১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ || ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, আজ (১সেপ্টেম্বর) থেকে চট্টগ্রাম নগর উন্নয়নে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই আন্তরিক ও সংবেদনশীল। তাই চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী,অবকাঠামোগত ও দৃশ্যমান উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট বরাদ্দ দিয়ে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছেন। এই বিপুল পরিমাণ বরাদ্দের যথার্থ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চট্টগ্রামবাসীর আকাঙ্খা পুরণ করতে হবে। তিনি আজ (১সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ জহিরুল আলম দোভাষের সাথে সিডিএ ভবনন্থ তাঁর অফিস কক্ষে এক সাক্ষাতকালে একথাগুলো বলেছেন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নের ক্ষেত্রে যেখানে সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা থাকবে তা পারষ্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধান নিশ্চিত করতে পারলেই শুধু চট্টগ্রামবাসী নয় সমগ্র বাংলাদেশ উপকৃত হবে। কেননা চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক হৃদপিণ্ড। চট্টগ্রাম বন্দর পৃথিবীর অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক বন্দর। এর ঐতিহ্য প্রায় ৩ হাজার বছরের। পাহাড় নদী-সমুদ্র বেষ্টিত চট্টগ্রাম নগরী ভূ-প্রাকৃতিক ঐশ্বহ্যে ভরপুর। তাই চট্টগ্রামকেই বিশ্বের অন্যতম একটি নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এখানে যথেষ্ট উপাদান আছে। এই সম্ভাবনার আলোকে নগরীকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের উন্নয়ন,আর্থ-সামাজিক কল্যাণ ও সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি,আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে একই লক্ষ্য নিয়ে একীভূত হতে হবে। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। শুধুমাত্র সমন্বয়হীনতার কারণেই এখন পর্যন্ত জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সমস্যা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ,পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, ওয়াসা, ও সিটি কর্পারেশনকে একাধিক মেগা প্রকল্প দিয়েছেন। এসকল প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চসিকের সাথে সমন্বয় সাধানের বিষয়টিও তিনি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, জলাবদ্ধতাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের যে জনবল ও অভিজ্ঞতা রয়েছে তা অন্য কোনো সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নেই। তাই এই সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদানের জন্য চসিক মুখিয়ে আছে। তিনি চউক চেয়ারম্যানকে জানান, চট্টগ্রাম নতুন রেলওয়ে স্টেশনের সামনে পার্কিং স্পটটি এখন ব্যবহার হচ্ছেনা। এখানে রেল কর্তৃপক্ষের সাথে এতাত্ম হয়ে একটি ৫ তলা বিশিষ্ট পার্কিং জোন করা যেতে পারে। এজন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প পত্র পেশ করা হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে চউক এর সহযোগিতা কাম্য। তিনি  আরো জানান, চট্টগ্রাম উন্ননের সাথে সংশ্লিষ্ট ২৩ টি সংস্থা প্রধানদের নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি হবে এবং একটি করে মাসিক সভা হবে। এতে পারষ্পরিক দূরত্ব কমে আসবে। বৈঠকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ জহিরুল আলম দোভাষ চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে অবহিত করেন যে, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামের উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি,আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সেবাসংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা শুরু করি। ২০২০ সালের শুরুতে আমার এ সমন্বয় প্রচেষ্টা সফল হয় এবং এর সুফলও পাচ্ছি। আমি আন্তরিকভাবে পারষ্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিই। আমরা যদি পরষ্পর আন্তরিক হই তাহলে সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রে কোনো সংকট থাকবে না। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে নাগরিক দুর্ভোগ যেন প্রলম্বিত না হয়। তিনি চট্টগ্রামে পৃথক পৃথক বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণে চসিক প্রশাসকের আগ্রহ ও পরিকল্পনার সাথে ঐকমত্য পোষণ করে বলেন, এই দুটি টার্মিনাল নির্মাণ এখন সময়ের দাবী। এতে পরিবহন সেক্টরে ব্যবস্থাপনাগত শৃংখলা আসবে। তবে সবচেয়ে বেশি এখন যেটি দরকার তা হলো টার্মিনালের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা। এই পুরো উদ্যোগটি নির্ভর করে যথাযথ সমন্বয় সাধানের মাধ্যমে। তিনি চট্টগ্রাম নগরীতে যানজট সমস্যার সমাধানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার উপরও গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব মোহম্মদ সাইফুল আলম চৌধুরী,  প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস্, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, চউকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.এ.এম হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আর পড়ুন:   উড়োজাহাজের সিটের নিচে ৬৮ সোনার বার

