীদসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাএলীগ নেতৃবৃন্দ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আলাদি জমাদার ওয়াকফ এস্টেট জামে মসজিদের হাফেজ মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

আর পড়ুন:   বিদায় ২০১৯ সাল, স্বাগতম ২০২০

১৫ অক্টোবরের পর ট্রেড লাইসেন্স বিহীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সীলগালা করা হবে

পরিবহন ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

ট্রেড লাইসেন্সবিহীন এ শহর ব্যবহার করে কেউ ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না বলে হুশিয়ারী করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। তিনি বলেন, এই শহরে ব্যবসা করতে হলে সরকারি নিয়মানুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স থাকা আবশ্যক। অন্যথায় পরিকল্পিত নগরায়নের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। আজ দুপুরে চসিক প্রশাসক দপ্তরে পরিবহন ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রশাসক এসব কথাগুলো বলেছেন। তিনি আরো বলেন, সমগ্র বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম  ব্যবসার প্রাণ কেন্দ্র। এখানে যুগে যুগে বিদেশী বণিকেরা ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য ও নদীমাতৃক বন্দরের কারণে চট্টগ্রাম ব্যবসার উর্বর ভূমি। কালবিবর্তনে এখানে ব্যবসার ধরন ও নিয়মনীতির পরিবর্তন হয়েছে। নগরীতে বেড়েছে জনসংখ্যা। তাই যুগ ও পরিবেশের সাথে তালমিলিয়ে শহরের অস্তিত্ব  রক্ষায় আমাদেরকেও শহরের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। তিনি আরো বলেন, এখনো লাইসেন্স করেননি এমন ব্যবসায়ীদের জন্য চসিকের পক্ষ থেকে সময় দেয়া হয়েছে।আগামী ১২অক্টোবরে মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য শেষ সময় নির্ধারণ করেছেন প্রশাসক। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে সার চার্জ মওকুফ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।অন্যথায় ১৫ অক্টোবরের পর ট্রেড লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে। তিনি রাস্তায় বা রাস্তার পাশে দীর্ঘক্ষণ মালামাল লোড-আনলোড করা থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, সর্বোচ্চ ২০ মিনিটের মধ্যে মালামাল লোড-আনলোড সারতে হবে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে আমি রাতদিন  পরিশ্রম করে সড়ক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি। রাস্তা ভালো থাকলে এর সুফল ব্যবসায়ীরাই ভোগ করবেন। প্রশাসক অবৈধ রাস্তা দখলদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “দখলদার তুই রাস্তা ছাড়-রাস্তা কি তোর বাপ দাদার”এই স্লোগানকে সামনে রেখে নগরবাসীকে সুন্দর-সুশৃঙ্খল চট্টগ্রাম নগরী গড়ার কাজে অবদান রাখার আহবান জানান তিনি। কথায় কথায় পরিবহন ব্যবসায়ীদের স্টাইক করা প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, ধর্মঘট দিয়ে আমাদের ভয় দেখাবেন না। জিম্মি করার দিন শেষ। রাস্তায় গাড়ি চালানোর বিকল্প ব্যবস্থা আমাদের আছে। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক বলেন, আপনারা এ শহরে বসবাস করেন, এ শহর আপনাদের। এ শহরকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করার দায়িত্ব আমাদের সকলের।আপনাদের যা যা সমস্যা ও প্রয়োজন আছে আমাকে বললে আমি তা প্রাইরোটি বেসিসে করে দিব।আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন আমিও আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক সচিব মোহাম্মদ আবু সাহেদ চৌধুরী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজস্ব কর্মকর্তা শাহেদা ফাতেমা, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রাক কভার্ডভ্যান ও পণ্য পরিবহন মালিক ফেডারেশনের মহাসচিব মো. আবু মোজাফ্ফর, সহ সভাপতি এম কিবরিয়া দোভাষ,সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী জাফর আহমদ, ডিসি রোড ট্রাক মিনিট্রাক পিকআপ মালিক সমিতির সভাপতি মো. ইসলাম ইভান বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে মো. জামাল, মো. তৌহিদুল আলম, মুফিজুর রহমান টিপু, মুফিজুর রহমান মুন্না, মনিরুল ইসলাম, মো. খলিল, মো. এমরান, এস এহছানুল করিম, মো. ফাহিম হোসেন বাবু, মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. মিজানুর রহমান, মো. রাসেল প্রমুখ।