৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, নগরীতে যেখানে নাগরিক দুর্ভোগ ও বেসামাল অবস্থা দৃশ্যমান সেগুলোর যথাসম্ভব তাৎক্ষণিক সমাধানে চলমান এ্যাকশন বিরতিহীনভাবে চলবে। চসিক যেখানে সড়ক মেরামত, খানাখন্দ ভরাট, পরিচ্ছন্নতা ও সড়কবাতির কাজগুলো করেছে সেগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষন ও পরিচর্যায় সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জনবলের পাশাপাশি নগরবাসীরও সামাজিক দায়িত্ব রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি   পরিদর্শনকালের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, এখনো দেখছি বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র আবর্জনা পড়ে আছে। যে খানা-খন্দগুলো মেরামত করা হয়েছে সেগুলোও আগের অবস্থায় ফিরে গেছে এবং সড়কে ও ফুটপাতে বেঁধে দেয়া টাইমফ্রেম ও নিয়ম-নীতি কিছুই যথাযথভাবে মানছে না। তিনি হকারদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষের চলাচলের পথে কাঁটা হবেন না। মানুষের চলাচলের পথ সুগম করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি কোনভাবেই পূনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদের পক্ষে নই। তবে মানুষের চলাচলের পথে কোনো প্রতিবন্ধকতা সহ্য করা হবে না

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলছেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

। তিনি আজ রবিবার (৬সেপ্টেম্বর)  মাঝিরঘাট স্ট্যান্ড রোড, নিউমার্কেট মোড়, স্টেশনরোড, রেলওয়ে কভারস্টোর ফলমুন্ডি বাজার, চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন জায়গায় হকার,ফুটপাত,বাজার,রাস্তা,অলস পার্কিং সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, অনেক সড়কে নিষেধ সত্বেও হকাররা চৌকি বসিয়ে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে অস্থায়ী স্থাপনা ও ছাউনী বানিয়ে রেখেছে। রাস্তার যানবাহন  ও পথচারী চলাচলের অংশেও তারা ব্যবসা-পাতির পসরা সাজিয়েছেন। ফুটপাতের জায়গায় চলাচলের পথে বড় বড় চৌকি বসিয়েছে- এ আচরণ সহ্যের সীমানা অতিক্রম করেছে। হকারদেরকে আরো স্পষ্ট করে বলেন রাস্তার উপর তাদের নির্মাণ করা স্থাপনা ও চকিগুলো সরিয়ে না ফেললে ওগুলোকে জব্দ করে নিলামে তোলা হবে। কারণ হকার নেতাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে আমি যে ছাড়গুলো দিয়েছি তা কেউ যদি দুর্বলতা মনে করেন তাহলে তাদের জন্য কঠোর দণ্ড অপেক্ষা করছে। স্টেশন রোডের নুপুর মার্কেটের সামনে দৃষ্টিকটু ও শহরের সৌন্দর্যহানিকর পাবলিক টয়লেটটির নির্মাণকাজ আপাতত বন্ধ রাখা এবং চসিক প্রদত্ত নকশানুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা তা অফিসে এসে দেখানোর নির্দেশ দেন প্রশাসক।

নিউমার্কেট মোড়ে হকারদের রাস্তা থেকে সরে যেতে বলছেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

তিনি ফলমুন্ডি বাজারের দোকান-পাটের মালিক ও মালামাল বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আবর্জনা যেখানে-সেখানে ফেলতে পারবেন না। এ জন্য প্রতি দোকানকে ৪টি করে পলি ব্যাগ দেয়া হবে। এই ব্যাগে আবর্জনা ভর্তি করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে আসতে হবে। সেখান থেকে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা গাড়িতে তুলে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে ডাম্পারে নিয়ে ফেলবে। প্রশাসক ফল বিক্রেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নর্দমায় ময়লা ও পঁচা ফলের ভাগাড় দেখতে পেয়ে তা অপসানের নির্দেশ দিয়ে বলেন , এহেন কাজের জন্য আগামীকাল থেকে চসিকের হেলথ্ ইন্সপেক্টর দ্বারা তদারকি ও জরিমানা করা হবে।  প্রশাসক মাঝিরঘাট স্ট্যান্ড রোডে দায়িত্বরত ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে ওয়ার্কপ্লান অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আগামী সপ্তাহে কি কাজ করবেন এবং পরবর্তী ১৫ দিনে কি কাজ করবেন তার কর্মপরিকল্পনা পূর্বথেকে নির্ধারণ করে ডিসি ফুডের সাথে সমন্বয় পূর্বক কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রাস্তার কোনো অংশেই কোনো ধরণের নির্মাণসামগ্রী রাখা যাবে না। ফুটপাত বা নালা-নর্দমার ওপর স্ল্যাব বসিয়ে দোকান-পাটের আয়তন বাড়ানো চলবে না। যে সমস্ত এলাকা ধুলিময় হয়ে উঠেছে সে সমস্ত রাস্তার দু’পাশে দুই বেলা পানি ছিটানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া সদরঘাট রোডে অবস্থিত রাস্তার পাশে কাঁচা বাজার ও মাছ বাজারটিকে নিয়মনীতি অনুসরণের তাগাদা দিয়ে বলেন মূল রাস্তায় বাজার বসানো যাবে না। এবিষয়ে বাজার সংশ্লিষ্টদেরকে আগামীকাল প্রশাসকের সাথে সাক্ষাত করে এর দিক নির্দেশনা গ্রহণের পরামর্শ দেন।