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাত

                                              চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাত করছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরীর সিহংভাগ ভূমি বন্দর ও রেলওয়ের মালিকানাধীন। এই ভূমির বিরাট অংশ অবৈধ দখলদারদের হাতে। এবং কর্ণফুলীর তীরবর্তী বা ভরাট হয়ে যাওয়া অংশ যেগুলোর মালিকানা বন্দর ও জেলা প্রশাসনের সেগুলোরও অধিকাংশ জায়গা বেদখল হয়ে আছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রাণশক্তি কর্ণফুলী নদী বিপন্ন। তিনি আরো বলেন, রেল ও বন্দরের যেসমস্ত জায়গা অব্যবহৃত যা অবৈধ দখলদারদের হাতে সেগুলো পূন:রুদ্ধার করে জেলা প্রশাসনের সাথে পার্ক ও বিনোদনকেন্দ্র ও আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন উদ্যোগী হলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাবে। তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে আদালত ভবনে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে একথাগুলো বলেছেন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের ফয়সলেক একটি নান্দনিক বিনোদন কেন্দ্র হলেও এর রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে এই ফয়সলেকটি ভাটিয়ারী লেক পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হলে এখানে মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র সহ বাণিজ্যিক পর্যটন স্থাপনাও গড়ে তুলতে পারলে সরকারের আর্থিক আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরী হতে পারে। তিনি আরো বলেন, সীতাকুণ্ড পাহাড়ী এলাকার ঢালু সমতটে প্লাস্টিক প্রাচীর দিয়ে প্রাকৃতিক পানি সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরী করা যায়। দেশ-বিদেশ থেকে আগত পণ্যবাহী জাহাজগুলো মালামাল খালাসের পর এই প্রাকৃতিক রিজারভার থেকে মিঠাপানি ভ্যাসেলে পূর্ণ করে নিয়ে যেতে পারতো। যার ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হতো। এই সম্ভাবনাটির কথা প্রয়াত সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী একটি প্রকল্প আকারে উপস্থাপন করেছিলেন। আজ তা পুন:বিবেচনার সময় এসেছে। তিনি জেলা প্রশাসককে অবগত করেন যে, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বন্দর নগরীর ও বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে প্রতিদিনই কয়েক লক্ষ্য গণপরিবহন সহ মালবাহী যানবাহন চলাচল করে। তবে দু:খের বিষয় এই চট্টগ্রাম নগরীতে স্থায়ী পরিবহন পার্কিং ও টার্মিনাল নেই। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পার্কিং টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও কবে বাস্তবায়িত হবে  তা নির্ধারিত নয়। তবে সিটি কর্পোরেশন পার্কিং টার্মিনাল করার ব্যাপারে প্রচেষ্টা ও সরকারের কাছে দেন দরবার  চালিয়ে যাবে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হেসেন চসিক প্রশাসকের দায়িত্ব পাওয়ায় মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে  শুভেচ্ছা সিক্ত করে বলেন, তিনি চট্টগ্রাম দরদী।চট্টগ্রামে ভালো কিছু করার জন্য তাঁর যথেষ্ট আগ্রহ আছে। একজন রাজপথের রাজনীতিক হিসেবে নগরবাসীর সুখ দু:খের কথা জানেন। তবে  এখন করোনাকাল অনেক সীমাবদ্ধতাও আছে। তারপরও চসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনে জেলা প্রশাসন তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাবে। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ কামাল হোসেন, আবু সিদ্দিক, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলেন।

আর পড়ুন:   নেইমারেই ঘায়েল উরুগুয়ে

দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য

                                        জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, আইনজীবীরা সমাজের সচেতন নাগরিক। তারা অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সব সময় প্রতিবাদ মুখর,  দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি  আজ মঙ্গলবার সকালে আদালত ভবনে জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে এক বৈঠকে একথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত, আলোকায়ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা সচল রাখতে চসিক  ক্যারাভান প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম শুরু করেছে। কিছু দিনের মধ্যে তা দৃশ্যমান হবে। প্রশাসক আরো বলেন, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে লালদিঘীর জনসভা পণ্ড করতে পরিকল্পিত গণহত্যা ও নেত্রীকে হত্যার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তৎকালীন আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ আইনজীবীরা যে সাহসী ভূমিকা রেখেছিল তা স্মরণীয় হয়ে আছে। আইনজীবীরা আদালত ভবনে লাইটিং, পাবলিক টয়লেট, নর্দমার স্ল্যাব, ডাস্টবিনসহ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এ সমস্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এসময় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সৈয়দ মোক্তার আহমদ, সাবেক সভাপতি মুজিবুল হক, সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মো. ছাবেদুর রহমান, সহ সভাপতি মো. আজিজুল হক চৌধুরী, শেখ ইফতেখার  সাইমুল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এ.এইচ.এম জিয়াউদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন আক্তার মুস্তাক, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কবির হোসাইন, অশোক দাশ, আব্দুর রশিদ, সাবেক জিএস নজমুল হক, আনোয়ার হোসেন আজাদ, সাবেক সংস্কৃতি  ক্রীড়া সম্পাদক দুলাল দেবনাথ, উজ্জ্বল সরকার, জোবাইদা সরোয়ার নিপা, সাবেক আইটি ফয়েজ উদ্দিন চৌধুরী, ওমর ফারুক শিবলী, মাসুদুল ইসলাম বাবলু, আব্দুল আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে চসিক প্রশাসকের শোক

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, বরেণ্য রাজনীতিবিদ, ভারতের প্রাক্তণ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। এক শোক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে তিনি পাশে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন পরম সুহৃদ। ১৯৭৫’র নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর বঙ্গবন্ধুর বেঁচে যাওয়া দুই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানাকে ভারতে সকল প্রকার সহযোগিতা দিয়ে কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি। দেশের যে কোনো সংকটে তিনি বাঙালি জাতিকে সাহস ও প্রেরণা যোগাতেন। তাঁর মৃত্যুতে ভারত হারালো একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদকে এবং উপমহাদেশ হারালো একজন বিজ্ঞ নেতাকে।