আর পড়ুন:   দেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
স্টেশনরোডের ফলমুন্ডি বাজারে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলছেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় মার্কেটের মুখে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জিনিসপত্র রেখে জনসাধারনের চলাচলের পথ সংকুচিত করার দৃশ্য দেখে প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগামীকালের মধ্যে হাটাচলার পথ থেকে সমস্ত পণ্য সরিয়ে ফেলতে হবে।  তিনি উল্লেখ করেন যে, এই মার্কেটটি একসময় সিডিএ’র গোডাউন ছিলো। পরে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর আমলে নির্মিত শপিং মলটিতে চলাফেরার রাস্তা,মাঝখানে পার্কিংপ্লেস ও আলো-বাতাস চলাচলের জন্য  উম্মুক্ত জায়গা রাখলেও এখন সেখানে দোকান তৈরী করা হয়েছে। ফলে শপিং মলটি ঘিঞ্জি হয়ে উঠেছে। এসব কাঠামো ভেঙ্গে ফেলতে হবে।  পরিদর্শনকালে প্রশাসকের এমন যুগোপযোগি পদক্ষেপ ও মাঠে সরব থাকার বিষয়টিকে উপস্থিত জনসাধারণ সাধুবাদ জানান এবং এই কার্যক্রম চলমান রাখার অনুরোধ জানান। প্রশাসক তাঁর কর্মকাল মানুষের সেবা প্রদান ও দু:খ দুর্দশা লাঘবে উৎসর্গ করবেন বলে মত প্রকাশ করেন। চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ফলমুন্ডি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, হোসেন শহীদ সরওয়ারদী, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ, সহকারী প্রকৌশলী আশিক উল ইসলাম, মজিবুল হায়দার, উপসহকারী প্রকৌশলী নুর সোলায়মান, চন্দন দাশ উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতকালে প্রশাসক সুজন

চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি দলের বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে।

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, করোনাকালে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের শীর্ষতম উৎস তৈরী পোষাক রফতানী শিল্পখাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থবিরতা প্রকটতর হওয়ার আশঙ্কা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই খাতে সর্বাধিক প্রণোদনা প্রদান ও ঋণ সহায়তা বরাদ্দ দেন বিধায় এই খাতটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ফলে রফতানী আয়ের সূচকে গতিশীলতা বিদ্যমান রয়েছে। তাই মনে রাখতে হবে যে-কোনো প্রতিকূল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মত শক্তি-সামর্থ্য ক্ষমতা ও কর্মপরিকল্পনা সরকারের আছে। রফতানীমুখী শিল্পের সমস্যা আছে আবার সমাধানও আছে। শ্রমিক-কর্মচারী-মালিক ও সরকারের সমন্বিত প্রচেষ্টাই যে-কোনো সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায়। তিনি আজ রবিবার দুপুরে টাইগারপাসস্থ চসিক ভবনে বিজিএমইএ’র এক প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাতকালে একথাগুলো বলেছেন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বন্দর নগরী। সারাদেশের তৈরী পোষাক রফতানী শিল্পের পণ্য পরিবহনগুলো চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তা-ঘাট ও সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর উপর আসা-যাওয়া করে। এ কারণে চট্টগ্রামের রাস্তা-ঘাট ও সড়ক অবকাঠামোগত উন্নয়নে আবশ্যিক অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় বিজিএমইএ-কে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বিজিএমইএ’র নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, অনেক সময় দেখা যায় বেতন-ভাতা-বোনাসের দাবীতে গার্মেন্টেস শ্রমিকেরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হন। তারা সড়ক অবরোধ করেন এবং এতে দুঃসহ নাগরিক দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। তাই শ্রমিক-কর্মচারীরা যাতে রাস্তায় নামতে বাধ্য না হন সেদিকে মালিক কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে পোষাক শিল্পখাতে প্রসার ও উন্নয়ন চসিকের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এসময়  উপস্থিত ছিলেন সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, বিজিএমইএ চট্টগ্রাম  এর প্রথম সহ সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, পরিচালক খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, আব্দুল  আজিজ চৌধুরী প্রমুখ।

আর পড়ুন:   স্বর্ণের দাম কমলো

ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন অফিসে প্রণব মূখার্জির শোক বহিতেচসিক প্রশাসকের স্বাক্ষর

ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন অফিসে প্রণব মূখার্জির শোক বহিতে সাক্ষর করছেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

আজ রবিবার সকালে চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার কার্যালয়ে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু প্রাগ্য রাজনীতিক সদ্য প্রয়াত প্রণব মুখার্জীর শোক বইতে স্বাক্ষর করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। এ সময় তিনি স্থাপিত প্রয়াত প্রণব মুখার্জীর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ও দাঁড়িয়ে প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। স্বাক্ষর শেষে আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে পরস্পর কুশল বিনিময় করেন এবং বাংলাদেশ ভারতের সাথে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের সম্পর্কে দু’দেশের জনগণের জন্য মঙ্গল আনবে বলে মন্তব্য করে বলেন, এই মৈত্রির বন্ধনকে সুদৃঢ় করে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক সম্পর্ককে অধিকতর গতিশীল করার কুটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত থাকাটা আজ সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রণিধানযোগ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে ট্রানজিট সুবিধায় ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো এবং নেপাল ও ভুটানে নৌ,সড়ক ও রেলপথে আমদানি রপ্তানি পণ্য পরিবহনে যে সময় ও আর্থিক সাশ্রয় হবে এতে বাংলাদেশ-ভারত -নেপাল-ভুটানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

চসিক প্রশাসকের নিকট ১ কোটি ২০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করলেন চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের হাতে বকেয়া গৃহকরের চেক তুলে দিচ্ছেন চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বকেয়া গৃহকর বাবদ চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের নিকট ১ কোটি ২০লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. আফতাবুল ইসলাম। এসময় সচিব আবু সাহেদ চৌধুরী, প্রশাসকের  একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম,  চমেক হিবাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, চসিক এস্টেট  অফিসার  মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী, উপ-কর কর্মকর্তা আবদুল মজিদ  উপস্থিত ছিলেন। চেক হস্তান্তরকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেন, করোনাকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অনেক অবদান রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে এই হাসপাতালটি সাধারণ ও মুমূর্ষু রোগীদের যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তা অতুলনীয়। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সেবার মান আরো উন্নত করার এবং দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। প্রশাসক চট্টগ্রামে আরো কয়েকটি সরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

চসিক প্রশাসকের সাথে সোলায়মান শেঠের সাক্ষাৎ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে বিশিষ্ট রাজনীতিক, ব্যবাসায়ী শেঠ প্রপার্টিসের স্বত্বাধিকারী সোলায়মান শেঠ এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। আজ রবিবার দুপুরে নগরীর টাইগাপাসস্থ চসিক ভবনে প্রশাসকের দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতকালে সোলায়মান শেঠ নগরীর ৩০টি পাবলিক স্পেসে নিজ উদ্যোগে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার আগ্রহ প্রকাশ করে জানান যে, নাগরিকদের নিত্য চলাফেরায় স্বাস্থ্যসম্মত সুপেয় পানির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে পাবলিক স্পেসে তৃষ্ণা নিবারণে পথচারী, হকার, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কোনো সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। তাই ব্যক্তিগত উদ্যোগে মানবিক সেবা প্রদানের আমি আগ্রহী। প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন সোলায়মান শেঠের এই আগ্রহে সাড়া দিয়ে বলেন, নগরীর পথচলাচলরত ব্যস্ত মানুষের পানির তৃষ্ণা মেটাতে এই উদ্যোগ একটি শুভ প্রয়াস। সমাজের সচল ও সামর্থ্যবান মানুষেরা এই ধরণের মানবিক কর্তব্য পালনে এগিয়ে এলে নগরবাসী উপকৃত হবেন এবং নাগরিক জীবন-যাপনও স্বস্থিদায়ক হবে। তিনি সোলায়মান শেঠকে এই মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।